না ফেরার দেশে সিস্টার নির্মলা

মিশনারিজ অব চ্যারিটির প্রাক্তন প্রধান সিস্টার নির্মলা মারা গেলেন। সোমবার রাত ১২টা নাগাদ তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮১।

মিশনারিজ অব চ্যারিটির প্রাক্তন প্রধান সিস্টার নির্মলা মারা গেলেন। সোমবার রাত ১২টা নাগাদ তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮১।মিশনারিজ অব চ্যারিটির প্রাক্তন প্রধান সিস্টার নির্মলা মারা গেলেন। সোমবার রাত ১২টা নাগাদ তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮১।

মঙ্গলবার সকাল থেকে তার মৃতদেহ শিয়ালদহের কাছে সেন্ট জন্স চার্চে রাখা হয়েছে। সারা দিন সেখানে সিস্টারের দেহ শায়িত থাকবে। বুধবার সকাল ১০টা থেকে মাদার হাউসে তার দেহ রাখা হবে। ওই দিন বিকেলে সেন্ট জন্স চার্চেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে মাদার হাউজ সূত্রে খবর।

সিস্টারের মৃত্যুতে এ দিন টুইটারে শোকবার্তা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও টুইটারে শোকজ্ঞাপন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, কলকাতা-সহ গোটা দুনিয়া সিস্টার নির্মলার অভাব বোধ করবে।

১৯৯৭-তে মাদার তেরেসা প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অব চ্যারিটি পরিচালনার দায়িত্ব পান তিনি। ওই বছরের ১৩ মার্চ প্রতিষ্ঠানের সুপিরিয়র জেনারেলের পদে তিনি নির্বাচিত হন। ২০০৯-এর মার্চ পর্যন্ত সিস্টার নির্মলা সেই দায়িত্ব সামলেছেন। তার আগে দীর্ঘ দিন ওই পদের দায়িত্ব সামলেছেম মাদার তেরেসা। সুপিরিয়র জেনারেল হয়ে সিস্টার নির্মলা জানিয়ে দিয়েছিলেন, মাদারের পথ অনুসরণ করলেও তিনি ‘মাদার’ উপাধি নেবেন না। ২০০৯-এ তিনি পদ্মবিভূষণ সম্মান পান।

সিস্টার নির্মলার জন্ম ১৯৩৪-এর ২৩ জুলাই রাঁচিতে। তার বাবা মহানন্দ জোশী আদতে নেপালের লোক হলেও পরে ভারতীয় সামরিক বাহিনীতে যোগ দেন। পটনা কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স নিয়ে পাশ করার পরে তিনি আইন নিয়েও পড়াশোনা করেন। ১৯৫৮ সালে তিনি মিশনারিজ অব চ্যারিটিতে যোগ দেন। তার তিন বছর পরে সিস্টার হন তিনি। ভেনিজুয়েলায় ভারতের বাইরে মিশনারিজ অব চ্যারিটির প্রথম শাখা খোলার বিষয়ে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। ১৯৭৬-এ তিনি এই প্রতিষ্ঠানের আধ্যাত্মিক শাখায় যোগ দেন। পরবর্তী কালে দীর্ঘদিন এই শাখার প্রধানের দায়িত্ব সামলেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *