স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে জাতিসংঘের আহবান

৩ সিটি নির্বাচন স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক রবার্ট ওয়াটকিনস।

৩ সিটি নির্বাচন স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক রবার্ট ওয়াটকিনস।রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক রবার্ট ওয়াটকিনস।

রোববার বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে ওয়াটকিনস ২৮ এপ্রিল ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে ভোটারদের উৎসাহিত করেছেন।

নির্বাচনী প্রচারণাকালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ওপর সরকারি দলের হামলা এবং নির্বাচন কমিশনের নানা বিতর্কিত সিদ্ধান্তের মধ্যেই জাতিসংঘের এ বিবৃতি এলো।

জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীয় কার্যালয়, বাংলাদেশ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে ওয়াটকিনস ২৮ এপ্রিল ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে ভোটারদের উৎসাহিত করেছেন।

সেনা অবস্থান বিভ্রান্তিতে সহিংসতা বাড়তে পারে

আসন্ন সিটি নির্বাচনে সেনাবাহিনী অবস্থা নিয়ে শংকা প্রকাশ করেছে ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ। সেনাবহিনী ব্যারাকে থাকবে না ভোট কেন্দ্র এলাকায় টহল দেবে এ বিষয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্ত্রি নির্বাচনের দিন সহিংসতা বাড়িয়ে দিতে পারে, এতে ভোটার উপস্থিতি কমতে পারে বলেও মনে করছে সংগঠনটি।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারণাকাল পর্যবেক্ষণ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষথেকে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে।

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনটির পরিচালক ড. আব্দুল আলীম বলেছেন, “নির্বাচনী প্রচারণাকালে প্রার্থীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আতঙ্কে ছিলেন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রমের কারণে কিছু কিছু প্রার্থীকে খুবই সীমিতভাবে প্রচারণা চালাতে দেখা গেছে। অনেক প্রার্থী গ্রেফতার কিংবা রাজনৈতিক মামলার কারণে পুলিশের হয়রানির শিকার হতে পারেন ভেবে প্রচারণা চালাননি।”

এছাড়া পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় অনেকে প্রচারণা চালাতে পারেননি। বিশেষ করে একটি ‘বিশেষ রাজনৈতিক দল’ সমর্থিত প্রার্থীদের প্রচারণা সামগ্রী অন্য প্রার্থীদের তুলনায় কম ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আচরণ বিধি লংঘনের ব্যাপারে আলীম বলেন, “তিনটি সিটি করপোরেশনের সবকটিতেই মেয়র এবং কাউন্সিলর প্রার্থীরা আচরণবিধি লংঘন করেছেন। এসব লংঘনের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনকে খুবই সীমিত আকারে আইনি ব্যবস্থা নিতে দেখা গেছে। আচরণবিধির এসব লংঘন ছোট ছোট কিন্তু প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের অভাবে এগুলো উৎসাহিত হয়েছে।”

যা নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি বিনষ্ট করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন ঢাকা উত্তরে ৯টি, দক্ষিণে ১৪টি ও চট্টগ্রামে ১০টি মোবাইল কোর্ট বসিয়েছিল। কিন্তু কেবল অর্থদণ্ড ও সতর্ক নোটিশের মধ্যেই তাদের কাযক্রম সীমাবদ্ধ ছিল।”

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- ডেমোক্রেসি ওয়াচের নির্বাহী পরিচালক তালেয়া রহমান, ইমাম হাসনাত প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *