শনিবার সারা দেশে ২০ দলীয় জোটের বিক্ষোভ

বুধবার বিজ্ঞপ্তিতে জোটের পক্ষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

বুধবার বিজ্ঞপ্তিতে জোটের পক্ষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে আগামী শনিবার সারা দেশে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট।

বুধবার বিজ্ঞপ্তিতে জোটের পক্ষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশ যখন বন্যায় ভাসছে, লাখো বন্যার্ত মানুষ যখন বিপন্ন, পেয়াঁজ, মরিচ, শাক-সব্জি, চাল, ডাল, মাছ-মাংসের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির ফলে নিম্ন ও মধ্য আয়ের কোটি কোটি মানুষ যখন দিশেহারা-ঠিক তখন আবার অযৌক্তিক ও বেআইনী ভাবে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও সিএনজির দাম বাড়ানো হয়েছে।

বিশ্ব বাজারে জ্বালানী তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১২০ ডলার থেকে কমে যখন মাত্র ৪০ ডলার হয়েছে এবং গত ৫ বছরে সরকারি সংস্থা পেট্রোবাংলা যেখানে ২০ হাজার ৮০ কোটি টাকা মুনাফা করেছে তখন তেল এবং তেল দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ, গ্যাস,সিএনজির দাম কমানো হবে এটাই স্বাভাবিক ছিল ।

এ সিদ্ধান্তকে দেশ বিরোধী সিদ্ধান্ত আখ্যা দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘কিন্তু যেহেতু বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি তাই জনগণের স্বার্থ রক্ষা তাদের কোন দায় নেই বলেই বিদ্যুৎ , গ্যাসের দাম না কমিয়ে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।আমরা তাই জনগনের দ্বারা নির্বাচিত , জনগনের কাছে দায়বদ্ধ এবং জনগনের স্বার্থ রক্ষাকারী গণতান্ত্রিক ও দেশপ্রেমিক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য অবিলম্বে নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছি। আমরা ২০ দলীয় জোট, সরকারের এ গণবিরোধী, শিল্প বিরোধী, কৃষি বিরোধী, বিনিয়োগ বিরোধী, কর্মসংস্থান বিরোধী তথা দেশ বিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিল করার জন্য দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানাচ্ছি।’

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, কুইক রেন্টালের নামে লুট করা হাজার হাজার কোটি টাকার দায় জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়ার সরকারি এই অযোক্তিক , অন্যায় ও গণবিরোধী সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাই।

বিদ্যুত গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির পক্ষে সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির যুক্তি দিয়ে দেশবাসীকে ভাওতা দেয়া হয়েছে। ১৬ কোটি মানুষের দেশে ১৩ লাখ সরকারি কর্মচারীর বেতন বৃদ্ধির যুক্তি দিয়ে দেশবাসীর সাথে ভাওতাবাজি করা হয়েছে। ১৬ কোটি মানুষের দেশে ১৩ লাখ সরকারি কর্মচারীর বেতন বৃদ্ধির প্রভাব পড়বে মাত্র ৪ শর্তাংশ জনগণের উপর। বাকি ৯৬ শতাংশ মানুষ কোন আয় বৃদ্ধি ছাড়াই বাড়তি ব্যায়ের শিকার হবেন। এদিকে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও সিএনজি’র অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা করা করেছে ২০ দলীয় জোট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *