ইতিহাসের সাক্ষী মধুর ক্যান্টিন
সাময়িকী

ইতিহাসের সাক্ষী মধুর ক্যান্টিন

তাহসিন আহমেদ

ইতিহাসের সাক্ষী মধুর ক্যান্টিন নিয়ে দীর্ঘ এই লেখা। এই লেখাটিতে মধুর ক্যান্টিনের ইতিহাস, ঐতিহ্য, রসিকতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও সর্বশেষ ২০০৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক বিক্ষোভের ঘটনাটি।

মধুর ক্যান্টিনের ইতিহাস

বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন সর্বশেষ সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় নজিরবিহীন ছাত্রবিক্ষোভের মত ঘটনার সাক্ষী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন বা মধুর রেস্তোরাঁ।

মধুর স্টল, মধুর টি-স্টল, মধুর রেস্তোরাঁ থেকে সময়ের বিবর্তনে মধুর ক্যান্টিন নাম আজ ইতিহাসের সাক্ষী।

মূলত মধুর ক্যান্টিনের বর্তমান ভবনটি শ্রীনগরের জমিদারের জলসাঘর বা বাগানবাড়ি ছিল। শ্রীনগর থেকে জমিদারের লোকজন আনন্দফূর্তির মাধ্যমে বিনোদিত হতেন ক্যান্টিনের বর্তমান জায়গাটিতে।

১৯২১ সালে সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর বাগানবাড়ির দরবার হলটিতে তৈরি হয় ক্যান্টিনটি।

যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের কাছে বাবসায় প্রশাসন ইন্সিটিউট (আইবিএ) ভবনের পাশে অবস্থিত।

মধুর ক্যান্টিনের প্রতিষ্ঠাতা মূলত মধুসূদন দে অর্থাৎ মধুদা’র বাবা আদিত্য চন্দ্র। আদিত্য চন্দ্র প্রতিষ্ঠাতা হলেও কনিষ্ঠ পুত্র মধুসূদনের নামেই পরিচিতি লাভ করে ক্যান্টিনটি।

আদিত্য চন্দ্র হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ক্যান্টিনের দায়িত্ব এসে পড়ে মধুসূদনের ওপর। মধুসূদন দের বয়স তখন মাত্র ১২ বছর। ১৯৩৪-৩৫ সাল থেকেই বাবার সঙ্গে সেখানে ব্যবসা শুরু করেছিলেন। ফলে সেই অভিজ্ঞতা মধুদার কাজে লাগে। ১৩৭৯ বঙ্গাব্দের ২০ বৈশাখ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে ক্যান্টিনের নাম হয়ে উঠলো ‘মধুর রেস্তোরাঁ’। যা অনেকের কাছে ‘মধুর স্টল, ‘মধুর টি-স্টল’ নামেও পরিচিতি পায়।

সততার জন্য মধুসূদন দে ছাত্র-শিক্ষকসহ সবার কাছে এতটাই বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেন যে ক্যান্টিনটি ধীরে ধীরে ছাত্র রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।

মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগ পর্যন্ত তৎকালীন রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হওয়ায় একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর রোষানলে পড়েন মধুসূদন। ২৬ মার্চ রাতে কামানের গোলায় জর্জরিত হয় মধুর ক্যান্টিন। পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে সপরিবারে নিহত হন সবার প্রিয় মধুদা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ভবনের পেছনে শিববাড়ী এলাকায় পাকিস্তানিদের গুলিতে নিজেদের কোয়ার্টারে নিহত হলেও মধুদাকে আহত অবস্থায় জগন্নাথ হলের মাঠে মাটি খুঁড়ে অন্যান্য শহীদদের সঙ্গে জীবিত অবস্থায় মাটিচাপা দেয়া হয়।

বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর ১৯৭২ সালের ১৬ জানুয়ারি মধুর ক্যান্টিন পুনরায় চালু করেন মধুদার সন্তান অরুণ দে।

বেঁচে যাওয়া সদস্যরা চলে যান ভারতে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মধুদার ছেলে অরুণ কুমার দে দেশে ফিরে ফের মধুর ক্যান্টিনের হাল ধরেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীরা সংক্ষেপে ডাকেন ‘মধু’ বলে। ক্যান্টিনের সামনে যেতেই চোখে পড়ে শহীদ মধুদার স্মৃতি ভাস্কর্য।

একনজরে মধুর ক্যান্টিন

>> ২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে শহীদ মধুসূদন দে, তাঁর স্ত্রী, পুত্রবধূ ও এক ভাই শহীদ হন। শহীদ মধুসূদন দে’র সন্তান সংখ্যা ১১ যার মধ্যে ৬ জন মেয়ে ও ৫ জন ছেলে।

>> মধুদার আদি বাড়ি বিক্রমপুর জেলার বাবুর দীঘির পাড় এলাকায়।

>> মধুদার স্মরণে মধুর ক্যান্টিন প্রাঙ্গনেই নির্মিত হয়েছে শহীদ মধুদার স্মৃতি ভাস্কর্য।

>> ভাস্কর্যটির গায়ে লেখা রয়েছে ‘আমাদের প্রিয় মধুদা’ বাক্যটি।

>> শহীদ মধুদার স্মৃতি ভাস্কর্যের ভাস্কর মোঃ তৌফিক হোসেন খান।

>> ১৯৯৫ সালের ১৮ এপ্রিল তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ডঃ এমাজ উদ্দীন আহমেদ ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করেন।

>> এর পুনঃনির্মাণ হয় এবং ২০০১ সালের ১৭ মার্চ পুনঃনির্মিত ভাস্কর্যের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক এ. কে. আজাদ চৌধুরী

>> ক্যান্টিন সকাল ৭.৩০ থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

>> শহীদ মধুসূদন দে’র পরিবারের জীবিত সদস্যদের মধ্যে কেবল কনিষ্ঠ সন্তান অরুন দে মধুর ক্যান্টিনের পরিচালনার সাথে যুক্ত আছেন।

>> স্বাধীনতা পরবর্তী মধুর ক্যান্টিনের বর্তমান বয়স ৪৬ বছর। ব্রিটিশ ভারত ও পাকিস্থান শাসনামল হিসাব করলে ক্যান্টিনের বয়স ৮৩ বছর।

>> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমবেশি ২৪টি সংগঠন মধুর ক্যান্টিনে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করে থাকে।

>> এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।

>>ক্যান্টিনের কর্মচারী সংখ্যা ৮ জন।

>> ক্যান্টিন খোলার সময়ঃ সকাল ৮.৩০ থেকে ৯টার মধ্যে

>> ক্যান্টিন খোলা থাকে রাত ১১ টা পর্যন্ত

>> খাবারের আইটেম সংখ্যাঃ ১৮টি

>> উল্লেখযোগ্য আইটেমঃ চা, শিঙ্গারা, মিষ্টি, মাখনযুক্ত পাউরুটি, সমুচা, মোগলাই পরোটা, ছানা, ডিম, ডিম চপ, নিমকী ও পুড়ি

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ মধুসূদন দের পরিবারের যারা নিহত হন
>> মধুসূদন দে

>> স্ত্রী যোগমায়া দে

>> জ্যেষ্ঠ সন্তান শহীদ রঞ্জিত কুমার দে

>> পুত্রবধূ রিনা রাণী দে

>> এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনীর গুলি খাবার পরও বেঁচে যাওয়া বোন রানু রায় ১৯৯১ সালে প্রয়াত হন।

শহীদ মধুসূদন দে’র পরিবার

>> রঞ্জিত কুমার দে (২৬ মার্চ ১৯৭১ শহীদ হন)

>> অরুণ দে (মধুর ক্যান্টিনের বর্তমান সত্বাধিকারি)

>> বাবুল দে (সাউথ ইস্ট ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন)। গত ১২ জুলাই ২০১৭-তে প্রয়াত হন।

>> অধর দে (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন)

>> পিঙ্কু দে (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন)

>> রানু দে (১৯৯১ সালে মারা যান)

>> প্রতিভা দে (গৃহিণী)

>> দুর্গা ঘোষ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন)

>> আরতী দাশ (গৃহিণী)

>> সুষমা দে (ভারতে থাকেন)

একনজরে অরুণ কুমার দে
>> বাবা মধুসূদন দে শহীদ হবার পর মাত্র ১১ বছর বয়সে কনিষ্ঠ সন্তান অরুণ দে মধুর ক্যান্টিনের দায়িত্বভার গ্রহন করেন।

>> বর্তমান বয়স ৫৮ বছর

>> ১৯৭২ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকে মধুর ক্যান্টিন পরিচালনা করছেন

ছাত্রনেতাদের আড্ডার জায়গা
>> খুব কাছ থেকে দেখেছেন ডাকসুর নেতাদের।

>> বাকশালের জাহাঙ্গীর সাত্তার টিংকু, সুলতান মাহমুদ মনসুর, আখতারুজ্জামান, ছাত্রদলের তৎকালীন সেক্রেটারি জালাল আহমেদ, ডাকসুর সাবেক জিএস ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের (জাসদ) ডা. মোস্তাক হোসেন, নাজিম উদ্দিন আলম, আমান উল্লাহ আমান ও মাহমুদুর রহমান মান্না অন্যতম ।

>> এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় গোপনে সব রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনগুলো মধুর ক্যান্টিনে বৈঠক করতেন । যার প্রত্যক্ষ সাক্ষী অরুণ দে।

সাক্ষাৎকার
মধুর ক্যান্টিনের প্রতিষ্ঠাতা মধুসূদন দে শহীদ হওয়ার পর ১২ বছর বয়সে তার কনিষ্ঠ সন্তান অরুণ কুমার দে ক্যান্টিনের দায়িত্ব নেন। ১৯৭২ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকে তিনি ক্যান্টিনটি পরিচালনা করছেন। খুব কাছ থেকে দেখেছেন ডাকসু নেতাদের। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় গোপনে সব রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনগুলো মধুর ক্যান্টিনে বৈঠক করত, যার প্রত্যক্ষ সাক্ষী তিনি।

প্রশ্নঃ ক্যান্টিন সংস্কারের জন্য কেমন পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছেন?

অরুণ কুমার দেঃ তৎকালীন ভিসি ফায়েজ স্যার ও সদ্য সাবেক ভিসি আরেফিন স্যার সব সময় মধুর ক্যান্টিনে সহায়তা করতেন।

প্রশ্নঃ এর বাইরে কাদের সহায়তা পান?

অরুণ কুমার দেঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ সংগঠন সব সময় সহায়তা করে।

প্রশ্নঃ ক্যান্টিনের অবকাঠামোগত উন্নয়নে কী করা উচিত?

অরুণ কুমার দেঃ আরও চেয়ার-টেবিল প্রয়োজন। এছাড়া ক্যান্টিনের পরিধি বাড়ানো উচিত, এতে স্থানসংকুলানের সমস্যা দূর হবে।

প্রশ্নঃ ক্যান্টিনে শিক্ষার্থীদের গ্রুপ স্টাডির জন্য আলাদা রিডিং রুম থাকা উচিত বলে মনে করেন?

অরুণ কুমার দেঃ অবশ্যই থাকা উচিত। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে আরও সুবিধা হবে। একই সঙ্গে রিডিং রুম প্রয়োজন।

প্রশ্নঃ আপনার বাবাকে পাকিস্তানি বাহিনী ধরে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আপনার স্মৃতি…

অরুণ কুমার দেঃ বাবাকে আহত অবস্থায় অন্য শহীদদের সঙ্গে মাটিচাপা দেওয়া হয়। স্মৃতি বলতে এটুকুই। তেমন আর কিছু বলতে চাই না।

প্রশ্নঃ আপনার পারিবারিক জীবন সম্পর্কে জানতে চাই…

অরুণ কুমার দেঃ আমার দুই সন্তান পূজা ও অর্ঘ্য। পূজা পড়ছে ইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবি প্রথম বর্ষে। অর্ঘ্য চলতি বছর স্কলারস স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। আমার স্ত্রী ছবি দে গৃহিণী।

প্রশ্নঃ প্রতিদিন বিক্রি কেমন হয়?

অরুণ কুমার দেঃ ছয় থেকে সাত হাজার টাকা। এখানে ভিড় বেশি, কিন্তু বিক্রি কম।

প্রশ্নঃ ঢাবিতে বহুতল ভবন বাড়ছে, নতুনত্ব আসছে। বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন?

অরুণ কুমার দেঃ বহুতল ভবন প্রয়োজন, কিন্তু সেটা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে করা যেতে পারে। পাশাপাশি ঢাবির পুরোনো ভবনগুলো সংরক্ষণ করা উচিত।

প্রশ্নঃ ক্যান্টিনের শেষ কোন ঘটনা আপনাকে নাড়া দিয়েছে?

অরুণ কুমার দেঃ ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থার সময় ছাত্র-বিক্ষোভের সব রাজনৈতিক দল একসঙ্গে আন্দোলন করেছিল। ২০০৮-এ খালেদা জিয়া আর শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে দুই ছাত্র সংগঠন একসঙ্গে মিছিল করে শাহবাগে জাদুঘরের সামনে সমাবেশ করেছিল বিষয়টি এখনও আমাকে নাড়া দেয়।

ইতিহাসের সাক্ষী যেভাবে

>> মুক্তিযুদ্ধের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব সূতিকাগার ছিল এই ক্যান্টিন।

>> স্বাধীনতা পূর্ববর্তী ১৯৪৮-র ভাষার দাবিতে আন্দোলন,

>> ১৯৪৯-র বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের আন্দোলন

>> ১৯৫২-র অমর একুশে

>> ১৯৫৪-র যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী যুদ্ধ

>> ১৯৫৮-৬০ সালের প্রতিক্রিয়াশীল বিরোধী ছাত্র আন্দোলন

>> ১৯৬৬-র ৬ দফার আন্দোলন

>> ১৯৬৯-র গণঅভ্যুত্থান

>> ১৯৭০-এর নির্বাচনের গতিপ্রকৃতি ও নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রবিন্ধু ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন।

>> ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ, ৮০’র দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও সর্বশেষ ২০০৭ সালের জরুরি অবস্থার সময় ছাত্র-শিক্ষক আন্দোলনে মধুর ক্যান্টিন ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে ভূমিকা রেখেছে।

রসিকতা

>> মধুদার হিসাবের খাতা ছিল যা নিয়ে রসিকতার কমতি ছিল না।

>> খাতাটির শিরোনাম `না দিয়া উধাও`।

>> সেই খাতায় এককালীন মুখ্যমন্ত্রী আতাউর রহমান খান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শাহ আজিজুর রহমান, শামসুর রহমান, আহমদ ফজলুর রহমানসহ ব্যক্তিত্বের নাম ছিল।

>> ষাটের দশকে অনেকেই `না দিয়া উধাও` খাতায় স্থান করে নিয়েছিলেন যাদের মধ্যে মিজানুর রহমান শেলী, জিয়াউদ্দীন, কাজী জাফর আহমদ, মহীউদ্দীন, আতাউর রহমান কায়সার, রেজা আলী, সাইফুদ্দিন আহমেদ মানিক, রাশেদ খান মেনন, হায়দার আকবর খান রনো, ওয়ালীউল ইসলাম, কে এম ওবায়দুর রহমান, আবদুর রাজ্জাক, রফিক আজাদ অন্যতম।

ছাত্রনেতা-নেত্রীদের আড্ডাস্থল

স্বাধীনতাপূর্ব ছাত্রনেতা-নেত্রীদের মধ্যে এনবি নাগ, আবদুর রব চৌধুরী, জুলমত আলী খান, বদরুল আলম, আমিনুল ইসলাম তুলা, বেগম জাহানারা আখতার, অমূল্য কুমার, রাশেদ খান মেনন, মতিয়া চৌধুরী, ফেরদৌস আহমেদ কোরেইশী, শফি আহমেদ, মাহফুজা খানম, তোফায়েল আহমেদ, নাজিম কামরান চৌধুরী, আসম আবদুর রব, নূর-এ আলম সিদ্দিকী, শাহজাহান সিরাজ, আবদুল কুদ্দুস মাখন, শেখ কামাল, মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, মাহবুব জামান,ম. হামিদসহ অনেকেই আড্ডা দিতেন এই ক্যান্টিনে।

কবি-লেখকদের আড্ডা

>> কবি-লেখকরা জমিয়ে আড্ডা দিতেন মধুর ক্যান্টিনে।

>> কবি শামসুর রাহমান, হাসান হাফিজুর রহমান, জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, আলী যাকের, আসাদুজ্জামান নূরসহ সুপরিচিত অনেকের পদচারনা ছিল এই ক্যান্টিনে।

>> জীবিত অগ্রজ কবিদের মধ্যে কবি নির্মলেন্দু গুণও মতো সময় পেলেই ঘুরে যান মধুর ক্যান্টিনে।

মধুর ক্যান্টিন নিয়ে বই

মধুর ক্যান্টিন নিয়ে একমাত্র বইটির নাম ‘মধুদা’। সম্পাদনা করেছেন মাহফুজা খানম।

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *