শাশা ডেনিমসের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- চার সপ্তাহের মধ্যে তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
পুঁজিবাজার

‘শাশা ডেনিমসের আইপিও অনুমোদন কেন অবৈধ নয়’

শাশা ডেনিমসের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- চার সপ্তাহের মধ্যে তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।শাশা ডেনিমসের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- চার সপ্তাহের মধ্যে তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি মির্জা হোসেন হায়দার ও বিচারপতি বদরুজ্জামানের বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন বিনিয়োকারীদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম মামুন।

ব্যারিস্টার আহসানুল করিম ও অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলামের দায়ের করা রিট পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে এ রুল জারি করেন উচ্চ আদালত। মামলার রিট পিটিশন নম্বর ১১৪৯১/২০১৪।

রুলে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কর্তৃক শাশা ডেনিমসের আইপিও অনুমোদন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, এ মর্মে অর্থমন্ত্রণালয়, বিএসইসি ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সরকার পক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা এবং আবেদনকারীর আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও তানজিবুল আলম।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম বলেন, “শাশা ডেনিমসের আর্থিক প্রতিবেদনে তথ্য বিভ্রাট পাওয়া গেছে। এছাড়া কোম্পানিটির আইপিওতে অতিরিক্ত প্রিমিয়াম দেওয়া হয়েছে। আইপিও অনুমোদনের আগে কোম্পানির সম্পদ ও দায় মিলে নিট সম্পদ মূল্য ছিল ২৯ টাকার কিছু বেশি। কিন্তু আইপিও অনুমোদনের সময় কোম্পানিটি দেখিয়েছে ৫২ টাকা ৯৩ পয়সা; যা একেবারে অপ্রত্যাশিত। তাই বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনা করে এ রিট আবেদন করা হয়।”

প্রসঙ্গত, গত ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫২৯তম সভায় শাশা ডেনিমসের আইপিও  অনুমোদন পায়।

কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা মূল্যে কোম্পানিটি শেয়ার ইস্যু করবে। এ কোম্পানির আইপিও আবেদন ১৪ ডিসেম্বর শুরু হয়েছে। স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য আবেদনের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির প্রতি শেয়ারে আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৭৩ পয়সা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ৫২ টাকা ৯৫ পয়সা।

আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা টাকা কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যংক ঋণ পরিশোধে ব্যয় হবে।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে এএফসি ক্যাপিটাল ও ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড।

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *