বিয়ের পর মেয়েদের আশাহত ১০ বিষয়
সাময়িকী

বিয়ের পর মেয়েদের আশাহত ১০ বিষয়

বিয়ের পর মেয়েদের আশাহত ১০ বিষয়বিয়ে ব্যাপারটা আজও বাংলাদেশি সমাজে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, আর নারীদেরও অসংখ্য স্বপ্ন ও আশা-আকাঙ্ক্ষা থাকে এই বিয়েকে ঘিরেই। কিন্তু হ্যাঁ, প্রায় সব বাংলাদেশি মেয়েকেই বিয়ের পর কিছু স্বপ্নভঙ্গের মুখোমুখি হতেই হয়। কম হোক বা বেশী, বিবাহিতা বাংলাদেশি নারীর জীবনে এই ব্যাপারগুলো ঘটেই থাকে।

১) শ্বশুরবাড়ি কখনও নিজের বাড়ি হয়ে ওঠে না
শ্বশুরবাড়িকে ঘিরে বিয়ের আগে অনেক স্বপ্ন থাকে সব মেয়েরই। কিন্তু, বাস্তবতা এটাই যে শ্বশুরবাড়ি কখনও নিজের বাড়ি হয়ে ওঠে না, যতক্ষণ না কেবল স্বামী-স্ত্রীর ছিমছাম সংসার হচ্ছে।

২) বিয়ের পর কমবেশি কথা শুনতে হয়
যতই নিখুঁত ও দারুণ পুত্রবধূ হোন না কেন, বিয়ের পর কমবেশি কথা সব বাংলাদেশি মেয়েকেই শুনতে হয়। বলা যেতে পারে, এটা সমাজের নিয়মে পরিণত হয়েছে। যদিও সব মেয়েই বিয়ের আগে ভাবেন যে তার সঙ্গে এমনটা হবে না।

৩) স্বপ্নকে একপাশে ঠেলতেই হয়
বিয়ের পর প্রিয় পুরুষের সঙ্গে জীবনটা হয়ে উঠবে স্বপ্নের, ঠিক যেন সিনেমা! এমন যদি ভেবে থাকে তবে ভুল করছেন। কেননা বিয়ের পর বাস্তবতা এমনভাবে ঘিরে ধরে যে স্বপ্নকে একপাশে ঠেলতেই হয়। আর এই কাজটা পুরুষেরাই আগে করেন।

৪) স্বামী মনযোগ কমিয়ে দেন
বিয়ে মানেই স্বামীর কাছ থেকে আরও বেশী সময় পাওয়া নয়। বিশেষ করে কেবল গৃহিণী নারীদের বরং স্বামীকে অনেক বেশী মিস করতে হয়। বিয়ের আগে প্রেমিক যেন ঘনঘন ফোন করতেন, সেই মানুষই স্বামী হওয়ার পর মনযোগ দেওয়া বাধ্যতামূলকভাবেই কমিয়ে দেন।

৫) বিয়ের পর সবকিছু ঠিক হয়ে যায় না
না, বিয়ের পর সবকিছু ঠিক হয়ে যায় না। যদি সম্পর্কে বিয়ের আগে থেকেই ঝামেলা থাকে, তবে সেটা বিয়ের পরও ঠিক না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী।

৬) সংসার মানে ভীষণ পরিশ্রম আর দিনরাত খাটুনি
সংসার জিনিসটা নিয়ে মেয়েদের মনে যত রোমান্টিক চিন্তা-ভাবনা থাকে, বিয়ের পর সেগুলোর বেশিরভাগই ভেঙে যেতে বাধ্য। কেননা সংসার মানে ভীষণ পরিশ্রম আর দিনরাত খাটুনির একটা জায়গা। সংসার গুছিয়ে রাখতে আর সবার মন জুগিয়ে চলতে চলতেই নারীর বেলা পার হয়ে যায়।

৭) স্বামী সর্বদা পাশে থাকবেন না
সকল নারীই মনে মনে ভাবেন যে, বিয়ের পর স্বামীর সংসারে রানীর মত থাকবেন। কখনও ঝগড়া হবে না, স্বামী সর্বদা পাশে থাকবেন, সর্বদা ভালবাসবেন। যদিও বাস্তবতা এটাই যে ঝগড়া হবেই আর স্বামীও সর্বদা পাশে থাকবেন না। বরং অনেক ক্ষেত্রেই নিজের পরিবারকে সবচাইতে বেশী গুরুত্ব দেবেন।

৮) অনেক দম্পতির ক্ষেত্রেই সন্তান দূরত্ব বাড়ায়
সন্তান দাম্পত্যের অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ। তবে সেই সঙ্গে এটাও সত্য যে অনেক দম্পতির ক্ষেত্রেই সন্তান দূরত্ব বাড়ায়, এমনকি পরকীয়ার দিকে পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়।

৯) পুরুষ মাত্রই অন্য নারীর দিকে তাকাবেন
খুব ভালোবেসে স্বামী একজন মেয়েকে ঘরে তুলেছেন, তাকে খুব ভালোবাসেন। অনেকেই ভাবে প্রিয় পুরুষটি আর কখনই অন্য নারীর দিকে দেখবেন না? মেয়েদের এই ধারণা শতভাগ ভুল! পুরুষ মাত্রই অন্য নারীর দিকে তাকাবেন, তাদের মনযোগ আকর্ষণের চেষ্টাও করবেন।

১০) শাশুড়ি মা হয়ে উঠতে পারেন না
শাশুড়ি কখনও মা হয়ে উঠতে পারেন না। সেটা খুব কম ক্ষেত্রেই ঘটে আর আসলে কেবলই সিনেমার দৃশ্য। তাই শাশুড়িকে মা ভাবার ভুল করলে কষ্ট পেতেই হয়।

বিবাহিতা বাংলাদেশি নারী মাত্রই জানেন এই ব্যাপারগুলো কতটা সত্যি। তবে সত্যি বলতে কী, সবাই চাইলে নিজের জীবন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। জীবনে প্রত্যাশা যত কম, কষ্টও তত কম।

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *