বিশ্বের একটি বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পুনপ্রতিষ্ঠা চায় বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় হাই কমিশনার পিনাক চক্রবর্তী।
জাতীয়

‘বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনপ্রতিষ্ঠা চায় ভারত’

বিশ্বের একটি বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পুনপ্রতিষ্ঠা চায় বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় হাই কমিশনার পিনাক চক্রবর্তী।বিশ্বের একটি বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পুনপ্রতিষ্ঠা চায় বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় হাই কমিশনার পিনাক চক্রবর্তী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে এ দেশে যে সরকারই এসেছে আমরা তাদের সঙ্গে কাজ করেছি। বর্তমানেও যে সরকার রয়েছে আমরা তাদের সঙ্গেও কাজ করে যাবো। এর আগে সামরিক সরকারের সঙ্গেও আমরা কাজ করেছি। আর আমি একজন কূটনীতিক হিসেবে বাংলাদেশে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কামনা করি।

শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘টি ব্রেক’র সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন “ভারত-বাংলাদেশ হাই কমিশনার সামিট’স” শীর্ষক দুই দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

পিনাক চক্রবর্তী বলেন, আমরা বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী বিরোধীদল চাই। তাদের যে সকল অধিকার আছে তা তারা অর্জন করে নিতে পারবে।

তিনি আরো বলেন, আমি একজন কুটনীতিক হিসেবে বাংলাদেশে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কাম্য করি।

এর আগে মূল অনুষ্ঠানের উদ্বোধন সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন,  বাংলাদেশ এবং ভারতের সম্পর্কে পূর্বে উঠা-নামা ছিল। কিন্তু বর্তমানে  মোদি সরকার এবং এর আগে মহমোহন সিং এর সরকারের সময় থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ভালোর দিকে যাচ্ছে। আর এই সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন।

এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন হলো উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুই দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে গতিশীলতা আসবে।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত চুক্তিগুলোর রাজনৈতিক সমঝোতার মধ্য দিয়ে নিস্পত্তি করতে হবে। এর মাধ্যমে দুই দেশই উন্নয়ন লাভ করবে। এই চুক্তিগুলোর সমাধানের মধ্য দিয়ে দারিদ্রতা, সীমান্ত বিরোধ, ছিটমহল সমস্যার সমাধান হবে।

বাংলাদেশ এবং ভারত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এক সঙ্গে কাজ করে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড.  ইমতিয়াজ আহমেদের সমন্বয়ে এসময়ে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ঢাবি ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আশিকা এরশাদ প্রমূখ।

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *