নিউজিল্যান্ডে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সুনামি

নিউজিল্যান্ডে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সুনামি

নিউজিল্যান্ডে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সুনামিনিউজিল্যান্ডের সাউথ আইল্যান্ডে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সুনামি আঘাত হেনেছে।

স্থানীয় সময় রোববার রাত ১২টা ২ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টা ২ মিনিটে) শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।

মার্কিন ভূতত্ব জরিপ বিভাগ বলেছে, রিখটার স্কেলে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ক্রাইস্টচার্চ থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দুরে। এরপর এক ঘণ্টায় কাছাকাছি এলাকায় ৪.৯ থেকে ৬.২ মাত্রার অন্তত দশটি পরাঘাত অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পের প্রায় দুই ঘণ্টা পর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে সুনামি আঘাত হানে। কর্মকর্তারা বলছেন, প্রথম ঢেউগুলো হয়তো সবচেয়ে বড় নয়, তবে কয়েক ঘণ্টা যাবত সুনামি চলতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের উপকূল থেকে দূরে অথবা উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের একটি আবহাওয়াবিষয়ক ওয়েবসাইট জানাচ্ছে, একটি ঢেউয়ের উচ্চতা ৮ ফুট ২ ইঞ্চি পর্যন্ত মাপা হয়েছে।

তাৎক্ষণিক প্রাণহানি কিংবা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। লোকজনকে উপকূল ছেড়ে মূল ভূমিতে এবং উঁচু জায়গায় অবস্থান নিতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েক হাজার লোককে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি।

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জন কি ভূমিকম্পের পর পরই এক টুইটার বার্তায় জানান, ‘এই রাতে সংঘটিত ভূমিকম্পে আশা করি সবাই নিরাপদে আছেন। ‍বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী ভূমিকম্পের প্রভাব খতিয়ে দেখছে। ভূমিকম্পের বিষয়ে আপডেট পেতে তাদেরকে অনুসরণ করেন।’

দ্য হেরাল্ড পত্রিকা বলছে, দূরবর্তী শহর ওয়েলিংটনেও ভূমিকম্প টের পাওয়া গেছে। সেখানে সাইরেন বেজে ওঠার পর অনেকেই ঘর ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। এসময় অনেককে কাঁদতে দেখা যায়।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ক্রাইস্টচার্চে এক ভূমিকম্পে ১৮৫ জন নিহত হয়েছিলেন এবং শহরের কেন্দ্রস্থল প্রায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। সেই ধাক্কা এখনো পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি শহরটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *