খালেদা জিয়াকে হুমকি ছাত্রলীগের

তারেক রহমান বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সম্প্রতি যে বক্তব্য দিয়েছে তা প্রত্যাহার না করলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সমাবেশ করতে না দেওয়ার হুমকি ছাত্রলীগের।

তারেক রহমান বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সম্প্রতি যে বক্তব্য দিয়েছে তা প্রত্যাহার না করলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সমাবেশ করতে না দেওয়ার হুমকি ছাত্রলীগের।বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক রহমান লন্ডনে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সম্প্রতি যে বক্তব্য দিয়েছে তা প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছে ছাত্রলীগ। বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দেশের কোথাও সমাবেশ করতে না দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে সংগঠনটি।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউয়ে শনিবার বিকেলে তারেক রহমানের বক্তব্যের প্রতিবাদে ডাকা বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে এ ঘোষণা দেন ছাত্রলীগ সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বেশ কয়েকটি বিতর্কিত মন্তব্যের পর সর্বশেষ লন্ডনের একটি অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকে ‘রাজাকার’ আখ্যায়িত করেন তারেক রহমান। এরপর থেকেই তারেকের ওই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতারা।

খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘বক্তব্যের জন্য তারেক রহমানকে ক্ষমা চাইতে হবে। তা না হলে এর দায়ভার আপনাকে নিতে হবে।’

বদিউজ্জামান সোহাগ আরও বলেন, ‘তারেক রহমানকে এ বক্তব্য প্রত্যাহার করতে বলুন। তা না হলে দলের চেয়ারপারসন হিসেবে আপনি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করুন। তা না হলে দেশের কোথাও আপনাকে সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না। আপনি যেখানে সমাবেশ ডাকবেন, আমরাও সেখানে পাল্টা সমাবেশ ডাকব।’

খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রলীগের সভাপতির সঙ্গে আমি একমত পোষণ করছি। তা না হলে ছাত্রলীগ কোনো জায়গায় সমাবেশ করতে দেবে না। খালেদা-তারেক মুদ্রার এপিট আর ওপিট। এদের জন্মের উৎসও এক জায়গায়।’

সমাবেশে বিএনপির উদ্দেশ্যে কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আন্দোলনে নাইমা দেখেন। আপনাদের আন্দোলন মোকাবিলায় আমাদের ছাত্রলীগই যথেষ্ট। পাবলিক এত বোকা না যে তারা আপনাদের আন্দোলনে সাড়া দিবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি এবার আন্দোলনে নামলে তাদের পিঠে চামড়া থাকবে না। তাদের পিঠের চামড়া তুলে নেওয়া হবে। এটা ২০১৩ সাল নয়। তাই আন্দোলনে নামলে খবর আছে।’

তারেক রহমানের বক্তব্য প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে সাংবাদিকদের প্রতি কামরুল বলেন, ‘দেশের প্রতি আপনাদেরও দায়িত্ব রয়েছে। তাই আপনারা দয়া করে কোনো ফেরারি আসামির বক্তব্য প্রচার করবেন না।’

সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত আলী শিকদার, সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হাসান রিপন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শামসুল কবির রাহাত, দফতর সম্পাদক শেখ রাসেলসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয়, মহানগর, ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *