বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১৩১৪ মার্কিন ডলার

বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় এখন ১৩১৪ মার্কিন ডলার। এক অর্থবছরের ব্যবধানে ১২৪ মার্কিন ডলার বেড়ে এ মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় এখন ১৩১৪ মার্কিন ডলার। এক অর্থবছরের ব্যবধানে ১২৪ মার্কিন ডলার বেড়ে এ মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে।বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় এখন ১৩১৪ মার্কিন ডলার। এক অর্থবছরের ব্যবধানে ১২৪ মার্কিন ডলার বেড়ে এ মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে।

২০১৪-১৫ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৬.৫১ ভাগ ধরে এ আয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এ সভায় এডিপি’র চূড়ান্ত অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, গত বছর আমাদের মাথাপিছু আয় ছিল ১১৯০ মার্কিন ডলার। নমিনাল মূল্যের ভিত্তিতে পৃথিবীতে বাংলাদেশের অর্থনীতি ৫৮তম।

অপরদিকে ক্রয় ক্ষমতার ভিত্তিতে আমাদের মাথাপিছু আয় ৩০১৯ মার্কিন ডলার।

তিনি বলেন, দেশে অহেতুক জ্বালাও পোড়াও, হরতাল-অবরোধ না থাকলে আমরা ৭ ভাগ জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি অর্জন করতাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্ব ও অর্থমন্ত্রীর সহযোগিতায় আমরা ৬.৫১ ভাগ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। এটা আমাদের জন্য কম অর্জন নয়।

এনইসি’র তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি ৬.৫১ ভাগ। মোট জিডিপি’র মধ্যে কৃষি খাতের অবদান ১৫.৫৯ ভাগ, শিল্প খাতের অবদান ২৭.৯৮ ভাগ এবং সেবা খাতের অবদান ৫৬.৪২ ভাগ। এবছর এই তিনটি খাতে প্রবৃদ্ধির হার- কৃষিতে ৩.০৪ ভাগ, শিল্পে ৯.৬ ভাগ এবং সেবায় ৫.৮৩ ভাগ। অপরদিকে জিডিপি’র আকার চলতি মূল্যে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৯ কোটি টাকায়। গতবছর যা ১৩ লাখ ৪৩ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা ছিল।

বিনিয়োগ ও জিডিপি অনুপাত
বর্তমানে দেশে জিডিপি’র তুলনায় বিনিয়োগ ২৮.৯৯ ভাগ। এর মধ্যে সরকারি বিনিয়োগ ৬.৬ ভাগ এবং বেসরকারি বিনিয়োগ ২২.৩৯ ভাগ। গতবছর জিডিপি’র তুলনায় বিনিয়োগ ছিল ২৮.৫৮ ভাগ।

বরাদ্দসহ অনুমোদিত প্রকল্প
২০১৫-১৬ অর্থবছরের এডিপি’তে স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা অথবা করপোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প ব্যাতীত বরাদ্দসহ অন্তর্ভূক্ত মোট প্রকল্প সংখ্যা ৯৯৮টি। এর মধ্যে বিনিয়োগ প্রকল্প ৮৫৪টি, কারিগরি সহায়তা প্রকল্প ১৩২টি, জেডিসিএফ অর্থায়িত প্রকল্প ১২টি।

এছাড়াও স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা অথবা করপোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ১২৫টি প্রকল্প রয়েছে। এবারের এডিপি’তে অনুমোদনহীন নতুন প্রকল্পের সংখ্যা ৮৫৭টি এবং বৈদেশিক সাহায্য প্রাপ্তির সুবিধার্থে অনুমোদনহীন নতুন প্রকল্পের সংখ্যা ৩৬৮টি।

মেয়াদোত্তীর্ণ প্রকল্প
২০১৫’র জুনের মধ্যে যেসব প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ হবে না এরূপ মেয়াদোত্তীর্ণ প্রকল্পকে তারকা চিহ্ন দিয়ে এডিপি’তে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের মেয়াদকাল বৃদ্ধি ছাড়া অর্থ ছাড় ও ব্যয় করা যাবে না। এ বছর এডিপি’তে এরকম প্রকল্পের সংখ্যা ২০৯টি।

সম্ভাব্য সমাপ্য প্রকল্প
এডিপি’তে এবছর সম্ভাব্য সমাপ্য প্রকল্পের সংখ্যা ৩২৪টি। এর মধ্যে বিনিয়োগ প্রকল্প ২৮১টি, কারিগরি সহায়তা প্রকল্প ৪১টি ও জেডিসিএফ অর্থায়িত প্রকল্প ২টি।

পিপিপি প্রকল্প
এ বছর এডিপি’তে পিপিপি প্রকল্পের সংখ্যা ৪০টি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *