যে ৬ উপায়ে বসকে ইমপ্রেস করতে পারেন
সাময়িকী

যে ৬ উপায়ে বসকে ইমপ্রেস করতে পারেন

বসকে ইমপ্রেস করা কি মুখের কথা? পৃথিবীর ওই একজন ব্যক্তি, আপনাকে দেখলেই যাঁর ভুরু বোধহয় বাই ডিফল্ট কুঁচকে যায়। আপনি যতই পরিশ্রম করুন না কেন, সেই কোঁচকানো ভুরুর স্বাভাবিক অবস্থায় আসাটা প্রায় ওই ওয়ান্স ইন এ ব্লু মুন। মাঝে মাঝে আপনার নিশ্চয়ই মনে হয় আপনার বসের জন্ম নির্ঘাত ‘না খুশ’ লগ্নে।

তবে সেই বসের সঙ্গেই যখন, দিনে অন্তত আটটি ঘণ্টা, সপ্তাহে অন্তত ৫টি দিন কাটাতে হবে, তখন জলে নেমে কুমিরের সঙ্গে যুদ্ধ না করে, তার সঙ্গে ভাব করে নেওয়ার পথটাই শিখে নেওয়া বোধহয় ভাল। মনে রাখবেন বছর শেষের ইনক্রিমেন্টের টিকিটা কিন্তু বসের হাতেই বাঁধা। জেনে নিন বস পটানোর ৬ উপায়-

১) আগে চিনে নিন আপনার বসকে
বসের চরিত্র বোঝাটা কিন্তু খুব গুরুত্বপুর্ণ। এখান থেকেই তাকে ইমপ্রেস করার রাস্তাটা তৈরি হয়। যদি আপনার বস শুধুই কাজ পাগল হন, এবং আপনাকে শুধুমাত্র কাজের ভিত্তিতে বিচার করেন, তাহলে সাত পাঁচ না ভেবে নিজের কাজটা মন দিয়ে করাই ভাল। কিন্তু যদি আপনার বস ‘ওয়ার্ক হার্ড অ্যান্ড পার্টি হার্ডার’-এ বিশ্বাসী হন, বা দেখনদারিতে যদি তার অগাধ আস্থা থাকে তাহলে কৌশলী হওয়া প্রয়োজন।

২) দেখনদারি
কর্পোরেট দুনিয়ায় দেখনদারির গুরুত্ব অপরিসীম। চেষ্টা করুন ঘড়ি ধরে অফিসে আসার। অন্তত অ্যাপ্রাইসালের আগে ভুলেও দেরি করে অফিসে আসবেন না। আপনি অফিসে যতক্ষণই কাটান না কেন ওই লেটলতিফ হয়ে অফিসে আসাই অ্যাপ্রাইসালের নিম্নমুখী হওয়ার জন্য যথেষ্ট। সহকর্মীদের সঙ্গে আড্ডার ব্যাপারে সতর্ক হোন। খেয়াল রাখুন বস কাছে পিঠে আছেন কিনা। জামা কাপড়ে ধোপদুরস্ত হোন। যত বিরক্তই হোন বসকে দেখলে দেঁতো হাসি যেন মিস না হয়।

৩) আপনি যা বলছেন স্যার
চটজলদি বসের গুড বুকে আসার সহজতম উপায় বসের কথাকে অগ্রাধিকার দিন। হাবেভাবে বোঝান তিনি যা বলছেন, যা চাইছেন সেটাই আপনার জীবনের প্রায়োরিটি, লক্ষ্য।

৪) কাজের ক্ষেত্রে চটপটে হোন
ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে এক কাজ নিয়ে বসে থাকা কোনও বসই পছন্দ করেন না। চটপটে হতে না পারলে সাফল্যে পৌঁছানোর সিঁড়িটায় ধাপ কিন্তু বেড়েই যাবে। নির্ধারিত সময়ে কী ভাবে দক্ষতার সঙ্গে চটজলদি কাজ করবেন সে ব্যাপারে আগে থেকে মাথায় ছক করে নিন।

৫) টিমের মধ্যে তারকা পারফর্মার হওয়ার চেষ্টা করুন
আমরা সবাই চটজলদি কাজ সেরে বাড়ির দিকে দৌড়াতে চাই। কিন্তু বসকে ইমপ্রেস করতে চাইলে মাঝে মাঝে একটু বেশি সময় অফিসে থাকুন। অন্যদের টুকটাক সাহায্য করুন। অ্যাপরাইজালের মাস খানেক আগে থেকে এই পলিসি মাস্ট।

৬) প্রোঅ্যাকটিভ হোন
মিটিং-এ চুপচাপ বসে থাকাটা কাজের কথা নয় মোটেও। জটিল বিষয়ে মতামত দিন (অবশ্যই বুঝে, না বুঝে মন্তব্য উল্টো ফল দেবে)। নিজের আইডিয়া এবং অস্তিত্ব জানান দেওয়ার ভাল রাস্তা। তবে মিটিং-এ জোরদার ঝগড়ায় নাক না গলানোই ভাল। সেই সময় কফি বা পিজ্জায় মনোনিবেশ করুন।

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *