ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৫

ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় গভীর রাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ২৫ যাত্রী নিহত হয়েছেন।

ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় গভীর রাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ২৫ যাত্রী নিহত হয়েছেন।ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় গভীর রাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ২৫ যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১৮ জন। ১৯ জন যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। হাসপাতাল নেয়ার পর মারা যায় অপর ৬ জন।

বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলার কৈডুবী এলাকায় সোনারতরী পরিবহনের ওই বাসটি (ঢাকা-মেট্রা: ব ১৪৭০৭৪) এ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বলে হাইওয়ে পুলিশের এএসপি বেলাল হোসাইন জানান।

বুধবার রাত ৯টায় রাজধানীর গাবতলী থেকে পটুয়াখালীর উদ্দেশে রওয়ানা দেয় বাসটি। আহত ও নিহত যাত্রীদের অধিকাংশের বাড়ি বরিশাল ও পটুয়াখালী বলেও জানান তিনি।

আহত ২২ জনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

চালকের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণেই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারায় বলে অভিযোগ করেছেন আহত যাত্রীরা।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি মো. হোসেন সরদার জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কুয়াকাটাগামী সোনারতরী নামের যাত্রীবাহী দ্রুতগামী বাসটি রাস্তার পাশে বড় একটি গাছের সাথে ধাক্কা লেগে দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে মারা যায় ২০ জন। হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যায় আরও তিনজন।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে উদ্ধার তৎপরতা চালান।

ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার বেলাল হুসাইন জানান, দুর্ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে হাইওয়ে থানায় নিয়ে যায়।

মহাসড়কে ডিউটিরত ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আনসার সদস্য সাইদুর রহমান ও স্বপন হাওলাদার জানান, দ্রুতবেগে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি গাছের সাথে ধাক্কা লেগে দু’ভাগ হয়ে যায়।

দুর্ঘটনাকবলিত বাসটির যাত্রী পটুয়াখালীর আইয়ুব জানান, বাসচালক ঘুমিয়ে পড়ার কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে থানায় নিয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের এক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এদিকে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক সরদার শরাফত আলী বলেন, নিহতদের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যয়ভারও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বহন করা হবে। এছাড়া কি কারণে দুর্ঘটনা হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *