sagor-runi-murder-case

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড: ৪৮ ঘণ্টা থেকে ৭ বছর

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এডভোকেট সাহারা খাতুন ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। ৪৮ ঘণ্টা থেকে প্রায় ৭ বছর অতিক্রান্ত হলেও ৬১ বারের মতো পিছিয়ে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় নির্ধারণ হয়েছে। আগামী ৯ জানুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

গত ২৫ নভেম্বর মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন পুর্বনির্ধারিত থাকলেও এদিনও মামলার তদন্ত সংস্থা র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিবেদন জমা দেয়নি। এর প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোর্শেদ আল মামুন ভূইয়া প্রতিবেদনের তারিখ পিছিয়ে আগামী ৯ জানুয়ারি ধার্য করেছেন। উল্লেখ্য, ঘটনার ৭ বছর পেরিয়ে গেলেও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি র‍্যাব।

মামলায় রুনির কথিত বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। অপর আসামিরা হলেন-বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল, তানভীর ও আবু সাঈদ।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক গোলাম মোস্তফা সরওয়ার ওরফে সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন নাহার রুনা ওরফে মেহেরুন রুনি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের নিজেদের বাসায় নৃশংসভাবে খুন হন। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিল তাঁদের একমাত্র সন্তান মাহির সরওয়ার মেঘ। পরের দিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন শেরে বাংলা নগর থানার এক উপ-পরিদর্শক। চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে ডিবি রহস্য উদ্ঘাটনে ব্যর্থ হলে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র্যা বের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

২০১৩ সালে ‘সাগর-রুনির জন্য আমরা’ আলোচনা সভা থেকে তোলা।ছবি। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির মা, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, কিংবদন্তী সাংবাদিক প্রয়াত এবিএম মুসা, সমকালের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক প্রয়াত গোলাম সারওয়ার, কালের কণ্ঠের সাবেক সম্পাদক আবেদ খান ও বৈশাখী টিভির তৎকালীন সিইও মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *