তত্ত্বাবধায়ক সরকারেই হতে হবে এমন নয়, যেকোনো নামে একটি ‘নিরপেক্ষ’ সরকারের ধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। যেকোনো নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি - Shironaam Dot Com

যেকোনো নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি

তত্ত্বাবধায়ক সরকারেই হতে হবে এমন নয়, যেকোনো নামে একটি ‘নিরপেক্ষ’ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারেই হতে হবে এমন নয়, যেকোনো নামে একটি ‘নিরপেক্ষ’ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।তত্ত্বাবধায়ক সরকারেই হতে হবে এমন নয়, যেকোনো নামে একটি ‘নিরপেক্ষ’ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

শনিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত নেতাদের সঙ্গে গুলশানে নিজের কার্যালয়ে মতবিনিময়ে এ দাবি জানান তিনি।

বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের নির্বাচন উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলার জাতীয়তাবাদী আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের অংশ হিসেবে খালেদা জিয়া আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নেতাদের সাথে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি আবদুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে মানুষ ভোট দেয়ার সুযোগ পাবে। তিনি বলেন, আমি বলছি না যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার হতেই হবে। যে নামেই হোক না কেন একটি নিরপেক্ষ সরকার হতে হবে।
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আওয়ামী লীগ জানে, ক্ষমতা থেকে গেলে সহসাই ক্ষমতায় আসতে পারবে না। মানুষ তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তাই নির্বাচন দিতে চায় না।

খালেদা জিয়া বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই, বিএনপি ক্ষমতায় এলে বিএনপি গণতান্ত্রিক দেশ গড়বে। তিনি বলেন, বিএনপি দমনই সরকারে একমাত্র নীতি। জোর করে ও পুলিশের জোরে ক্ষমতায় থাকা যায় না, এর পরিণতি হবে ভয়াবহ।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আওয়ামী লীগ আজীবন ক্ষমতায় থাকার জন্য বিএনপিসহ সব দলকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। কিন্তু বিএনপিকে শেষ করা যাবে না। বিএনপির ‘রুট’ দেশের গভীরে, মানুষের মনে। যত দিন এ ‘রুট’ থাকবে তত দিন বিএনপি টিকে থাকবে।

তিনি অভিযোগ করেন, দেশে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ বন্ধ। বিরোধী পক্ষকে মিটিং মিছিল করতে দেয়া হচ্ছে না। দেশকে কারাগারে পরিণত করা হয়েছে। এতে শুধু বিএনপি বা ২০ দলের নয়, সারা দেশেরই ক্ষতি হচ্ছে।

আগামী ২৬ আগস্ট বার কাউন্সিল নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন জেলার আইনজীবী নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময়ের অংশ হিসেবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বার নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবীদের জয়ী করার আহ্বান জানান বিএনপি চেয়ারপারসন।

সরকারে বিরুদ্ধে দলীয়করণের অভিযোগ এনে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী বলেন, দলীয়করণের মাধ্যমে সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। দেশে নানা সমস্যা আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিদেশে অনেকে আছে যারা দেশে এসে কাজ করতে চায়। কিন্তু দেশ গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকায় তারা দেশে আসছে না। তিনি আরো বলেন, যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। জনগণ দেশকে আর কারও কাছে পরাধীন হতে দেবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *