বাংলাদেশের ২৩৬ পৌরসভায় নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বর
জাতীয়

বাংলাদেশের ২৩৬ পৌরসভায় নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বর

বাংলাদেশের ২৩৬ পৌরসভায় নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বরবাংলাদেশের ২৩৬টি পৌরসভায় মেয়র ও কাউন্সিলর পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর।

নির্বাচনের তফসিল আগামীকাল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার কমিশনের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সূত্র জানায়।

এবারই প্রথম দলীয়ভাবে মেয়র পদে নির্বাচনে লড়বেন প্রার্থীরা।

তবে কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা আগের মতোই দলের সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করেবেন।

রোববার সকালে দলীয়ভাবে মেয়র নির্বাচনের বিধান সংক্রান্ত স্থানীয় সরকারের পৌরসভা আইনের সংশোধনীর গেজেট কমিশনে এসে পৌঁছায়। সেদিনই তা আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়।

পৌরসভা নির্বাচনে শুধুমাত্র মেয়রদের দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করার বিধান রেখে ‘স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল-২০১৫’ বিল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

দশম সংসদের অষ্টম অধিবেশনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের প্রস্তাবিত বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

এর আগে বিলটির ওপর জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করা হলেও তা নাকচ হয়ে যায়। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধীদল জাতীয় পার্টির নূরুল ইসলাম ওমর, ফখরুল ইমাম, সেলিম উদ্দিন, আব্দুল মতিন, পীর ফজলুর রহমান ও নূরুল ইসলাম মিলন এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ডা. রুস্তম আলী ফরাজী ও হাজী মো. সেলিম।

পাস হওয়া বিল অনুযায়ী পৌরসভার মেয়র প্রার্থীরা নিজ নিজ দলীয় প্রতীক বরাদ্দ পাবেন। আর কাউন্সিলর প্রার্থীদের আগের মতোই প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

বিলটি পাসের আগে মেয়র পদে দলীয় প্রতীকের পাশাপাশি কাউন্সিলর পদেও দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার বিধান অন্তর্ভূক্ত করতে সংশোধনী প্রস্তাব জমা দেন সরকারের শরীক দল ওয়ার্কার্স পার্টির সংসদ সদস্যরা। পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, এ্যাডভোকেট মুস্তফা লুৎফুল্লাহ ও টিপু সুলতান পৃথকভাবে এই সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। তবে সরকারি দলের সদস্যদের উত্থাপিত কয়েকটি সংশোধনী প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ সরাসরি ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিটি নির্বাচনই উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এ সব নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে হলেও বাস্তবে প্রতিটি দলই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দলীয় ব্যক্তিকে প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দিয়ে থাকে। এই প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিন থেকে জনগণ ও জনপ্রতিনিধিরা রাজনৈতিক পরিচয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। জনগণের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে এবং জনপ্রতিনিধিদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার পালনের সুযোগ দিতে এই বিল আনা হয়েছে।

সংসদে পাস হওয়া বিলটি রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করলে তা আইনে পরিণত হবে। এরপর গত ২ নভেম্বর পৌর আইন সংশোধন করে রাষ্ট্রপতির জারি করা অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে যাবে।

গত ১৫ নভেম্বর জাতীয় সংসদে বহুল আলোচিত এই বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। গত বুধবার বিলটি পাসের সুপারিশ করে সংসদে প্রতিবেদন জমা দেয় সংসদীয় কমিটি।

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *