Protests-spread-over-Trump-travel-ban-on-Muslim-countries.jpg

ট্রাম্পের মুসলিম নিষেধাজ্ঞা আংশিক স্থগিত

মাত্র এক সপ্তাহ আগে ক্ষমতা নিয়েছেন ট্রাম্প। আর এ সময়ের মধ্যে তিনি যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার মধ্যে সব থেকে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে ৭টি মুসলিম প্রধান দেশের মানুষদের আমেরিকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা। এ আদেশ আসার পর অনেক অভিবাসী ও শরণার্থীদের বিমানে উঠতে দেয়া হয় নি। তারা আটকে পড়েন বিমানবন্দরে। সিরিয়া, ইরান, ইরাক, সুদান, লিবিয়া, ইয়েমেন ও সোমালিয়ার নাগরিকদের আগামী ৯০ দিন যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন ট্রাম্প। তার এ সিদ্ধান্তে নাগরিক অধিকার, বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রুপ ও ডেমোক্রেট দলের রাজনীতিকরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তারা ট্রাম্পের এ আদেশের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মুসলিম নিষেধাজ্ঞা আদেশের পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিভিন্ন বিমানবন্দরে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির অবতারণা হয়। এরপর নিউ ইয়র্ক ব্রুকলিনের এক ফেডারেল বিচারকের দেয়া রায় সাময়িক স্বস্তি এনে দেয়। আমেরিকান সিভিল লিবার্টিস ইউনিয়ন (এসিএলইউ) আদালতে আটকে পড়া সফরকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে দেয়ার জন্য ট্রাম্পের আদেশে সাময়িক স্থগিতাদেশ চান। আদালত প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশের অংশবিশেষে স্থগিতাদেশ দেয়। এ সময় ব্রুকলিনের আদালতকক্ষের বাইরে উপস্থিত সমর্থক এবং ডালাস, শিকাগো, নিউ ইয়র্ক ও অন্যান্য স্থানের বিমানবন্দরে প্রতিবাদকারীরা উল্লাসে ফেটে পড়ে। তবে আদালতের এই আদেশ ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে পাল্টে দেবে না। রায়ে বিচারক বলেছেন, যারা ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ভিসা নিয়ে অবতরণ করেছেন তাদেরকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো উচিত হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *