অস্ট্রেলিয়ার ৭ উইকেটের বিশাল জয়

স্কটিশদের ১৩০ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৭ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে অসিরা। ফলে ‘পুল এ’ থেকে রানার-আপ হয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা।

স্কটিশদের ১৩০ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৭ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে অসিরা। ফলে  ‘পুল  এ’ থেকে রানার-আপ হয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা।স্কটিশদের ১৩০ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৭ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে অসিরা। ফলে  ‘পুল  এ’ থেকে রানার-আপ হয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা।

খেলার সময় হিসেব করে কিংবা অস্ট্রেলীয়দের ব্যাটিং দেখে বুঝার উপায় নেই স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচটি ছিল ওয়ানডে বিশ্বকাপের। পুরো ম্যাচে খেলা হয়েছে ৪১ ওভার। অসিরা খেলেছে মাত্র ১৫.২ বল। শেষ পর্যন্ত ২০৮ বল (৩৪.৪ওভার) হাতে রেখেই ৭ উইকেটের বিশাল জয় পেলো অস্ট্রেলিয়া।

শনিবার হোবার্টের ওভালে পুল পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে নিয়ে এভাবে টি-টুয়েন্টি ‘তামাশায়’ মেতে ছিল স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া।

বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নামা স্কটিশরা অসি পেসারদের তোপে রীতিমতো অসহায় ছিলেন। মিচেল স্টার্ক আর প্যাট কামিন্সের বোলিংয়ের সামনে ধসে পড়ে তাদের ব্যাটিং। স্কটিশদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন ম্যাট মাচ্যান।

স্টার্ক ৪.৪ ওভার বল করে ১৪ রান খরচে ৪ উইকেট আর কামিন্স ৭ ওভার বল করে ৪২ রান খরচে ৩ উইকেট নিয়ে ২৫ ওভার ৪ বলে ১৩০ রানে গুটিয়ে দেন স্কটল্যান্ডের ইনিংস।

জয়ের জন্য মাত্র ১৩১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে টি-টোয়েন্টির ঝড় তোলেন অসি ব্যাটসম্যানরা। মাত্র ১৫.২ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান তুলে নেন তারা।

মাইকেল কার্ক ৪৭ বলে ৪৭ রান, অ্যারন ফিঞ্চ ১০ বলে ২০ রান এবং শেট ওয়াটসন ২৩ বলে ২৪ রান করেন। আর ডেভিড ওয়ার্নার ৬ বলে ২১ এবং জেমস ফকনার ৬ বলে ১৬ রান নিয়ে স্কটিশ বোলারদের তুলোধুনা করেন।

স্টার্ক ৪.৪ ওভার বল করে ১৪ রান খরচে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

স্কটল্যান্ড : ১৩০/১০, ওভার ২৫.৪ (ম্যাকচান ৪০, ড্যাবি ২৬, লিস্ক ২৩*, ম্যাকলিওড ২২; স্টার্ক ৪/১৪, কামিন্স ৩/৪২)

অস্ট্রেলিয়া : ১৩৩/৩, ওভার ১৫.২ (ক্লার্ক ৪৭, ওয়াটসন ২৪, ওয়ার্নার ২১*; ড্যাবি ১/৩৮)

ফল : অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে জয়ী

ম্যাচসেরা : মিচেল স্টার্ক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *