Nobel-Prize-in-chemistry-for-2017-awarded-for-Cryo-Electron-Microscopy

রসায়নে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

জৈবিক অণুর প্রতিচ্ছবি ধারণের কৌশল আবিষ্কার করে চলতি বছর রসায়নে নোবেল পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী। তাঁরা হলেন সুইজারল্যান্ডের জ্যাকুয়েস ডুবোশে, যুক্তরাষ্ট্রের জোয়াকিম ফ্রাংক ও যুক্তরাজ্যের রিচার্ড হ্যান্ডারসন।

বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সুইডেনের স্টকহোমে দ্য রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস এ পুরস্কারের ঘোষণা দেয়। নোবেল কমিটি এক বিবৃতিতে জানায়, ক্রিয়ো-ইলেকট্রন মাইক্রোস্কপি উদ্ভাবনের জন্য এই তিন বিজ্ঞানীকে পুরস্কার দেওয়া হলো।

দ্রবণে জৈব অণুর গঠন সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায় এই প্রযুক্তির মাধ্যমে।

তিন বিজ্ঞানীর মধ্যে সুইজারল্যান্ডের নাগরিক জ্যাকুয়েস ডুবোশে ল্যুজান বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। জার্মানিতে জন্মগ্রহণকারী জোয়াকিম ফ্রাংক অধ্যাপনা করেন নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। আর রিচার্ড হ্যান্ডারসন যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।

বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আণবিক গবেষণায় ক্রিয়ো-ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপির গুরুত্ব অনেক।

রসায়নে এ বছর নোবেলজয়ী এই তিন বিজ্ঞানী পুরস্কারের ৯০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার (প্রায় ১১ লাখ ডলার) ভাগ করে নেবেন।

আগামী ১০ ডিসেম্বর সুইডেনের স্টকহোমে এই তিন বিজ্ঞানীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

২০১৬ সালে জ্যাঁ পিয়েরে সোভাস, স্যার ফ্রেজার স্টোডার্ট ও বার্নার্ড এল ফেরিনগা মলিকিউলার মেশিন বা ন্যানোমেশিন নিয়ে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।

সুইডেনের বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের ইচ্ছানুসারে নতুন কোনো কিছু উদ্ভাবন, বিশেষ গবেষণা এবং মানব জাতির কল্যাণে অসামান্য অবদান রাখার জন্য প্রতি বছর নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়। পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে দেয়া হয় এ পুরস্কার।

১৮৯৫ সালের নভেম্বর মাসে আলফ্রেড নোবেল তার মোট উপার্জনের ৯৪% (৩ কোটি সুইডিশ ক্রোনার) দিয়ে তার উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরষ্কার প্রবর্তন করেন। এই বিপুল অর্থ দিয়েই শুরু হয় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান। ১৯৬৮-তে তালিকায় যুক্ত হয় অর্থনীতি।

পুরস্কার ঘোষণার আগেই মৃত্যু বরণ করেছিলেন আলফ্রেড নোবেল। আইনসভার অনুমোদন শেষে তার উইল অনুযায়ী নোবেল ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। তাদের ওপর দায়িত্ব বর্তায় আলফ্রেড নোবেলের রেখে যাওয়া অর্থের সার্বিক তত্ত্বাবধায়ন করা এবং নোবেল পুরষ্কারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করা। আর বিজয়ী নির্বাচনের দায়িত্ব সুইডিশ একাডেমি আর নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটিকে ভাগ করে দেওয়া হয়।

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *