সিনেমাহলের বুকিং মানেই ছবি সুপারহিট নয়
বিনোদন

সিনেমা হলের বুকিং মানেই ছবি সুপারহিট নয়

সিনেমাহলের বুকিং মানেই ছবি সুপারহিট নয়ফজলে এলাহী
গত কয়েক বছর ধরে দেখছি ঈদ এলেই বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের একশ্রেণীর ভক্ত চাটুকাররা যার যার প্রিয় নায়কের চলচ্চিত্র কোন কোন হলে বুকিং পেয়েছে সেটা নিয়ে বিরাট আনন্দে মাখা কৌতুকে পরিপূর্ণ পোস্ট দেয় যা দেখে সত্যি হাসি পায়, মাঝে মাঝে কান্নাও পায় দুঃখে, লজ্জায় । তো যারা সিনেমাহলের বুকিং নিয়েই ছবি সুপারহিট হয়েছে ভেবে থাকেন তাঁদের’কে কিছু বাস্তব কথা বলি শুনেন ।

সেই ৮০ ও ৯০ দশকে যখন আজ থেকে আরও বেশী সিনেমা হল ছিল , যখন সারাদেশের গ্রামগঞ্জের, শহরের শিক্ষিত অশিক্ষিত সবাই সপরিবারে ছবি দেখতে যেতো তখনও সেই সময়কার বাঘা বাঘা প্রযোজক, পরিচালকরা তাঁদের ছবির ব্যবসার জন্য কিছু কৌশল অবলম্বন করতেন বা করতে বাধ্য হতেন । কারণ সেইসময় প্রতিযোগিতাটা ছিল আজকের চেয়ে অনেক অনেক বেশী ছিল যা আজ রুপকথার গল্পের মতো শুনাবে । সেদিনের সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখার দর্শকসংখার হিসাব যদি ধরি তাহলে বলতে হবে দেশের ৭০-৮০% দর্শক সিনেমা হলে ছবি দেখতো যার হিসাবে আজ বড়জোর ২০% হবে । আমি এমনও বাঘা বাঘা প্রযোজক ও বাঘা বাঘা পরিচালকদের সম্পর্কে জানি যারা সেইসময় ছবি মুক্তি দেয়ার পর ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বড় বড় সবগুলো সিনেমা হলের এক সপ্তাহের টিকেট কিনে ফেলতেন আর সিনেমা হলের গেইটে ‘হাউজফুল’ লিখা ঝুলে থাকতো । এই ঢাকার সিনেমা হলে এক সপ্তাহ ‘হাউজফুল’ থাকার খবরটি ইত্তেফাক ও চিত্রালি পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের সাথে প্রচার করতো আর এতেই বাজীমাত করে ফেলতেন এবং পরবর্তী সপ্তাহ থেকে সারা দেশের বিভিন্ন হল মালিক ও সিনেমা দর্শকদের মধ্যে ছবিটি দেখার সাড়া পরে যেতো এবং সত্যি সত্যি সিনেমাটি সুপারহিট ব্যবসা করে ফেলতো ঐ বাড়তি ১/২ লক্ষ টাকা খরচ করার ফলে । আজকের সবগুলো টেলিভিশন চ্যানেল , এফএমরেডিও ও ফেসবুকের এখনও এতো ক্ষমতা নেই সেদিনের মতো সারাদেশের সিনেমা হলে সব শ্রেণী পেশার দর্শকদের সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখতে উদ্বুদ্ধ করার যা ছিল সেদিনের দৈনিক ইত্তেফাক ও সাপ্তাহিক চিত্রালি পত্রিকার আর সাথে ছিল বাংলাদেশ টেলিভিশনে ছবির ট্রেলার ও রেডিওতে ছবিটির বিশেষ অনুষ্ঠান । আমার খুব পরিচিত এক বড় ভাই যিনি ঢাকায় থাকেন তিনিও একদিন তাঁর এক স্মৃতি চারণায় উনার খুব চেনা ও পারিবারিক ভাবে সম্পর্কিত এক নাম করা প্রযোজক ও একজন পরিচালকের একটি ঘটনার কথা আমার সাথে ভাগভাগি করেছিলেন যা হলো উনার পরিচিত এক প্রযোজক ও একজন পরিচালক ছিলেন যারা তাঁদের একটি ছবি মুক্তি দেয়ার পর ‘বলাকা’ সিনেমা হলের সামনে দিয়ে বড় ভাইটি যাওয়ার পথে দেখলেন গেইটে ‘হাউজফুল’ শব্দটি বড় বড় অক্ষরে লিখা টাঙ্গানো । সাথে সাথে উনার মনে পরে গেলো সেই প্রযোজক ও পরিচালক দ্বয়ের কথা যারা ছবিটি মুক্তি দেয়ার আগে উনার এক চাচার বাসায় বসে পরিকল্পনা করেছিলেন সে কথা। উনি (বড় ভাইটি) বলাকা সিনেমা হলের আশেপাশে সময় কাটানো শুরু করলেন কারণ তিনি দেখতে চাইলেন সব শেষ হলে দর্শক কি পরিমাণ বের হয় তা । সব শেষ হয়েছে পরবর্তী শো দেখার জন্য অনেক দর্শক ভিড় করতে লাগলেন কিন্তু হলের প্রধান গেইট বন্ধ যার ভেতর থেকে দুজন কর্মচারি বলছেন ‘টিকেট দেয়া যাবে না, সব শেষ, হল আগেই বুকিং দেয়া এবং হাউজফুল’ । উনি যা বুঝার বুঝে গেলেন , হলের ভেতরে আসলে সেদিন কোন দর্শকই ছিল না, টিকেট আগেই সব কিনে ফেলেছিলেন প্রযোজক ফলে ‘হাউজফুল’ লিখা দেখিয়ে দর্শকদের ফিরিয়ে দেয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। সেই বড় ভাইটি ২/৩ দিন পর দেখলেন সারাদেশের বিভিন্ন হল মালিকরা ছবিটি নেয়ার জন্য প্রযোজকদের ফোন দিচ্ছেন , দর কষাকষি কষছে এবং ছবিটি শেষ পর্যন্ত সত্যি সত্যি ব্যবসা সফল হলো ।উপরে উল্লেখিত প্রকাশিত ঘটনাটা কেন বললাম সেটা এবার বুঝিয়ে বলছি শুনুন।

৮০ ও ৯০ দশকের বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি ছিল এতো জমজমাট যে সেখানে রাজ্জাক, আলমগির, সোহেল রানা, জসিম, ওয়াসিম, ফারুক, বুলবুল , কাঞ্চন, জাফর ইকবাল এর মতো একাধিক তারকা ছিলেন এবং প্রযোজকের অভাব ছিল না । সব ধারার গল্পের ছবি তখন নির্মিত হতো । সেইসময় বলিউডের ছবিতে অমিতাভ, রাজেশ খান্না, ঋষিকাপুর, বিনোদ খান্না, জিতেন্দ্র, ধর্মেন্দ্র’র মতো স্টাররা রাজত্ব করতেন এবং মাল্টিস্টার জমজমাট গল্পের ছবি ব্যবসা করতো বেশী । সেই ধারাকে টেক্কা দেয়ার জন্য আমাদেরও প্রযোজকেরাও মাল্টিস্টার ধারার ছবি নির্মাণ করতেন বেশী ফলে এক নায়ক নায়িকা অভিনীত ছবিগুলো একটু বেশী রিস্কি হয়ে যেতো তাই প্রযোজক পরিচালকরা মাঝে মাঝে এমন কৌশল করতেন নিজেদের ছবিটির ব্যবসার জন্য। একজন প্রযোজক ৩৫/৪০ লাখ টাকা দিয়ে সিনেমা নির্মাণ করে ১/২ লক্ষ টাকার জন্য মার খাবেন সেটা মেনে নেয়াটা কষ্টকর । কিন্তু উনাদের কৌশল যাই হোক উদ্দেশ্য ছিল সৎ কারণ উনাদের কৌশলটা ক্লিক করলে ঐ ছবিটি দেখতে সারা দেশের হলগুলোতে দর্শক ভিড় করতো। সেই জমজমাট যুগে যদি এমন কৌশল প্রযোজকরা নিতে পারতেন তাহলে আজকের মৃতপ্রায় ইন্ডাস্ট্রির জন্য সিনেমা হল বুকিং কৌশলটা প্রচার করা দোষের নয় । তবে দোষটা তখনই হবে যদি ঐ কৌশলের পরেও যারা ২ লক্ষ টাকা ডাউন পেমেন্ট দিয়ে ছবিটি নিয়েছেন সেইসব হল মালিকরা যদি ২ লক্ষ টাকার ব্যবসা না করতে পারে তখন সেটা হিতে বিপরীত হবে এবংবাকী সিনেমা হলগুলোও বন্ধ হয়ে যাবে । ফেসবুকে যেসকল তারকার অন্ধ ভক্তরা ১০০+ হল বুকিং দেখেই উচ্ছসিত হয়ে ছবিটিকে ‘সুপারহিট’ ভাবছেন তাঁরা আসলে একটি ছবি সফল হওয়ার পেছনের মূল উপাদানগুলো সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। এই অজ্ঞতার ফলে উনারা প্রিয় তারকার ও প্রযোজকের চাটুকারিতা ছাড়া আর কিছুই করছেন না। ধরে নিলাম শাকিব খানের সিনেমা ১৬০ হলে ২ লক্ষ টাকা করে ডাউন পেমেন্ট দিয়ে ছবিটি নিলেন এতে কিন্তু ছবি মুক্তির আগেই প্রযোজকের টাকা উঠে গেলো কিন্তু এখন দেখতে হবে যে ১৬০ টি সিনেমা হল ছবিটি নিয়েছে তাঁদের মধ্য সর্বনিম্ন ১০০ টি সিনেমা হল কি ২ লক্ষ টাকা অর্থাৎ ২ কোটি কাটার ব্যবসা করতে পেরেছে কিনা? যদি না পারে তাহলে অবস্থা আগামিতে আরও ভয়াবহ হবে কারণ কতদিন সিনেমা হল মালিকরা এভাবে লোকসান দিয়ে চালাবে? ২ কোটি টাকা ব্যবসা করতে হলে ১০০ টি সিনেমা হলে দর্শকদের টিকেট কেটে সিনেমা দেখতে যেতে হবে যা আজকের ২০% পক্ষে এমন বাজী ধরা যায়না । আজ যারা ২০% দর্শকদের মধ্যে পড়েন তাঁদের ১০% এর বয়স ১৫-২০ বছরের মধ্যে যারা সপরিবারে হলে গিয়ে ছবিটি দেখার জন্য পরিবারকে বলতে পারেন না। বাকী ১০% হলো শ্রমিক মজুর শ্রেণী যারাও এখন সপরিবারে হলে ছবি দেখতে যায় না এবং বর্তমান বাণিজ্যিক বাংলা সিনেমার উপর বিরক্ত । সিনেমা সুপারহিট হয় তখনই যখন সিনেমা হলগুলোতে নতুন ছবিটি সব শ্রেণীর দর্শকরা দেখত যায় । দর্শক যদি সিনেমা হলে না যায় তাহলে সিনেমা হল বুকিং নিয়েই পেট ভরা গল্প শোনাতে হবে যা দিয়ে আসলে পেট ভরে না এবং ইন্ডাস্ট্রির কোন লাভ হয়না। ‘বেদের মেয়ে জোছনা’ কিংবা ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবিগুলো রেকর্ড পরিমাণ ব্যবসা করেছিল সিনেমা হল বুকিং পাওয়ার গল্প দিয়ে নয় সব শ্রেণীর দর্শকদের উপচে পরা ভিড় ছবিগুলোকে দিয়েছিল সাফল্য । সিনেমা হল মালিকরাও ৪ /৬সপ্তাহ ধরে সিনেমাগুলো প্রদর্শন করেছিলেন দর্শকদের জন্যই । একটি বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের সফলতা যদি সিনেমা হলে বুকিং পাওয়ার মধ্যেই হয়ে যেতো বা নির্ভর করতো তাহলে এতো বছরের পর বছর ধরে সিনেমা হলে দর্শক নিজের টাকা দিয়ে টিকেট কেটে সিনেমা দেখতে যাওয়ার দরকার কি? আর এই পর্যন্ত তাহলে বাংলাদেশের কোন সিনেমাই ফ্লপ হয়নি বলা যেতো । কারণ আজ থেকে বহু বছর আগে একেকটি মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা সারা বছর জুড়ে দেশের বিভিন্ন জায়গার সর্বমোট ২০০/৩০০ সিনেমা হলে যেতো ।

২০০৮ সাল পর্যন্ত সিলেট শহরের সিনেমা হল ছিল ৭ টি যার মধ্যে গত ৬ বছরে ভেঙ্গে এখন বলতে গেলে আছে ১ টি (নন্দিতা ) সিনেমা হল যা অশ্লীল যুগের চেয়েও ভয়াবহ অবস্থাতেও হয়নি। এই যে গত কয়েকবছরে সিনেমাহল গুলো বন্ধ হয়ে গেলো তখন তো কিং খান শাকিবের যুগ চলছিল এবং যারা সিনেমা হল বন্ধ করার আগের দিন পর্যন্ত শাকিব খানের সিনেমা প্রদর্শন করেছিল কিন্তু কোন সিনেমা হল মালিকরা তো নিজেদের টিকিয়ে রাখার ভরসা পায়নি। কারণ এক নায়কের সস্তা ছবি দিয়ে কতদিন ২০% দর্শকদের উপর ভরসা করে লোকসান দেয়া তাঁদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না । চলতি ঈদে শাকিব খানের ‘ রাজাবাবু’ ছবিটি চলছে সিলেট শহরের এক প্রান্তে বিজিবি অডিটোরিয়ামে যেখানে কোনদিন ভালো শ্রেণীর দর্শক সিনেমা দেখতে যায়নি কারণ ঐ হলটিতে চলতো সবসময় ইংরেজি এক টিকেটের দুই ছবি ,এরপর অশ্লীল যুগে অশ্লীল ছবিগুলো । আমি নিজেই বন্ধুদের সাথে জীবনে ২বার গিয়েছিলাম যার একটি ছিল ইংরেজি ছবি দেখতে আরেকটি ছিল অশ্লীল যুগে শাকিব মুনমুনের ‘ভণ্ড ওঝা’ ছবি দেখতে যার পুরোটা ছবিও সেদিন আমরা দেখিনি ( অর্ধেক দেখে চলে এসেছিলাম) । সেই হলে যদি ‘রাজাবাবু’ সিনেমা যায় তাহলে কোন শ্রেণীর দর্শক সেই হলে যাবে বুঝাই যাচ্ছে । এমনিতেই বিজিবি অডিটোরিয়াম হলটিকে আমরা কোনদিনও গোনায় ধরতাম না কারণ ঐ হলে শুধু আমরা কেন কোন ভালো পরিবারের লোকজন সপরিবারে ছবি দেখতে যেতে চাইতো না । নুসরাত ফারিয়ার ‘আশিকী’ চলছে শহরের প্রাণকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে থাকা একমাত্র সিনেমা হল নন্দিতায় যেখানে সপরিবারে ও বন্ধুদের নিয়ে সিনেমা দেখে নাই আমাদের সময়ের এমন দর্শক খুঁজে পাওয়া যাবে না । অথচ সেই হলে আজ ২০% দর্শক গেলেও ছবিটি ২/৩ দিনের বেশী হাউজফুল থাকার কথা নয় । কারণ সিনেমা হলটি অনেক বড় (সিলেটের সবচেয়ে বড় সিনেমা হল) ।

গত প্রায় ২০টি বছর ধরে এই দেশের এক শ্রেণীর ভণ্ড, অসাধু ও দেশবিরোধী গোষ্ঠী বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সিনেমা ধ্বংস করতে যে খেলাটি খেলছেন সেই খেলাটি আজো বন্ধ হয়নি বরং নতুন রুপে চলছে। শুরুতে কাটপিস নামের অশ্লীল দৃশ্য যুক্ত করে সিনেমা হল থেকে সপরিবারে দেখতে আসা দর্শকদের সরিয়ে দিলেন । সেদিন ঐ গোষ্ঠী যুক্তি দেখালেন ‘স্যাটেলাইট চ্যানেলে ঘরে বসে এর চেয়েও নগ্ন ছবি, নগ্ন দৃশ্য দর্শক দেখে সেই দর্শকদের হলে টানতে আমরা ছবি চালাতে কাটপিস দিলে ক্ষতি কি?’ক্ষতি কি সেটা এইদেশের সিনেমা হল বাঁচাতে হিন্দি ছবি আমদানি করে উনারা এখন পাপ মোচন করার চেষ্টা করছেন । সেই অশ্লিল যুগ শেষ হলেও ঐ গোষ্ঠী এখনও থেমে নেই, ২০০০ এর পর থেকে একটি গোষ্ঠী চলচ্চিত্রকে টেলিভিশনের পর্দায় নামিয়ে আনলেন এবং ভালো চলচ্চিত্রের সংজ্ঞা বুঝাতে লাগলেন কিন্তু তাতেও কোন কাজ হচ্ছে না যার ভয়াবহ পরিণতি দুদিন আগে নুসরাত ফারিয়ার এক মন্তব্যই স্পষ্ট হয়ে গেলো যিনি চলচ্চিত্র শিল্প বলতে টেলিভিশন শিল্পকেই বুঝেছেন ।

এর মাঝে একজন নায়ক ও তার ভক্তকুলেরা বাংলা বাণিজ্যিক সিনেমাকে জনপ্রিয়তার আসমানে তুলতে গিয়ে একই ধাঁচের , নকল গল্পের সস্তা ছবি নিয়ে লাফাতে লাগলেন যেন উনি ছাড়া এই দেশের দর্শক এর আগে কোনদিন সিনেমা দেখেনি । চলচ্চিত্র শিল্পকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে দেশবিরোধী অসাধু ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর নতুন খেলা/ কৌশল হলো এবার ‘সিনেমা হল বুকিং’ যার ফলাফলদেখতেই পাচ্ছেন যৌথ প্রযোজনার নামে ভারতীয় ছবি দেশের সিনেমা হলে প্রদর্শিত হচ্ছে । ঐ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী সম্পূর্ণ সফল যারা বহুদিন ধরে এই সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে ধ্বংস করে হিন্দি না হোক অন্তত ভারতীয় বাংলা ছবির বাজার এই দেশে বিস্তৃত লাভ করতে পেরেছেন আর আমাদের কিশোর তরুণ অন্ধ চাটুকার’রা আছে (বুঝে , না বুঝে) সেই গোষ্ঠীর ভেতর থাকা একটি সিন্ডিকেটের মধ্যে যারা বাহিরে থেকে প্রকাশ করে বাংলা সিনেমার পাগল ভক্ত কিন্তু ভেতরে ভেতরে ঠিকই বাংলা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির বারোটা নয় চৌদ্দটা বাজিয়ে দিচ্ছেন । এই চলচ্চিত্র শিল্পের পতন রুখবার সাধ্য আজ আমাদের কারো নেই ।

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *