সড়ক দুর্ঘটনায় যবিপ্রবির ছাত্রসহ নিহত ৩

সড়ক দুর্ঘটনায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ক্রীড়া ও শরীরচর্চা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র আবু হানিফসহ তিনজন নিহত ও যবিপ্রবি ছাত্রীসহ ৯ জন আহত হয়েছেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ক্রীড়া ও শরীরচর্চা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র আবু হানিফসহ তিনজন নিহত ও যবিপ্রবি ছাত্রীসহ ৯ জন আহত হয়েছেন।সড়ক দুর্ঘটনায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ক্রীড়া ও শরীরচর্চা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র আবু হানিফসহ তিনজন নিহত ও যবিপ্রবি ছাত্রীসহ ৯ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে যশোর-চৌগাছা সড়কের চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের আবদুল্লাহপুর এলাকায় দ্রুতগামী ট্রাক নসিমনকে চাপা দিলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহত আবু হানিফ (২৩) টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার কুবারহাটের রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি ২০১৩ সালে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ব্রঞ্জ পদক পান।

নিহত অপর দুজন হলেন- চৌগাছার চান্দাপাড়ার এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে নসিমন চালক আনিছুর রহমান (২২), একই এলাকার চৌগাছার চান্দাপাড়া হাবিবুরের স্ত্রী খাদিজা বেগম (৪০)।

আহতরা হলেন- চৌগাছার দূর্গাপুর গ্রামের জাহাতাপের স্ত্রী খাদিজা বেগম (৩৫), তার মেয়ে বৃষ্টি খাতুন (৮), একই এলাকার তাহাজ্জেলের স্ত্রী স্বপ্না (২৪), তার মেয়ে রত্না (৫), সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি গ্রামের আবু সাইদের ছেলে জাহিদ হাসান (১২), চৌগাছার ফুলসর এলাকার খাইরুল ইসলাম (৪৮), শিবনাথপুরের বিজয় বিশ্বাসের ছেলে বিকাশ বিশ্বাস (৪০), অজ্ঞাত (১৫) এবং খুলনার খালিশপুরের তাহাজ্জত আলীর মেয়ে যবিপ্রবির ছাত্রী শারমিন সুলতানা বিথি (২২)। তাদের যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, যশোর থেকে একটি ট্রাক (ঝিনাইদহ ট-১১০০৭৩) চুড়ামনকাটি হয়ে চৌগাছার দিকে যাচ্ছিল। আর চৌগাছা থেকে যাত্রীবাহী নসিমন চুড়ামনকাটির দিকে আসছিল। পথিমধ্যে আবদুল্লাহপুরে দ্রুতগামী ট্রাকটি-নসিমনকে চাপা দেয়। এতে যবিপ্রবির চতুর্থ বর্ষের ছাত্র আবু হানিফ, সলুয়া গ্রামের আনিছুর রহমান ও খাদিজা বেগম ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা যশোর-চৌগাছা সড়ক অবরোধ করে। এক পর্যায়ে ঘাতক ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দিলে এলাকাবাসী তা নেভানোর চেষ্টা করে। এতে শিক্ষার্থীদের সাথে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়।

পরে যশোর শহর থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায় এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পরপরই ট্রাক চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইনামুল হক দুপুর দেড়টার দিকে  জানান, এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। রিকশা, মোটরসাইকেলসহ ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল করছে। দুর্ঘটনায় নিহত তিনজনের লাশ যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *