বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ৩ আসামি কারামুক্ত

বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ৩ আসামি কারামুক্ত

15
0
SHARE

বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ৩ আসামি কারামুক্তপুরান ঢাকার দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার ৩ আসামি কারামুক্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারা কমপ্লেক্সের হাইসিকিউরিটি কারাগার থেকে তাঁরা ছাড়া পান।

মুক্তিপ্রাপ্তরা হলেন- বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার চেংগুটিয়ার এলাকার আতিকুর রহমানের ছেলে এএইচএম কিবরিয়া (৩১), মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানার রাজইর এলাকার আশেক উদ্দিনের ছেলে গোলাম মোস্তফা (২৬) ও নরসিংদীর মনোহরদী থানার চন্দ্রনবাড়ি এলাকার আবদুল হাইয়ের ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৪)।

বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় নিম্ন আদালত এএইচএম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফাকে যাবজ্জীবন এবং সাইফুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে উচ্চ আদালতে আপিল করলে আদালত তাদের তিনজনকে ওই মামলা থেকে খালাস দেন।

২০১২ সাল থেকে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ওই তিন আসামি হাইসিকিউরিটি কারাগারে বন্দি ছিলেন।

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিরোধী দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে বাহাদুর শাহ পার্কের কাছে পথচারী বিশ্বজিৎ দাসকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ কর্মীরা নির্মমভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করলে বাঁচার জন্য দৌড় দিলে তিনি শাঁখারীবাজারের রাস্তার মুখে পড়ে যান। রিকশাচালক রিপন তাঁকে রিকশায় তুলে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক বিশ্বজিৎকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় বিশ্বজিৎ লক্ষ্মীবাজারের বাসা থেকে শাঁখারীবাজারে নিজের দর্জি দোকানে যাচ্ছিলেন।

২০১৩ সালের ৫ মার্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ২১ জন কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় ডিবি পুলিশ। ২৬ মে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলার আসামিদের মধ্যে রফিকুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান, রাশেদুজ্জামান, কাইয়ুম মিয়া, এস এম কিবরিয়া, এমদাদুল হক, সাইফুল ইসলাম ও গোলাম মোস্তফা গ্রেফতার হন। বাকি ১৩ আসামি রাজন তালুকদার, ইউনুস আলী, আজিজুল হক, তারেক বিন জোহর, আলাউদ্দিন, ওবায়দুল কাদের, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, মীর মো. নূরে আলম, আল আমিন শেখ, মনিরুল হক, কামরুল হাসান ও মোশাররফ হোসেন পলাতক।

আলোচিত এই হত্যা মামলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ২১ জন কর্মীর মধ্যে আটজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। বাকি ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন আদালত।

Comments

comments