পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করলো বাংলাদেশ

বাংলাওয়াশের শুরুটা হয়েছিল কেনিয়াকে দিয়ে। সর্বশেষ শিকার পাকিস্তান। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের সব ক’টিতেই হেরে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হলো পাকিস্তান।

বাংলাওয়াশের শুরুটা হয়েছিল কেনিয়াকে দিয়ে। সর্বশেষ শিকার পাকিস্তান। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের সব ক’টিতেই হেরে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হলো পাকিস্তান।সৌম্য সরকারের ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে বাংলাওয়াশ করল বাংলাদেশ। কেনিয়া, আয়ারল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড। এবার এই তালিকায় যোগ হলো পাকিস্তানের নামও। বাংলাওয়াশের শুরুটা হয়েছিল কেনিয়াকে দিয়ে। সর্বশেষ শিকার পাকিস্তান। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের সব ক’টিতেই হেরে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হলো পাকিস্তান।

দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকারের ১৪৫ রানের জুটিতে জয়ের রাস্তা সহজ হয়ে যায় টাইগারদের। তামিম হাফ সেঞ্চুরি করে আউট হলেও সৌম্য তুলে নেন ১২৭ রান।

ক্যারিয়ারের দশম ম্যাচেই তিনি ৯৪ বলে সেঞ্চুরি করেন। তামিম ৬৪ রান করে জুনায়েদ খানের বলে এলবির ফাঁদে পড়েন। পরে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও চার রান করে জুনায়েদের বলে বোল্ড হয়েছেন। বাংলাদেশের রানও দুশো ছাড়িয়েছে।

এর আগে পাকিস্তান দেখিয়েছে ব্যাটিংয়ে চিরাচরিত উত্থান-পতনের দৃশ্য। দুই উইকেটে ২০২ রান করা দলটার ব্যাটিং লাইন ভেঙে পড়ে হঠাৎ করেই। ইনিংসে চার ব্যাটসম্যান করেছেন ২২০ রান। বাকি সাতজন মিলে করেছেন ২৪ রান। ছয় রান আসে অতিরিক্ত থেকে। তবে ওপেনিং জুটিতে ৯১ রান তুলেছিল পাকিস্তান। ইনিংসের ১৮তম ওভারে বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন নাসির হোসেন। ব্যক্তিগত ৪৫ রানে নাসিরের বলে কট বিহাইন্ড হন অভিষিক্ত সামি আসলাম। উইকেটে এসে অস্বস্তিতে থাকা হাফিজ (৪) বোল্ড হন আরাফাত সানির বলে।

তৃতীয় উইকেটে অধিনায়কের সঙ্গে জুটি বাঁধেন হারিস সোহেল। তাদের জুটি ৯৮ রান যোগ করে। বড় স্কোরটা তখন দৃষ্টিসীমায় ছিল ভালোভাবেই। আজহার হাফ সেঞ্চুরি করেন ৬২ বলে। তার ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি আসে ১১১ বলে। এর মাধ্যমে প্রায় পাঁচ বছর পর পাকিস্তানের কোনো ওয়ানডে অধিনায়ক সেঞ্চুরি পেলেন। ২০১০ সালে সর্বশেষ সেঞ্চুরি করেছিলেন শহীদ আফ্রিদি। সেঞ্চুরি করার পরের বলেই আউট হয়েছেন তিনি। সাকিবের বোল্ড হওয়ার আগে ১১২ বলে ১০টি চারে ১০১ রান করেন আজহার।

পঞ্চম হাফ সেঞ্চুরির পর হারিস সোহেলও স্থায়ী হননি। ব্যাটিং পাওয়ার প্লে’র শেষ ওভারে ৫২ রান করে মাশরাফির শিকার হন এই তরুণ। পরে রিজওয়ান কট এন্ড বোল্ড করেন সাকিব। মাশরাফির বলে ডিপ স্কয়ার লেগে নাসিরের দুর্দান্ত ক্যাচে ফিরেন ফাওয়াদ আলম। সাদ নাসিম, ওয়াহাব রিয়াজ রুবেলের শিকার হন। উমর গুল রান আউট হন। সাদ নাসিমের ২২ রানে আড়াইশোর চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় পাকিস্তান। জুনায়েদ খানকে বোল্ড করে পাকিস্তানের ইনিংসের লেজটা মুড়ে দেন আরাফাত সানি। বাংলাদেশের মাশরাফি, সাকিব, রুবেল, আরাফাত দুটি করে উইকেট নেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *