সিজারিয়ান পদ্ধতিতে মা হলে লক্ষণীয় বিষয়সমূহ

সিজারিয়ান পদ্ধতিতে মা হলে লক্ষণীয় বিষয়সমূহ

আজ থেকে ৩০-৪০ বছর আগেও মহিলারা সাধারণ পদ্ধতিতে শিশুর জন্ম দিতেন। কিন্তু গত তিন দশকে চিত্রটা পাল্টেছে। শিশুর জন্ম দেয়ার সময় বেশিরভাগ মহিলাই এখন সিজারিয়ান পদ্ধতিতে প্রসব করান।

ক্যারিয়ার সচেতন মহিলারা বেশি বয়সে মা হওয়ার পক্ষপাতি। বেশি বয়সের গর্ভধারণে ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হয়। মা আর সন্তান, দু’জনেরই প্রাণের সংশয় থাকে। সেই বিপদ থেকে বাঁচতেই সিজারিয়ান পদ্ধতিতে ডেলিভারি করান বেশিরভাগ মহিলা। অ্যানাস্থেশিয়া করিয়ে পেট কেটে বাচ্চা বেরিয়ে আসবে, কোনও যন্ত্রণা ছাড়াই, নো লেবার পেইন। অনেক সময় হাইপ্রেসার বা ডায়াবেটিস থাকলেও চিকিৎসকরা সিজারিয়ান করতে বলেন।

কষ্টকর নর্মাল ডেলিভারিতে বাচ্চাদের প্রাণ সংশয় হত। অনেক মা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন। সেইসব কারণেই সিজারিয়ান পদ্ধতিকে বেছে নিয়েছেন আজকের আধুনিকারা। অনেক সময় তাঁদের চাহিদা অনুযায়ী দিনক্ষণ মিলিয়ে ডেলিভারির ব্যবস্থা করা হয়।

বর্তমান চিকিৎসা শাস্ত্রে সিজারিয়ান ডেলিভারি অনেক নিরাপদ। অ্যানাস্থেশিয়ার প্রক্রিয়া অনেক উন্নত। লেবার পেইন সহ্য করতে হয় না। মা, বাচ্চার প্রাণের সংশয়ও কম থাকে।

ডেলিভারির পর মায়েদের তলপেটে বড়সড় ক্ষত তৈরি হয়। ফলে সংক্রমণের ভয়ও থাকে। একবার সিজারিয়ান করানোর পর, বারবার প্রেগনেন্সি নেওয়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা চলে আসে। খুব বেশি হলে দু’বার প্রেগনেন্সি নেওয়া যায় ।

এ তো গেল মায়ের সমস্যা। সিজারিয়ান বাচ্চাদেরও সমস্যা প্রচুর। অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দেয়। বারবার অসুস্থ হওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়।

সিজারিয়ান ডেলিভারি যখন প্রথা, তখন উচিত ডাক্তারের পরামর্শ মতো চলা। এই ডেলিভারি আদতেও শরীরে সুট করবে কিনা, সেটা নিয়ে ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *