ক্রোয়েশিয়ার ব্যাঙের জাদুঘর

ক্রোয়েশিয়ার ব্যাঙের জাদুঘর

নাম ফ্রগিল্যান্ড বা ব্যাঙের দেশ। ক্রোয়েশিয়ার এই জাদুঘরে শুধু মাত্র ব্যাঙরাই স্থান পেয়েছে। তাই এর নামকরণ করা হয়েছে ফ্রগিল্যান্ড (Froggyland)। প্রায় ৫০০টি মৃত ব্যাঙকে নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে ব্যাঙের জাদুঘরটি।

বিশেষ ধরণের মেডিসিন দিয়ে বিশেষ প্রক্রিয়ায় ব্যাঙগুলোকে মমি করে রাখা হয়েছে। কিন্তু শুধু তাই নয় তাদের আকারও দেয়া হয়েছে নানরকম। ১৯ শতকের দিকে ব্রিটেনে টেক্সিডার্মি অনেক জনপ্রিয় ছিল।

যারা পশুপাখির চামড়া সংরক্ষণ করতো তাদেরই মূলত টেক্সিডর্মিষ্ট বলা হয়ে থাকে। হাঙ্গেরির একজন টেক্সিডর্মিস্টের নাম ফ্র্যাঙ্ক মেরি। তিনি একজন ব্যাঙ পাগল মানুষ ছিলেন।

১৯১০ সাল থেকে ১৯২০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ধরেণের জীবজন্তুর চামড়া তিনি বিশেষ উপায়ে সংরক্ষণ করেছেন। সেই সসময় পশু পাখির চামড়া অক্ষত অবস্থায় ছাড়ানোর পর সংরক্ষণ করার কাজ বেশ দূরারোহ ছিল।

ফ্রগিল্যান্ডের পরিচালক ইভান মেডভেসেক বলেন, ‘পশু পাখির দেহ অক্ষত রেখে সংরক্ষণ করা খুব একটা কঠিন কাজ ছিল। এই যুগে এসেও এখন পর্যন্ত তা তেমন একটা সহজ হয়নি। ছোট জীবজন্তুর ক্ষেত্রে এই কাজ করা খুব কঠিন।’

জাদুঘরের ভেতর প্রবেশ পর ব্যাঙদের যে জীবনযাপন আপনি দেখতে পাবেন তা দেখে আপনার মনে হবে মানুষের জীবনযাপন। এই ব্যাঙগুলোর মধ্যে কাউকে দেখা যাবে টেনিস খেলছে, কেউ পড়াশোনা করছে, কেউ সাঁতার কাটছে, কেউ আবার কেউ পছন্দের মানুষটিকে প্রেম নিবেদনও করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *