ক্ষুধা নিবৃত্তকরণে এক ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ

ক্ষুধা নিবৃত্তকরণে এক ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ

194
0
SHARE

2012 Global Hunger Index: The challenge of hunger: Ensuring sustবিশ্ব ক্ষুধা সূচকে (গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স-জিএইচআই) এক ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। ক্ষুধা নিবৃত্তকরণে সারা বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এবার ৫৭ নম্বরে। গত বছরও এ অবস্থান ছিল ৫৮-তে।

আন্তর্জাতিক খাদ্য নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইএফপিআরআই), কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড ও ওয়েলথাংগারহিফলের যৌথ উদ্যোগে প্রণীত ক্ষুধা সূচক ২০১৪ বিষয়ক গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সের (জিএইচআই) প্রতিবেদনে  সোমবার এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

জিএইচআইতে তিনটি নির্দেশকের ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন দেশের স্কোর গণনা করা হয়। এগুলো হচ্ছে- অপুষ্টি, শিশুর স্বল্প ওজন ও শিশু মৃত্যুহার। ১০০ নম্বরের মধ্যে প্রণীত এ সূচকে ০-ই সেরা স্কোর। স্কোর যত বেশি হয়, সে দেশের ক্ষুধা পরিস্থিতি তত ভয়াবহ হিসেবেই ধরা হয়।

২০১৪ সালের সূচকে ৭৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৫৭তম। গত বছর ৭৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৫৮তম। এক বছরের ব্যবধানে ক্ষুধা সূচক ১৯ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে নেমে ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ হয়েছে। সূচকে পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে এনজিও খাত এবং সরকারের খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি শিশুদের অপুষ্টি কমাতে সহায়তা করেছে।

জিএইচআই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ক্ষুধা নিবৃত্তকরণে শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশের সূচক ছিল ৩৬ দশমিক ৬ শতাংশ। গত ২৪ বছরে বাংলাদেশের উন্নতি হয়েছে ৫০ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বেশ কয়েকটি দেশ জিএইচআই স্কোরে চোখে পড়ার মতো উন্নতি করেছে। ১৯৯০ ও ২০১৪ সালের জিএইচআই প্রতিবেদনের তুলনা করে দেখা যায়, কয়েকটি দেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে- অ্যাঙ্গোলা, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইথিওপিয়া, ঘানা, মালাওয়ি, নাইজার, রুয়ান্ডা, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম। তবে এখনও বিশ্বের ২০০ কোটি লোক খাবারের কষ্টে ভুগছে। তারা প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের অভাব পূরণ করতে পারছে না। এখনও ৮০ কোটি লোক দীর্ঘস্থায়ী অপু্টির শিকার। এখন পর্যন্ত প্রতি আটজনের মধ্যে একজন ক্ষুধার যন্ত্রণায় কষ্ট পায়।

Comments

comments