তামিমের বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে শঙ্কা

বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে সংশয়ে তামিম ইকবাল। সোমবার এমআরআই রিপোর্ট হাতে এসেছে। কিন্তু রিপোর্টের খবর খুব একটা আশার নয়।

বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে সংশয়ে তামিম ইকবাল। সোমবার এমআরআই রিপোর্ট হাতে এসেছে। কিন্তু রিপোর্টের খবর খুব একটা আশার নয়। বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে সংশয়ে তামিম ইকবাল। সোমবার এমআরআই রিপোর্ট হাতে এসেছে। কিন্তু রিপোর্টের খবর খুব একটা আশার নয়। তামিম ইকবালের বাঁ-হাঁটুর মিনিসকাস ছিঁড়ে গেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে এমআরআই রিপোর্টে ৷ এতে তামিমের বিশ্বকাপ খেলা অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তবে এখনই বলা যাবে না তামিমের বিশ্বকাপ শেষ।

তামিমের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে অস্ট্রেলীয় চিকিৎসকদের দ্বারস্থ হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ৷ বিসিবির চিকিৎসক দেবাশিস চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা এখানকার রিপোর্টগুলো ওদের কাছে আজকে (সোমবার) পাঠিয়েছি। ওদের কাছ থেকে শিগগিরই ফিডব্যাক আশা করছি। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যদি অপারেশনের দিকনির্দেশনা আসে, তবে যত শিগগিরই সম্ভব অপারেশনের জন্য তাকে (তামিম) অস্ট্রেলিয়া পাঠাব। কিন্তু সব কিছুই নির্ভর করছে ওখানকার ডাক্তাররা কী পরামর্শ দেয় তার ওপর।’

তামিমের ব্যাপারে আপাতত ২টি রাস্তাই খোলা রাখতে চাইছে বিসিবি৷ অস্ত্রোপচার না করিয়েই যদি আপাতত তাকে খেলার জন্য ফিট করে তোলা যায়, সেটাই প্রথম চাওয়া৷ আর অস্ত্রোপচার করানো অবশ্যম্ভাবী হলে সেটি যত দ্রুত করে ফেলা যায়৷ কারণ এ ধরনের অস্ত্রোপচার জটিল কিছু না হলেও পুনর্বাসন শেষে পুরো ফিট হয়ে মাঠে ফিরতে এক মাসের মতো লেগে যেতে পারে। বিশ্বকাপ শুরু হতে ৭ সপ্তাহ বাকি৷ কিন্তু চূড়ান্ত দল ঘোষণার শেষ সময় আগামী ৭ জানুয়ারি৷ এই বিষয়ে দেবাশিষ চৌধুরী বলেছেন, ‘তামিম বাঁ-হাঁটুর ব্যথায় ভুগছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। এর জন্য আমরা ওকে (তামিম) একটু রিহ্যাব প্রোগ্রামের আওতায় নিয়ে আসি। রিহ্যাব প্রোগ্রামের আওতায় এসে বেশ উন্নতি করেছে এবং কিছুদিন আগে তামিম ম্যাচও খেলেছে। অনেক সময় এই ধরনের ইনজুরি বিশ্রামেও ভাল হয়ে যায়। আবার অনেক সময় দেখা যায় অনেক খেলোয়াড় এই ইনজুরি নিয়ে পুরো ক্যারিয়ারও পার করে দিতে পারে। এটা খুব বড় ইনজুরি নয় যে, অনেকদিন খেলার বাইরে থাকতে হবে। যাই হোক না কেন, আমরা আশা করি খুব শিগগিরই সে সেরে উঠবে।’

বিশ্রামের মাধ্যমে যদি তামিমকে ইনজুরি মুক্ত করতে কত দিন লাগতে পারে এই বিষয়ে দেবাশিষ বলেছেন, ‘রিহ্যাব, রেস্ট এগুলো একটা প্রক্রিয়ায় এগুতে হয়। তাই কতদিন লাগবে এটা বলা মুশকিল। অন্যদিকে এই ধরনের অপারেশনে ৪ সপ্তাহের বেশী লেগে যায়। আমি মনে করি না যে, এই ইনজুরি ওকে খেলা থেকে একেবারে সরিয়ে রাখবে। এবং এটা নির্ভর করছে খেলোয়াড়দের ক্ষমতা, আত্মবিশ্বাসের ওপর।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *