যুক্তরাষ্ট্রকে ঠেকাতে চীনের অত্যাধুনিক জঙ্গিবিমান

যুক্তরাষ্ট্রকে ঠেকাতে চীনের অত্যাধুনিক জঙ্গিবিমান

যুক্তরাষ্ট্রকে ঠেকাতে চীনের অত্যাধুনিক জঙ্গিবিমানবিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দুই সামরিক শক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শক্তির মহড়া বেশ জমে উঠেছে। এবার মার্কিন ‘খাড়া উড্ডয়ন’ (ভার্টিকাল টেকঅফ) জঙ্গিবিমানের অনুরূপ বিমান তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে উদীয়মান পরাশক্তি চীন।

এ প্রচেষ্টা সফল হলে পেন্টাগনের সাথে আধুনিক বিমান নির্মাণ প্রযুক্তির লড়াইয়ে আরেক ধাপ এগোবে বেইজিং।

‘চায়না মিলিটারি সায়েন্স’ জার্নালে এ খবর প্রকাশ হয়েছে।

চীন ‘আকাশ-সমুদ্র যুদ্ধ’ ধারণা মাথায় নিয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলছে। এর মধ্যে স্থান পেয়েছে জে-১৮ মডেলের বিমান নির্মাণ পরিকল্পনা। কোনো রানওয়ে ছাড়াই খাড়াখাড়িভাবে উড্ডয়ন করতে পাড়বে এ যুদ্ধবিমান।

চাইনিজ মিলিটারি প্রেসে প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ের এ স্বপ্ন পূরণে কর্তৃপক্ষ ২০১৫ সালের মাঝামাঝি দেশটির স্বনামধন্য বিমান নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এ পরিকল্পনা আলোর মুখ দেখলে ২০২০ সাল নাগাদ বিমান প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সমকক্ষ হবে বলে আশা করছে চীন।

শক্তিশালী বিমান বাহিনী কোনো রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অটুট রাখতে সর্বাধিক ভুমিকা রাখে। এ তত্ত্বে বিশ্বাসী বেইজিং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকায়নে মনোনিবেশ করেছে।

গত বছর ‘চায়না মিলিটারি সায়েন্স’ জার্নালে এক লেখায় পিপল’স লিবারেশন আর্মি এয়ার ফোর্সের জ্যেষ্ঠ অধিনায়ক এন পেং বলেন, ‘গত কয়েক বছরে কতিপয় বৃহৎ শক্তি চীন ঘেরাও নীতি গ্রহণ করেছে । এ কৌশলগত পরিবেষ্টন প্রতিহত করতে চীনের শক্তিশালী বিমান বাহিনী গড়ে তোলা অতীব জরুরি।’

তিনি আরো বলেন, চীনের মজবুত সমুদ্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সমুদ্র শাসনে অপরিসীম ভূমিকা রাখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *