৩৫তম বিসিএস পরীক্ষা ৬ ফেব্রুয়ারি

আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

এতে জানানো হয়, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। তবে পিএসসির ইতিহাসে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ সংখ্যাক পরীক্ষার্থী এবার আবেদন করায় সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেওয়ার স্বার্থে পরীক্ষার তারিখ পেছানো হয়েছে।

উল্লেখ, গত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রথম শ্রেণির ১ হাজার ৮০৩টি পদে কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্যে ৩৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি।

সাধারণ ক্যাডারের ৪৫৫টি শূন্য পদের মধ্যে বিসিএস প্রশাসনে ৩০০টি পদে, আনসারে ৪টি, হিসাব ও নিরীক্ষায় ৪টি, সমবায়ে ৪টি, ইকোনমিক ক্যাডারে ৪০টি, পরিবার পরিকল্পনায় ১০টি, বিসিএস খাদ্যে ২টি, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ২০টি, তথ্য ক্যাডারের ২টি পদে ১১টি, পুলিশে ৫০টি, ডাক বিভাগের ১০টি প্রথম শ্রেণির পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

এছাড়া প্রফেশনাল/ টেকনিক্যাল ক্যাডারের ৪৮৪টি শূন্য পদে এবং সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে সরকারি কলেজে বিভিন্ন বিষয়ে ৮২৯টি ও সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে বিভিন্ন বিষয়ের ৩৫টি শূন্য পদের বিপরীতে কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে।

৩৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রায় ১৯ মাস পর ৩৫ তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর আগে সর্বশেষ ২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ৩৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ৩৫ তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হবে নতুন নিয়মে। এতে আগের ১০০ নম্বরের স্থলে ২০০ নম্বরের ২ ঘণ্টার এমসিকিউ পদ্ধতি অনুসরন করা হবে। একই সঙ্গে বিসিএসে আবেদন ফরমের দাম ২০০ টাকা বাড়িয়ে ৭০০ টাকা করা হয়।

তবে প্রতিবন্ধী,সুবিধাবঞ্চিত ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য আবেদনপত্রের দাম ১৫০ টাকা কমিয়ে ১০০ টাকা করা হয়েছে।এছাড়া মৌখিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে। তবে লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর আগের মতোই ৫০ শতাংশ রয়েছে।

এছাড়া সংশোধিত নিয়মানুযায়ী কোনো প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় ৩০ শতাংশের কম নম্বর পেলে তিনি কোনো নম্বর পাননি বলে বিবেচিত হবেন। এটি আগে ছিল ২৫ শতাংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *