প্রোটিয়া পরীক্ষার সামনে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

আগের দুই সিরিজের সুখস্মৃতি উপভোগের আগেই আবারও সেসব চ্যালেঞ্জ এসে হাজির টাইগারদের সামনে।

আগের দুই সিরিজের সুখস্মৃতি উপভোগের আগেই আবারও সেসব চ্যালেঞ্জ এসে হাজির টাইগারদের সামনে। আগের দুই সিরিজের সুখস্মৃতি উপভোগের আগেই আবারও সেসব চ্যালেঞ্জ এসে হাজির টাইগারদের সামনে। এবার প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা বলে সেগুলো আরো বড় আকারে উপস্থাপিত হচ্ছে। বলা হচ্ছে, বছরের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার সামনে এখন বাংলাদেশ। কাগজে-কলমে এ কথা শতভাগ সত্য। এত সব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বলতে হয়, আগের দুই সিরিজের সাফল্যগাঁথা তো এই সিরিজে টাইগারদের প্রেরণার মূল রসদ হতে পারে।

চলতি বছরে টানা তৃতীয়বার একই কর্ম করতে পারবে টাইগাররা, এখনই তা আশা করা ঠিক হবে না। তবে মাশরাফিরা বিশ্বাস হারাচ্ছেন না। তারা আত্মবিশ্বাসী, মাঠের ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ঘটে যাওয়া অতীতকে ভুলিয়ে দেবেন। টাইগারদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স সতর্ক করে তুলেছে প্রোটিয়াদেরও।

এনপলিমার বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট সিরিজের মাসব্যাপী লড়াইয়ের মুখটা উন্মোচন হচ্ছে রোববার। এদিন দুই ম্যাচ টি-২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বেলা একটায় শুরু হবে ম্যাচটি। জিটিভি ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে।

সাত বছর পর বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ সফরে এসেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০০৮ সালে শেষবার বাংলাদেশে এসে সব ম্যাচই জিতেছিল প্রোটিয়ারা। ২০১১ ও ২০১৪ সালে তারা এসেছিল দুটি বিশ্বকাপ খেলতে। দুই দলের শেষ সাক্ষাৎ ২০১১ সালের বিশ্বকাপে, যেখানে ৭৮ রানে অলআউট হওয়ার লজ্জা সঙ্গী হয়েছিল টাইগারদের। তবে এবার আগের মতো একতরফা আধিপত্যের মঞ্চায়ন আশা করছে না দুই দলই। বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি ও কোচ হাথুরুসিংহে বলে দিয়েছেন, অতীত ইতিহাসে তারা চিন্তিত নন। মাশরাফি আত্মবিশ্বাসী, সর্বশেষ কয়েকটি সিরিজের মতোই প্রোটিয়াদের বিপক্ষে লড়বে তার দল।

শনিবার সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বলেন, “দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তি সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। তবে আমি মনে করি, যেহেতু আমরা টিম হিসেবে নামব, তাই আমাদের শক্তি সম্পর্কে আমাদের চিন্তা করাই ভালো। এদের সাথে খেলা সব সময় চ্যালেঞ্জিং, কারণ ওদের প্রতিটি বিভাগ বেশ স্ট্রং। কিন্তু আমরা আমাদের খেলা নিয়ে চিন্তা করছি। যেভাবে শেষ কয়েকটা সিরিজ খেলে এসেছি, সেই আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে ভালো খেলার চেষ্টা করব।”

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে দুটি টি-২০ ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। দুটি ম্যাচেই হেরেছিল বাংলাদেশ। একাদশে তিন পেসার হয়তো আর রোববার খেলাচ্ছে না বাংলাদেশ। মাশরাফির সঙ্গে নতুন বলে থাকবেন বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজ। প্রতিপক্ষের স্পিন দুর্বলতার কথা ভেবে একাদশে কয়েকজন স্পিনার থাকবেন। সে ক্ষেত্রে বোলিং অ্যাকশন শুধরে আসা সোহাগ গাজী একাদশে থাকতে পারেন। রুবেল, রনি তালুকদার ও জুবায়ের হোসেনেরই একাদশের বাইরে থাকার সম্ভাবনা বেশি।

ডেল স্টেইন, মরনে মরকেল না থাকায় দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় সারির বোলিং আক্রমণটার পরীক্ষাও হতে পারে বাংলাদেশের ফর্মে থাকা ব্যাটিং লাইনের সামনে। আবার ডি ভিলিয়ার্সদের মতো ব্যাটসম্যানদের সামনে পরীক্ষা দিতে হবে টাইগার বোলারদেরও। অলরাউন্ডার পারনেল বা ক্রিস মরিসের মধ্যে একজনকে বেছে নেবে প্রোটিয়ারা। স্পিনে লেগ স্পিনার এডি লেই ও বাঁহাতি অ্যারন ফাঙ্গিসোর মধ্যে একজন থাকবেন একাদশে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *