২-০ তে এগিয়ে গেল টাইগাররা

মাশরাফি বিন মর্তুজা আর আরাফাত সানির বোলিং নৈপুণ্যে পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে গেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

মাশরাফি বিন মর্তুজা আর আরাফাত সানির বোলিং নৈপুণ্যে পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে গেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।মাশরাফি বিন মর্তুজা আর আরাফাত সানির বোলিং নৈপুণ্যে পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে গেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৬৮ রানে হারিয়েছে তারা।

রবিবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করা স্বাগতিক বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে করেছে ২৫১ রান।

জয়ের জন্য ২৫২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় জিম্বাবুয়ে। প্রথম ওভারের শেষ বলে ব্যক্তিগত রানের খাতা খোলার আগেই টাইগার অধিনায়ক মাশরাফির বলে বোল্ড হয়ে যান মাসাকাদজা।

দলের অন্যতম এই ব্যাটিং স্তম্ভকে হারিয়েও দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন জিম্বাবুয়ের দুই ব্যাটসম্যান সিকান্দার রাজা ও ভুসি সিবান্দা।

তবে এ যাত্রায় সফরকারীদের লাগাম টেনে ধরেন মাশরাফি। ভুসি সিবান্দাকে (২১) বোল্ড করে দিয়ে সাজঘরে পাঠান তিনি, দলীয় রান ৩৭। এরপর সিকান্দার রাজাকে মাহমুদুল্লাহর হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন নড়াইল এক্সপ্রেস। তার পেসতোপে দিশেহারা হয়ে পড়েছে সফরকারীরা।

দলীয় ৫০ রানে স্পিনার আরাফাত সানিকে রিভার্স সুইফ করতে গিয়ে মাহমুদুল্লাহর অসাধারণ ক্যাচে পরিণত হন ব্রেন্ডন টেইলর (৮)।

টেইলরের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন সলোমন মিরে আর রেগিস চাকভা। দুজনে গড়েন ৬৫ রানে জুড়িও গড়েন দুজনে। তবে বিপজ্জনক হয়ে উঠার আগেই দলীয় ১১৫ রানে আল আমিন হোসেনের বলে মাশরাফির তালুবন্দি হন চাকাভা (৩২)।

পাওয়ার প্লে-তে সাকিব আল হাসানের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই অর্ধশতক আদায় করে নেয়া সলোমন মিরে (৫০) আরাফাত সানির দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হন।

একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও নিজের মতো দাপুটে খেলতে থাকেন এল্টন চিগুম্বুরা। পর পর কয়েকটি বিগ শটে টাইগারদের কপালে ভাঁজ ফেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সাব্বির ইসলামের দুর্দান্ত থ্রোতে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন চিগুম্বুরা (৩৮)।

ইনিংসের ৪৫তম ওভারে এসে জিম্বাবুয়েকে একাই ধসিয়ে দেন সানি। তিনি ৫ বলে ৩ উইকেট তুলে নিলে ১৮৩ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারীদের ইনিংস।

আরাফাত সানি ৯ ওভার ৫ বলে ২৯ রান খরচে ৪ উইকেট তুলে নেন। আর ৮ ওভার বল করে ৩৪ রানে ৩ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিংয়ের শুরুতে ধস নামান মাশরাফি।

এর আগে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫১ রান করে বাংলাদেশ। টাইগারদের হয়ে সর্বোচ্চ ৮০ রান আসে ওপেনার আনামুল হক বিজয়ের ব্যাট থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন আরেক ওপেনার তামিম ইকবাল। দুজনে গড়েন ১৫৮ রানের জুটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *