আজ রাতে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এক বিশেষ বৈঠক করবেন।
জাতীয়

বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক রাতে

আজ রাতে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এক বিশেষ বৈঠক করবেন।
ফাইল ছবি

আজ  রাতে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এক বিশেষ বৈঠক করবেন। আন্দোলনের কৌশল নির্ধারণে কঠোর হচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন । অতীতের সকল আন্দোলন-সংগ্রাম পর্যবেক্ষণ করে নতুন কৌশল নির্ধারণ করতে চায় বিএনপি। এবার সরকার পতন আন্দোলন যেন ব্যর্থ না হয় সেজন্য অনেকটা  ধীর গতিতে চলা লক্ষ্য করা গেলেও চূড়ান্ত আন্দোলনের পথেই হাঁটছেন বেগম জিয়া। ফলে তড়িঘড়ি করে কোনো প্রকার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না দলটি। অপরদিকে ক্ষমতাসীনদের ষড়যন্ত্র থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতেও আহ্বান জানিয়েছেন বেগম জিয়া।

জানা যায়, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করতে যথেষ্ট তৎপর রয়েছেন।  আন্দোলন সফল করতে দলের চেইন অব কমান্ডকে আরো মজবুত করতে ধারাবাহিক বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। আর এরই অংশ হিসেবে দীর্ঘ দিন পর  উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, দলের ভাইস চেয়ারম্যান, যুগ্ম-মহাসচিব ও দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
১১ নভেম্বর দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও যুগ্ম মহাসচিব এবং ১৩ নভেম্বর স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করারও তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব বৈঠকের পর সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে দলের অঙ্গ, সহযোগী ও সমর্থক সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন বেগম খালেদা জিয়া।

এ ব্যাপারে বিএনপির স্থানীয় কমিটির একজন সদস্য বলেছেন, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগ যথাযথ ও সময়োপযোগী। দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দলের সামগ্রিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এ বৈঠক সহায়ক হবে। কারণ দল যদি সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হয় তাহলে সরকার বিরোধী আন্দোলন আরো গতিশীল হবে।

সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া দলের চেইন অব কমান্ড ফিরিয়ে আনা, জাতীয় কাউন্সিল করা, নতুন করে সদস্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া শুরু করা, নিষ্ক্রিয় নেতাকর্মীদের সক্রিয় করা, আগামী দিনে আন্দোলনের কৌশল নির্ধারণ, দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের পদ ভারমুক্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতেই এ বৈঠকের আয়োজন করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের একজন ভাইস চেয়ারম্যান বলেছেন, বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারি দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় দফতর থেকে একজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে পরে আবার রাতে চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয় থেকে ওই ব্যক্তির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। যা তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে অনেকটা কৌতুহলের জন্ম দিয়েছে। এটাকে বিএনপির নয়াপল্টন ও চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ের মধ্যে সমন্বয়হীনতা বলেও আখ্যায়িত করেছেন এ নেতা। দলকে শৃঙ্খলায় ফিরিয়ে আনতে দলের নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতেও পরামর্শ দেন তিনি।

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *