বাংলা ব্যান্ড সংগীতের বজ্রকন্ঠ মাকসুদুল হক

বাংলা ব্যান্ড সংগীতের বজ্রকন্ঠ মাকসুদুল হক

757
0
SHARE

কবিও কাব্যফজলে এলাহী পাপ্পু

মাকসুদুল হক নামটি বাংলা ব্যান্ড সঙ্গীত ও শ্রোতাদের কাছে খুব প্রিয় একটি নাম যাকে সবাই ‘মাকসুদ’ নামেই বেশি চেনে। বাংলা ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যান্ডদল ‘ফিডব্যাক’ এর জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে মাকসুদ এর অসামান্য অবদান । আজো মাকসুদ বলতে অনেকের চোখে ভেসে উঠে মাকসুদ ও ফিডব্যাক এর অনেক অনেক দারুন গান । যদিও ফিডব্যাক ছেড়েছেন সেই ৯০ দশকের মাঝমাঝি সময়ে কিন্তু এখনও মানুষের কাছে ‘ফিডব্যাক’ ব্যান্ড এর কথা উঠলেই মাকসুদ এর কথা চলে আসে । বাংলা ব্যান্ড সঙ্গীতকে জনপ্রিয় করার পেছনে যেকজন ছিলেন অগ্রগামী সেই কজন মানুষগুলোর একজন হলেন মাকসুদ বা মাকসুদুল হক। মাকসুদ শুধুই একজন দুর্দান্ত গায়ক ছিলেন না ছিলেন প্রতিবাদী এক কণ্ঠ যে কারনে তাঁকে বলা হয় বাংলা ব্যান্ড সংগীতের ‘বজ্রকন্ঠ’।

বাংলা ব্যান্ড সংগীতের তুমুল জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘ফিডব্যাক’ এর সাথে সেই শুরু থেকেই ছিলেন মাকসুদ । কিন্তু ‘ফিডব্যাক’ এর প্রথম ব্যান্ড অ্যালবামে কি এক অজানা কারনে মাকসুদ ছিলেন না। তখন ভোকাল হিসেবে ছিলেন রুমেল । ‘ফিডব্যাক’ এর ২য় অ্যালবাম ‘উল্লাস’ এ পাওয়া যায় মাকসুদ কে । কাওসার আহমেদ চৌধুরী’র লিখা ‘মৌসুমি’ গানটি দিয়ে মাকসুদকে চেনা শুরু শ্রোতাদের । প্রথম গানেই শ্রোতারা মাতোয়ারা । এরপর ‘ চিঠি’, ‘চোখ’, ‘উদাসী’ , ‘মাঝি’ গানগুলো দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে ঠাই করে নেন । বাংলা ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে ঠাই করে নেয় ‘উল্লাস’ অ্যালবামটি যা ছিল এক কথায় অসাধারন ।

maqsoodul_haque‘ফিডব্যাক’ এর ৩য় অ্যালবাম ‘ মেলা’ । এই অ্যালবামের ‘মেলা’ গানটি হয়ে যায় বাংলা বর্ষবরণের গান । সেই থেকে আজো বাংলা ১লা বৈশাখ এলে রবি ঠাকুরের ‘এসো হে বৈশাখ’ গানটির পর সবার আগে বাজানো হয় মাকসুদ এর কণ্ঠের দুর্দান্ত ‘মেলায় যায় রে , মেলায় যায় রে’ গানটি অর্থাৎ ‘ফিডব্যাক’ ও মাকসুদ এর এই গানটি হয়ে যায় বর্ষবরণের চিরন্তন গান । যে গানকে ছাড়িয়ে আজো কোন গান বর্ষবরণের জন্য সেরা গান হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেনি । মেলা অ্যালবামে আরও ছিল “মৌসুমী ২”, ”জীবন-জ্বালা”, ”গৌধুলী”, ”নীল-নক্সা”, ”পালকী পর্ব -১”, ”স্বদেশ” এর মতো দারুন কিছু গান যা বাংলা ব্যান্ড সংগীতের সেরা গানগুলোর তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। এভাবেই ব্যান্ড ‘ফিডব্যাক’ আর মাকসুদ একসাথে তরুণদের মাঝে আলাদা একটি ভালোলাগার জায়গা তৈরি করে নিয়েছিলেন । এরপর ভারতের ‘এইচএমভি’ প্রকাশ করে ‘জোয়ার ‘ অ্যালবামটি যার বেশিরভাগ গান ছিল ‘উল্লাস’ অ্যালবাম থেকে নেয়া বা ফিডব্যাকের পুরনো গানগুলো নতুন কম্পোজিশন করে । এই অ্যালবামটি ‘ফিডব্যাক’ এর সর্বাধিক জনপ্রিয় অ্যালবামগুলোর অন্যতম । এই অ্যালবামের মাধ্যমে বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে কলকাতাতেও ‘ফিডব্যাক’এর জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে।

ব্যান্ড শিল্পী মাকসুদ এর জনপ্রিয়তার কারনে প্রয়াত চিত্রপরিচালক দারাশিকো তাঁর ‘অঞ্জলি’ ছবিটিতে গান করার অনুরোধ করে । মাকসুদও বাংলা চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক করার দারুন সুযোগটি হাতছাড়া করেননি । সেই ছবিতে মাকসুদ ২ টি গান করেন । একটি একক ‘তোমাকে দেখলে একবার / মরিতে পারি শতবার’ ও অন্যটি সামিনা চৌধুরীর সাথে ‘ লোকে বলে পাগলামি/ আমি বলি ভালোবাসা ‘ গানগুলো দারুন হিট করে । শ্রোতাদের মুখে মুখে মাকসুদ এর কণ্ঠের চলচ্চিত্রের গান শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে গেলো । এরই ধারবাহিকতায় মমতাজুর রহমান আকবরের ‘ডিস্কো ড্যান্সার’ ছবির শিরোনাম গানটি মাকসুদ গেয়েছিলেন যে গানটিও হারুন হিট করেছিল । অর্থাৎ ব্যান্ড সংগীতের পর চলচ্চিত্রেও নিজের যোগ্যতা প্রমান করেন অসাধারনভাবে। অবশ্য এরপর এই মুহূর্তে নাম ভুলে যাওয়া একটি ছবিতে মাকসুদ এর কণ্ঠে ‘ঘর ছেড়েছি দুজনে / আর ফিরবো না কোন পিছুটানে’ গানটির পর আর মাকসুদ কে চলচ্চিত্রের গানে পাওয়া যায়নি ।

১৯৯৩ সাল, সেইবছর বাংলা নতুন শতবর্ষে পদার্পণ করবে অর্থাৎ বাংলা ১৪০০ সাল শুরু হবে। সেই ১৪০০ সালকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ‘ফিডব্যাক’ নিয়ে এলো তাদের নতুন অ্যালবাম ‘বঙ্গাব্দ ১৪০০’। এই অ্যালবামটির অ্যালবাম কভার ছিল বাংলা অডিও ক্যাসেটের সবচেয়ে ব্যয়বহুল অ্যালবাম কভার । ঠিক অ্যালবাম কভারটির মতো অ্যালবামটিও ছিল নান্দনিক ও আগুনঝরা গানের একটি অসাধারন অ্যালবাম । মাকসুদের বহুল জনপ্রিয় ‘গীতিকবিতা’ গানের শুরু এই অ্যালবাম থেকেই । এছাড়া মাকসুদ এই অ্যালবামে কিছু সামাজিক অসঙ্গতির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান গানে গানে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র রাজনীতির নামে সন্ত্রাস আর প্রশাসনের নির্লিপ্ততা নিয়ে তিনি গেয়েছিলেন ‘ গঠিত হয়েছে উচ্চ পদস্থ তদন্ত কমিটি ‘ এবং সমাজের এক শ্রেণীর মানুষদের ভণ্ডামি নিয়ে গেয়েছিলেন ‘সামাজিক কোষ্ঠকাঠিন্য’ গান দুটি যা বাংলা ব্যান্ড সঙ্গীতকে সামাজিক আন্দোলনে জড়িত করার একটা দারুন প্রচেষ্টার উদাহরন বলতে পারেন । এছাড়াও একই অ্যালবামে ‘ দিনের আলো নিভে গেলো ‘ নামের বাংলা বাউল/ ফোক সঙ্গীত ছিল যা বাংলা ফোক সঙ্গীতকে তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার একটি চেষ্টা । এরপর বাউল সঙ্গীত নিয়ে ‘দেহঘড়ি’ নামের একটা অ্যালবাম বের করে যেখানে ছিলেন প্রয়াত বাউল আব্দুর রহমান বয়াতি । সেই অ্যালবামে ‘ মন আমার দেহ ঘড়ি’ ছাড়া আর কোন গান ছিল না অর্থাৎ বাংলা অডিও ক্যাসেটে সর্বপ্রথম সিঙ্গেল ট্র্যাক এর অ্যালবাম যা বেশ জনপ্রিয় ও আলোচিত হয় । বাউল গানগুলোকে ব্যান্ড সংগীতের ধারায় তরুণ প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দেয়ার প্রচেষ্টায় ‘ফিডব্যাক’ বের করে ‘বাউলিয়ানা’ নামের নতুন একটি অ্যালবাম যা ছিল ‘ফিডব্যাক’ এর সাথে মাকসুদ এর শেষ অ্যালবাম । অবশ্য এরমাঝে ‘ধুন’ নামক বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ব্যান্ড মিক্সড অ্যালবামেও ‘ফিডব্যাক’ এর সাথে গান করেন।

১৯৯৬ সালের শেষ দিকের কোন এক রাতে বিটিভির জনপ্রিয় সঙ্গীত বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘গীতিবিচিত্রা’ দেখছিলাম । সেই অনুষ্ঠানের শেষ গানটি পরিবেশনা করেন মাকসুদ। আমরা তো দেখে অবাক!! প্রিয় মাকসুদ ভাইয়ের সাথে মুখোশ পড়া বাদ্যযন্ত্রী কারা? সেই প্রথম তিনি ‘ফিডব্যাক’ ছেড়ে ‘ঢাকা’ ব্যান্ড নিয়ে ভক্তদের সামনে আসেন । সেদিন মাকসুদ ভাই ছাড়া সবার মুখে ছিল মুখোশ আর মাকসুদ ভাই বরাবরের মতোই দুর্দান্ত ভাবে পরিবেশনা করলেন ‘খুঁজি ,তোমাকে খুঁজি’ গানটি । প্রথম পরিবেশনাতেই নতুন ব্যান্ডদল নিয়ে মাকসুদ ভাই পুরো সুপারহিট। পরেরদিন সবার মুখে মুখে ‘খুঁজি, তোমাকে খুঁজি’ গানটি যা পরবর্তীতে বাংলা ব্যান্ড সংগীতের জীবন্ত কিংবদন্তী আশিকুজ্জামান টুলু ভাইয়ের ব্যান্ড মিক্সড ‘একই বৃন্তে’ অ্যালবামে আমরা পেয়েছিলাম । এরপর জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘শুভেচ্ছা’ তে আবারো দেখা যায় মাকসুদ ও ঢাকা ‘কে যে গানটি ছিল ‘বাংলাদেশ ৯৫’। দুটি গানই প্রচার হওয়ার পর থেকেই শ্রোতামহলে মাকসুদ ও ঢাকা’ অ্যালবামের জন্য শ্রোতা ভক্তরা অপেক্ষা শুরু হতে থাকে।

মাকসুূদুল হক
মাকসুদ যখন ফিডব্যাক ব্যান্ডের

এরপর থেকে অপেক্ষার শুরু কবে মাকসুদ ও ঢাকা’র নতুন অ্যালবাম আসবে তার জন্য । অবশেষে ‘মাকসুদ ও ঢাকা’ এলো বহু প্রতীক্ষিত ‘প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য নিষিদ্ধ’ শিরোনাম অ্যালবামটি নিয়ে। অ্যালবামের শুরুতেই ‘ উম্মাদনায় কাটে প্রেম’ গানটা ভীষণ মনে ধরে যায় । বারবার শুনতে থাকি গানটি । মাকসুদের কণ্ঠে যে ধরনের গান চাই ঠিক সেই ধরনের একটি গান ছিল এটি । এই অ্যালবামে আরও ছিল ‘ হৃদয়ে গেঁথে রেখেছি’, ‘বাংলাদেশ ৯৫’ , ‘ রাই জাগো গো’ , ‘পরওয়ারদিগার’, ‘গীতিমিছিল’, ‘ আবারো যুদ্ধে যেতে হবে’ এর মতো দুর্দান্ত সব গানগুলো । উল্লেখ্য যে ‘পরওয়ারদিগার’ গানটি ছিল ধর্মীয় মৌলবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া একটি গান । যে গানে ধর্মীয় মৌলবাদ গোষ্ঠীর মুখোশ উম্মোচনের চেষ্টা ছিল যা বাংলা ব্যান্ড সঙ্গীতে সর্বপ্রথম এবং মাকসুদ এই ব্যাপারে ছিলেন সবসময় সোচ্চার ও অগ্রগামী। তিনি বিপদ হতে পারে জেনেও ধর্মীয় মৌলবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছিলেন । ‘পরওয়ারদিগার’ গানটি সেই সময়ে বেশ আলোড়ন তোলে । জামায়াত ইসলামী গানটিসহ অডিও অ্যালবামটি বাজেয়াপ্ত করার দাবী জানিয়েছিল যা কোন ব্যান্ড অ্যালবামের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর প্রথম প্রতিবাদ।

এরপর মাকসুদ ও ঢাকা আবার হাজির হয় ‘ওগো ভালোবাসা’ অ্যালবাম নিয়ে । প্রথমটির মতো ২য় অ্যালবামটিও ছিল দারুন হিট । এই অ্যালবামের উল্লেখযোগ্য গানগুলো ছিল ‘ভালোবাসা দিবস ৯৯ ‘ ‘গীতিকবিতা ৩’, ‘গীতিকবিতা ৪’, ‘রবীন্দ্রনাথ’ , ‘অভিশাপের পালা’ । এভাবেই মাকসুদ তাঁর নতুন ব্যান্ড ‘ঢাকা’কে শ্রোতাদের হৃদয়ে ঠাই করে নেয়ার সুযোগ করে দেন । অন্যদিকে মাকসুদ বিহীন ফিডব্যাকে চলতে থাকে কণ্ঠ পালাবদলের পালা । এই শতাব্দীর শুরুর দিকেও মাকসুদ হাজির হয়ে ছিলেন নিজের একক অ্যালবাম ‘বৈশাখী ঝড়ের রাত্রি’ এবং বাউল গানের দল নিয়ে ‘ মা আরাফতের পতাকা’ নামক দুটি অ্যালবাম নিয়ে । যা ছিল ভক্ত ও শ্রোতাদের চিরচেনা মাকসুদ এর মতোই ।

গত দশকে শুধু ব্যান্ডদল নিয়েই নয় মাকসুদ ছিলেন ব্যান্ড মিক্সড অ্যালবামগুলোতেও দুর্দান্ত, দারুন । আশিকুজ্জামান টুলুর প্রথম ব্যান্ড মিক্সড অ্যালবাম ‘স্টারস’ থেকে শুরু করে জনপ্রিয় প্রায় সব ব্যান্ড মিক্সড অ্যালবামেই ছিলেন মাকসুদ আর তাঁর গানগুলোও ছিল শ্রোতা ও ভক্তদের কাছে দারুন হিট । ব্যান্ড মিক্সড অ্যালবামে মাকসুদ এর কণ্ঠের উল্লেখযোগ্য গানগুলো হলো ‘হেসে খেলে এই মনটা আমার’ (স্টারস), ‘ একটু পরে নামবে সন্ধ্যা’ (স্টারস ২), ‘ক্ষমা ‘ (ক্ষমা), ‘ ঘৃণা / শুন্য শুন্য ‘ (ঘৃণা), ‘ মনের অন্তরালে ‘ (মেয়ে), ‘সন্ধি’ (সন্ধি), ‘ চলে গেছো অতসী’ ( ও আমার প্রেম), ‘কোথায় কবে ‘ ( আমাদের ভালোবাসা), ‘ তুমি আমার প্রথম গানের কলি’( চিরদুখি) , ‘মৌসুমি ৩’ (আড্ডা) …… সহ আরও অনেক।

গানের বাহিরেও মাকসুদ সবসময় সামাজিক আন্দোলনে নিজেকে সক্রিয় রেখেছেন । সর্বশেষ গত বছর শাহবাগ ‘গনজাগরণ মঞ্চ’ এর সাথেও ছিলেন সক্রিয় থেকে যুদ্ধঅপরাধীর বিচারের দাবীতে ছিলেন সোচ্চার। এছাড়া অডিও ইন্ডাস্ট্রিকে পাইরেসির হাত থেকে বাঁচানোর দাবীতে এবং শিল্পীদের অধিকার আদায়েও ছিলেন অগ্রগামী ভূমিকায় । ‘মাকসুদ/ মাকসুদুল হক’ বাংলা ব্যান্ড সংগীতের জীবন্ত এক কিংবদন্তীর নাম শুধু নয় মাকসুদ হলেন বাংলা ব্যান্ড সংগীতের সাহসী বজ্রকন্ঠের নাম, প্রতিবাদী সাহসী এক মানুষের নাম । শ্রোতাদের হৃদয়ে মাকসুদ ছিলেন, আছেন ও থাকবেন চিরদিন ,চির অম্লান হয়ে।

 

নিচে মাকসুদ এর কণ্ঠের উল্লেখযোগ্য কিছু গানের লিংক দেয়া হলো

মৌসুমি ১ – https://app.box.com/s/2be5f43eb10007669f2c

মাঝি ২ – https://app.box.com/s/82hk233gocxn7mpengcm

চিঠি – https://app.box.com/s/8bdlrucdg479c491b6tg

দূর থেকে দূরে – https://app.box.com/s/c72gts4afbbf2aonuu6f

মেলা- https://app.box.com/s/a210da13e6ee2f56482b

স্বদেশ – https://app.box.com/s/o1i7zdch42d8vet0vi3h

লোকে বলে পাগলামি – https://app.box.com/s/1b4lmfiel5n6rs578auv

ঘর ছেড়েছি দুজনে – https://app.box.com/s/1ghl76a3n540n0kgcogg

হেসে খেলে এই মনটা আমার – https://app.box.com/s/r4b5gl739974t0soiohr

কোথায় কবে – https://app.box.com/s/m9rrot8gm1kl8cd7gop5

শুন্য শুন্য – https://app.box.com/s/dafhecdqoyz87et6op38

মৌসুমি ৩ – https://app.box.com/s/d57c709dc8481322fbb9

মনের অন্তরালে – https://app.box.com/s/f3ecc9daa14a000b590d

বাংলাদেশ ৯৫ – https://app.box.com/s/cbvljexzpiaqfmb5gz9m

একটু পরে নামবে সন্ধ্যা – https://app.box.com/s/6t2vlaros6gn1uu99dzr

আবারো যুদ্ধে যেতে হবে – https://app.box.com/s/uitrkvvgnd7ysncfdd2j

তুমি আমার প্রথম গানের – https://app.box.com/s/0z5k3y241a33pemo18jp

সন্ধি – https://app.box.com/s/cacad49f073df98a1048

 

Comments

comments