আবারও আটক হয়েছেন নব্য ‘নূর হোসেন’

বুকে ‘শেখ হাসিনার পদত্যাগ চাই’, পিঠে ‘গণতন্ত্রের মুক্তি চাই’ লিখে আবারও আটক হয়েছেন নব্য ‘নূর হোসেন’ বলে পরিচিতি পাওয়া দেলোয়ার হোসেন নূর।

বুকে ‘শেখ হাসিনার পদত্যাগ চাই’, পিঠে ‘গণতন্ত্রের মুক্তি চাই’ লিখে আবারও আটক হয়েছেন নব্য নূর হোসেন ‘নূর হোসেন’ বলে পরিচিতি পাওয়া দেলোয়ার হোসেন নূর।বুকে ‘শেখ হাসিনার পদত্যাগ চাই’, পিঠে ‘গণতন্ত্রের মুক্তি চাই’ লিখে আবারও আটক হয়েছেন নব্য  ‘নূর হোসেন’ বলে পরিচিতি পাওয়া দেলোয়ার হোসেন নূর।

বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের সামনে থেকে ২৫ বছর বয়সী এই যুবককে আটক করে পুলিশ।

এর আগে গত ৫ জানুয়ারি নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে আটক হন দেলোয়ার হোসেন নূর। সে সময়ে পুলিশ দাবি করেছিল, গাজীপুর কালিগঞ্জ থানার এই ছেলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী।

ওই সময় তার বুকে লেখা ছিল- শেখ হাসিনা নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক। পরে নূর মুক্তি পান। এরপর আজ আবার তিনি একইভাবে আটক হলেন।

প্রসঙ্গত, নূর হোসেন বললে সবার চোখে ভেসে ওঠে- নব্বইয়ে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে বুকে ও পিঠে লেখা ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক/গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ যুবকের ছবি, যাকে বুলেটে থামিয়ে দেয়া হয়েছিল, জ্বলে উঠেছিল গোটা দেশ। নূর হোসেনের অবদানে পতন হয়েছিল এরশাদ সরকারের।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নব্বইয়ের নূর হোসেনের আদলে বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে তিনটার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে প্রায় ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেন নতুন নূর।

এ সময় খালি গায়ে তার বুকে লেখা ছিল- শেখ হাসিনার পদত্যাগ চাই। আর পিঠে লেখা স্বৈরাচার নিপাত যাক। এ সময় তার হাতে একটি ব্যানারও দেখা যায়।

পুলিশ সদস্যরা তাকে কার্যালয়ের সামনে থেকে ৮৬ নং রোডের উত্তর দিকে নিয়ে যায়। এ সময় দেলোয়ার হোসেন নূর পুলিশের সঙ্গে যেতে না চাইলে তাকে জোর করে নিয়ে যাওয়া হয়।

নূর হোসেন কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বলতে থাকেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আপনি আপসহীন নেত্রী। আপনি গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে আপসহীন নেত্রী হয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘আপনি কারও সঙ্গে গণতন্ত্রের জন্য আপস করবেন না। জনগণ আপনার সঙ্গে আছে।’

এ সময় নূরের কাছে একটি ব্যানার দেখা গেছে। এতে লেখা ছিল- বেগম খালেদা জিয়ার হুলিয়া তুলে নিতে হবে। সংঘাত চাই না, শান্তি চাই। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই, করতে হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, গাজীপুরের মেয়র এমএ মান্নান, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীসহ সকল রাজবন্দির মুক্তি চাই।

তবে এ ব্যাপারে গুলশানে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের সামনে দায়িত্বরত পুলিশের কর্মকর্তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *