ব্যাট হাতে মাত্র ৬৬ বলে ১৬২ রানে অপরাজিত ছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। গেইলরা সবাই মিলে করলেন ১৫১ রান।
খেলা

ভিলিয়ার্স ১৬২, ওয়েস্ট ইন্ডিজ অলআউট ১৫১

ব্যাট হাতে মাত্র ৬৬ বলে ১৬২ রানে অপরাজিত ছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। গেইলরা সবাই মিলে করলেন ১৫১ রান। ব্যাট হাতে মাত্র ৬৬ বলে ১৬২ রানে অপরাজিত ছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। গেইলরা সবাই মিলে করলেন ১৫১ রান। ভিলিয়ার্সের কাছে ১১ জন মিলে আর দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ২৫৭ রানে হারল ক্যারিবীয়রা।

আফ্রিকার দেয়া ৪০৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩৩.১ বলে ১৫১ রানে অলআউট হয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে এটি দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় বড় জয়। তাদের সবচেয়ে বড় জয় ২৫৮ রানে। ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিতেছিল তারা। বিশ্বকাপে ভারতের সাথে যৌথভাবে বড় জয়ে ভাগ বসালো প্রোটিয়াসরা। ২০০৭ বিশ্বকাপে বারমুডার বিপক্ষে ভারতও জিতেছিল ২৫৭ রানে।

এবি ডি ভিলিয়ার্সের বিস্ফোরক ইনিংসের পাল্টা জবাবে ক্রিস গেইলের কাছ থেকে একই ধরনের ইনিংস আশা করেছিল ক্রিকেটপ্রেমীরা। কিন্তু বিশ্বকাপের একমাত্র ডাবল সেঞ্চুরিয়ান আজ জ্বলে ওঠার আগেই ‘জ্বলে’ গেল তাঁর এলইডি স্টাম্প! মাত্র ৩ রান করেই কাইল অ্যাবটের বলে পরিষ্কার বোল্ড। দলীয় ১২ রানের মাথায় গেইলের ফেরার পর সেই যে উইকেট পতনের মিছিল শুরু, তা চলতে থাকল ৬৩ রান অবধি। এর মধ্যে ‘নেই’ হয়ে গেল উইন্ডিজের ৭ উইকেট! ডি ভিলিয়ার্সের হাতে ‘চরম নিগৃহীত’ উইন্ডিজ অধিনায়ক জেসন হোল্ডার কিছুটা প্রায়শ্চিত্ত করলেন ব্যাট হাতে। দিনেশ রামদিনকে নিয়ে অষ্টম উইকেট জুটিতে তুললেন ৪৫ রান। ২২ রানে রামদিন ফিরলেও জেরোম টেলরকে নিয়ে নবম উইকেটে গড়লেন ৪২ রানের আরেকটি জুটি। ডেল স্টেইনের শিকার হওয়ার আগে হোল্ডারের ব্যাট থেকে এল সর্বোচ্চ ৫৬ রান। হোল্ডার ফিরে যাওয়ার পরই মূলত ক্যারিবীয় ইনিংসের পর্দা নামা ত্বরান্বিত হলো। শেষ ১ রানে ২ উইকেটের পতনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৩.১ ওভারে অলআউট ১৫১ রান। ব্যাট হাতে ক্যারিবীয়দের মূল সর্বনাশটা ডি ভিলিয়ার্স করলেও বল হাতে ‘হন্তারক’ হিসেবে হাজির হন ইমরান তাহির। ঘূর্ণি বিষে নাকাল করে তাহিরের সংগ্রহে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট। এ ছাড়া অ্যাবট ও মরনে মরকেল নিয়েছেন দুটি করে উইকেট

এর আগে প্রথমে ব্যাট করে ডি ভিলিয়ার্সের ৬৬ বলে ১৬২, এ ছাড়া হাশিম আমলার ৬৫, ফাফ ডু প্লেসির ৬২ ও রাইলি রুশোর ৬১ রানের সুবাদে নির্ধারিত ৫০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৪০৮ রান।

ভারতের বিপক্ষে হারের পর প্রোটিয়াদের বিশ্বকাপ জেতার সামর্থ্য নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দোর্দণ্ড প্রতাপে জিতে প্রোটিয়ারা যেন বার্তা দিল, এবার ভিন্ন কিছুর প্রত্যয় নিয়েই তারা এসেছে!

ম্যাচে বিশ্বকাপে দ্রুততম দেড়শত (১৫০) রান করার রেকর্ড গড়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স। ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জিতেছেন তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

দক্ষিণ আফ্রিকা : ৪০৮/৫; ৫০ ওভার (ভিলিয়ার্স* ১৬২, আমলা ৬৫, প্লেসিস ৬২, রোসোউ ৬১; গেইল ২/২১)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ : ১৫১/১০; ৩৩.১ ওভার (হোল্ডার ৫৬, স্মিথ ৩১; তাহির ৫/৪৫, মর্কেল ২/২৩, অ্যাবোট ২/৩৭)

ফল : দক্ষিণ আফ্রিকা ২৫৭ রানে জয়ী

পয়েন্ট : দক্ষিণ আফ্রিকা ২, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ০

ম্যাচ সেরা : এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা)

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *