রাশিয়ায় ‘বিয়ে পুলিশ’ বাহিনী গঠন

‘বিয়ে পুলিশের’ কারণে বিয়ের অনুষ্ঠানে বেপরোয়া আনন্দ-উল্লাসের অবসান ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করছেন আডেগার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার রেচিস্কি।

শুধু বিয়ের অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দক্ষিণ রাশিয়ায় বিশেষ একটি পুলিশ বাহিনী গঠন করা হয়েছে। এই ‘বিয়ে পুলিশ বাহিনী’র সদস্যসংখ্যা ৪০।

উত্তর ককেশাসের আডেগা অঞ্চলে টহল দেবে পুলিশের এই বিশেষ ইউনিট। বর ও কনের গাড়িবহর ট্রাফিক আইন মেনে চলছে কি না, গাড়ির জানালা দিয়ে কেউ এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ছে কি না এসব বিষয়ের ওপর নজর রাখবে তারা।

রুশ সংবাদ সংস্থা তাস-এর বরাত দিয়ে এই খবরটি দিচ্ছে বিবিসি মনিটরিং।

এই অঞ্চলে বিয়ের অনুষ্ঠানে বর ও কনের পক্ষ হয়ে যারা অনুষ্ঠানে যান তাদের একটু উচ্ছৃঙ্খল হয়ে পড়ার ‘সুনাম’ আছে। আনন্দ প্রকাশ করতে গিয়ে তাদের অনেকেই বন্দুক থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকেন। এ ছাড়া তারা হর্ন বাজিয়ে চিৎকার করে হই-হল্লা করে থাকেন। তোয়াক্কা করে না ট্রাফিক আইনেরও।

‘বিয়ে পুলিশের’ কারণে বিয়ের অনুষ্ঠানে বেপরোয়া আনন্দ-উল্লাসের অবসান ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করছেন আডেগার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার রেচিস্কি।

এ রকম পুলিশ বাহিনী গঠন রাশিয়াতে এটাই প্রথম।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সাধারণত যেখানে বিয়ের অনুষ্ঠান হয় এবং যেসব রাস্তা দিয়ে গাড়ির বহর যাওয়া-আসা করে সেখানেই এই বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।

সদ্য বিবাহিতদের অনেকেই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলছেন, এটা একটা ভালো কাজ হয়েছে। কারণ বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে যেসব গুলি ছোড়া হয় তাতে হতাহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

শেষ এ রকম একটি গুলির ঘটনা ঘটেছে গত ১৫ অগাস্ট। সেদিন বিয়ের একটি রেজিস্ট্রেশন অফিসের বাইরে একজন লোক তার পিস্তল দিয়ে গুলি ছোড়েন। তাকে ৫০ হাজার রুবল জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে তার অস্ত্রটিও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *