মুরসির ২০ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ

মিশরের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির ২০ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।

মিশরের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির ২০ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।মিশরের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির ২০ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।

২০১২ সালের ৫ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের সামনে তিন বিক্ষোভকারীকে হত্যা ও বেশ কয়েকজনকে নির্যাতনের অভিযোগে এ রায় ঘোষণা করলো আদালত।

এই রায়ে মুরসির মৃত্যুদণ্ড না হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। মুরসিকে পদচ্যুত করার দুবছর পর এ রায় দেওয়া হলো।

মুরসির সঙ্গে এ মামলায় আরও ১৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ৫ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্ট ভবনের সামনে বিক্ষোভ চলাকালে তিন বিক্ষোভকারীকে হত্যা ও অনেককে নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়।

তার বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলা রয়েছে। মামলাগুলোতে তার বিরুদ্ধে ২০১১ সালে মোবারকবিরোধী আন্দোলন চলাকালে জেল ভাঙার সঙ্গে জড়িত, ফিলিস্তিনি হামাস, লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইরানী রেভ্যুলেশনারি গার্ডের সঙ্গে জড়িত এবং আলজাজিরার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় তথ্য ফাঁসের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

একনায়ক হোসনি মোবারকের পতনের পর ২০১২ সালের মে মাসে নির্বাচনে জয়ী হয়ে মিসরের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন মুসলিম ব্রাদারহুড সমর্থিত জাস্টিস এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির নেতা মোহাম্মদ মুরসি।

এক ডিক্রিকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভের জের ধরে ২০১৩ সালের ৩ জুলাই মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করেন তৎকালীন সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। মুরসির শাসনামলে সেনাপ্রধান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া এই নেতা ২০১৪ সালে দেশটির প্রেসিডেন্ট হন।

সিসি ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মুসলিম ব্রাদারহুডের অন্তত এক হাজার ২১২ সমর্থককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দলটির প্রধান নেতা মোহাম্মদ বাদিও রয়েছেন।

আগামী ১৬ মে এ দুটি মামলার রায় দেওয়ার কথা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *