সালাহ উদ্দিন আহমেদের মামলার তদন্ত স্থগিত

অসুস্থতার জন্য সালাহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত করল ভারত পুলিশ।

অসুস্থতার জন্য সালাহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত করল ভারত পুলিশ। অসুস্থতার জন্য সালাহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত করল ভারত পুলিশ। সুস্থতার ডাক্তারি সার্টিফিকেট না পাওয়া পর্যন্ত সালাহ উদ্দিনকে আদালতেও হাজির করা হবে না বলে জানা গেছে।

শনিবার তাকে আদালতে হাজির করার কথা ছিল। কিন্তু অসুস্থতার জন্য সালাহ উদ্দিনকে আদালতে হাজির করতে পারেনি মেঘালয় পুলিশ। তিনি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত মামলার তদন্ত কার্যক্রমও স্থগিত করেছে দেশটির পুলিশ।

দেশটির গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, হৃদযন্ত্র ও কিডনি পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তার চিকিৎসা চলছে মেঘালয়ের শিলংয়ের সিভিক হাসপাতালে।

এদিকে, ভারতের মেঘালয়ে বন্দী বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন আহমেদ বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ জনির কাছে শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়েছেন।

তবে শিলং হাসপাতালের চিকিৎসকদের দাবি, তিনি মোটের ওপর সুস্থই আছেন – বড় কোনো সমস্যা নেই।

এই পরিস্থিতিতে তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ ভিসা যোগাড় করে ভারতে পৌঁছনোর পরে তাঁর পরিবার সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে ভারত থেকে অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। এখনো ভারতের ভিসা পাননি হাসিনা আহমেদ।

শিলংয়ের সিভিল হাসপাতালের চিকিৎসকেরা বলে আসছেন যে শারীরিক আর মানসিকভাবে স্থিতিশীল আছেন সালাহ উদ্দিন আহমেদ।

তার বেশ কিছু পরীক্ষা করা হয়েছে – সব রিপোর্ট এখনো হাতে না পাওয়া গেলেও তিনি মোটের ওপর সুস্থ – এটাই বলা হচ্ছে। যদিও পুরনো হৃদরোগ আর কিডনির সমস্যার কথা বলছিলেন ডাক্তাররা।

শুক্রবার বিকেলে সালাহ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে দেখা করতে আসা বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ জনিকে নিজের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে আর চিকিৎসার ব্যাপারে বেশ কিছু অভিযোগ করেছেন তিনি।

সালাহ উদ্দিন বলেছেন যে হার্ট আর কিডনির সমস্যা হচ্ছে – রাতে ঘুমোতে পারছেন না। গত দুই মাসে তার ওজন ১৫-২০ কেজি কমে গেছে।

দীর্ঘদিন ধরেই সিঙ্গাপুরে হৃদরোগের চিকিৎসা নিচ্ছেন সালাহ উদ্দিন ।

শিলং হাসপাতালে সব আধুনিক ব্যবস্থা নেই। স্বাভাবিকভাবেই এখানে যে চিকিৎসা ঠিকমতো হচ্ছে না সেটা সালাহ উদ্দিন আহমেদকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছেন আব্দুল লতিফ জনি।

চিকিৎসকদের বক্তব্য আর সালাহ উদ্দিন আহমেদের নিজের বক্তব্যের মধ্যে একটা ফারাক তৈরি হয়েছে আর বারে বারে সিঙ্গাপুরের চিকিৎসার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।

তাহলে কি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা করানোর জন্য নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে তার পরিবারের তরফে?

এই ধারণা তৈরি হওয়ার পিছনে রয়েছে কয়েকটি তথ্য।

আব্দুল লতিফের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে তারা সালাহ উদ্দিন আহমেদকে বাংলাদেশে ডিপোর্টেশনের (ফেরত পাঠানোর) দাবি জানাবেন বা আবেদন করবেন কি না।

তিনি জবাব দেন, ‘এটা সালাহ উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী ভারতে আসার পরে তাদের পরিবারই সিদ্ধান্ত নেবেন মামলা কীভাবে পরিচালনা করা হবে আর কীভাবে ভারত থেকে মি. আহমেদকে দ্রুত রেব করে নিয়ে যাওয়া যায় আর কোথায় নিয়ে যাওয়া যায়।’

এই ‘কোথায় নিয়ে যাওয়া যায়’ কথাটার ওপরে বাড়তি জোর দেন বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ জনি।

পুলিশের কয়েকটি সূত্র বলছে, গোয়েন্দা অফিসারদের সঙ্গে কথা বলার সময়েও সালাহ উদ্দিন আহমেদ সিঙ্গাপুরের কথা উল্লেখ করেছেন আর সেখানে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *