আবুল কাসেম হায়দার
মতামত

পোশাক শিল্পের কঠিন সময় ও উত্তরণ ভাবনা

আবুল কাসেম হায়দারআবুল কাসেম হায়দার

দেশের একমাত্র আকর্ষণীয় রফতানি খাত হচ্ছে  তৈরি পোশাক শিল্প । দুই দশক ধরে  এই খাত দেশের অর্থনীতিা বিকাশে বড় অবদান রেখে আসছে। শুধু মাত্র কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা  উপার্জন নয় , দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখছে তৈরি পোশাক শিল্পখাত। কিন্তু দেশের এ রফতানিমূখী খাত আজ বড় কঠিন সময় অতিক্রম করছে ।  একে একে অনেক ছোট ছোট তৈরি পোশাক শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে নতুন নতুন বেকার লোকের সংখ্যা বাড়ছে।

জোর কদমে হাঁটছে কাজলি। দৌড়ও দেবে কি-না ভাবছে। কারখানায় পৌঁছাতে আধা ঘণ্টা দেরি মানে সেদিনের জন্য তার ভাষায় ‘এবসেন’। কিন্তু ঈদের আগে ‘জান’ থাকতে কাজে কামাই দিতে রাজি নয় সে। এবার ঈদে বোনাসের সঙ্গে কিছু ধার-কর্জ করে হলেও বাবার হাতে কোরবানির টাকাটা তুলে দেয়ার ইচ্ছা তার। হাঁপিয়ে-লাফিয়ে কারখানার গেটে পৌঁছার আগেই সহকর্মীদের কোলাহল। গেটে ঝুলছে তালা। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ। চোখ বন্ধ করে বর্ষার কাদায় বসে পড়ল কাজলি। মিরপুরের ১১ নম্বরের ইমিকুইনিট গার্মেন্টের অপারেটর কাজলি অবশেষে কিছু পথ বাসে, বাকিটা সহকর্মীদের কাঁধে ভর দিয়ে নিজের বেতন আর কারখানা মালিকের শাস্তির দাবি নিয়ে বিজিএমইএ ভবনে। এ রকম শত কাজলির ভিড় এখন ওই ভবনে। বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম জানালেন, প্রতিদিন গড়ে অন্তত দুটি কারখানা বন্ধ হচ্ছে। আর শ্রমিকেরা বিচার চাইতে আসছেন বিজিএমইএতে।

বিজিএমইএর হিসাব মতে, রানা প্ল্লাজা ধসের পর গত ১৭ মাসে তাদের সদস্য এমন উদ্যোক্তাদের মধ্যে ঢাকায় ২১৮ এবং চট্টগ্রামে ৪০টি মিলে ২৫৮টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। সংগঠনের সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ আজিম বলেন, ছোটখাট আরও কারখানা বন্ধ হয়েছে, যেগুলোর মালিকরা বিজিএমইএর সঙ্গে যোগাযোগ করেনি বলে বন্ধের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি। বিকেএমইএ’র হিসাব অনুযায়ী, তাদের বন্ধ কারখানার সংখ্যা ১৯২। মোট এ ৪৫০টির বাইরে আরও অন্তত ২০০ কারখানা বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক-কর্মচারী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রনি। সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করা এসব কারখানার প্রতিনিধিত্বকারী কোনো সংগঠন নেই। যে কোনো মুহূর্তে বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে আরও অনেক কারখানা।

মূলত রানা প্লাজা ধস এবং তাজরীন ফ্যাশনে অগ্নিকান্ডের জের ধরেই সংকট বেড়েছে পোশাক খাতে। মাত্র পাঁচ মাসের ব্যবধানে বড় ধরনের ওই দুই দুর্ঘটনার পর শ্রম-পরিবেশের নিরাপত্তা প্রশ্নে পশ্চিমা সরকার এবং ক্রেতাদের চাপে ব্যাপক সংস্কার কাজ চলছে এখন। এতে অতিরিক্ত ব্যয় গুনতে হচ্ছে উদ্যোক্তাদের। উত্তর আমেরিকার ক্রেতা জোট অ্যালায়েন্সের হিসাব মতে, কারখানা প্রতি গড়ে সংস্কার ব্যয় ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা প্রায় ২ কোটি টাকা। গত ডিসেম্বরে ৭৭ শতাংশ হারে মজুরি বৃদ্ধিতেও চাপে পড়ে পোশাক খাত। তুসুকা ফ্যাশনসের এমডি আরশাদ জামান দীপু বলেন, বর্ধিত হারের মজুরির কারণে একটি সাধারণ মানের পোশাকের উৎপাদন খরচ বেড়েছে ৩৫ থেকে ৪০ সেন্ট। বাস্তবতা হচ্ছে, মাত্র ১০ সেন্ট কম দর পেলে ক্রেতারা রফতানি আদেশ বাতিল করে এক দেশ থেকে অন্য দেশে নিয়ে যায়। ১৭ শতাংশ হারে উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি গত দুই বছরে ইউরোপ- আমেরিকায় পোশাকের দর কমেছে ১৩ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং ৩ শতাংশ। এত কিছুর পরও রফতানি আদেশ এখন কম। চলতি বছরের মে পর্যন্ত প্রতি মাসেই আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি আদেশ কম পেয়েছে বাংলাদেশ।

বিজিএমইএর সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ আজিম বলেন, গত বছর রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সমুদ্রপথের পরিবর্তে বিমানে পণ্য পরিবহন, রফতানি আদেশ বাতিল, কম দরের শিকার হয়ে বিশাল আর্থিক ক্ষতির জেরেও অনেক কারখানা এখন বন্ধ হচ্ছে। ওই সময় বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়া ক্রেতাদের অনেকে আর বাংলাদেশে ফেরেনি। রফতানিকারক ব্যবসায়ীদের সংগঠন ইএবি’র সভাপতি আবদুুস সালাম মুর্শেদী বলেন, পোশাকশিল্পের যাত্রা শুরুর পর গত ৩০ বছরে এ রকম চতুর্মুখী চাপে কখনও পড়েনি পোশাক খাত। তিনি জানান, প্রতিকূলতার মুখে বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে আছে ছোট-মাঝারি মানের প্রায় দুই হাজার কারখানা।

শেয়ারড ভবনের কারখানাই বেশি বন্ধ হয়েছে :বিজিএমইএ’র বন্ধ কারখানার তালিকা বিশ্ল্লেষণে দেখা যায়, ২৫৮ বন্ধ কারখানার মধ্যে সর্বাধিক ১৩৪টি কারখানা বন্ধ হয়েছে শেয়ারড ভবনে (একই ভবনে পোশাক কারখানাসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক কিংবা আবাসিক ব্যবহার) থাকা সাবকন্ট্রাক্ট ক্যাটাগরির। শেয়ারড ভবনে থাকায় ওই সব কারখানায় রফতানি আদেশ দিচ্ছে না ক্রেতারা। নতুন মজুরি কাঠামোতে বেতন সংক্রান্ত শ্রম অসন্তোষে বন্ধ হয়েছে ৩০টি কারখানা। অ্যাকর্ড এবং অ্যালায়েন্সের পরিদর্শনে ভবনের কাঠামো ঝুঁকি বিবেচনায় বন্ধ হয়েছে ২৫টি কারখানা। এ ছাড়া কমপ্ল্লায়েন্স ব্যয় মেটাতে না পারা, কমপ্ল্লায়েন্স সংক্রান্ত কোনো ত্রুটি না থাকা সত্ত্বেও শুধু রফতানি আদেশ না থাকায় বাকি কারখানাগুলো বন্ধ হয়েছে। কাজের অভাবে এক গ্রুপের একাধিক কারখানাকে একীভূত করার ঘটনা আছে। রাজধানীর উপকণ্ঠে গড়ে ওঠা কারখানাগুলোই বেশি চাপে রয়েছে। ২৫৮টির মধ্যে ১৪৫টি কারখানাই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার।

বন্ধ হওয়া কয়েকটি কারখানার গল্প :দেড় বছর ধরে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছিল রাজধানীতে মধ্য বাড্ডার টিভলি অ্যাপারেলস। অবশেষে বন্ধ হয়ে গেছে ৫০০ লাইনের কারখানাটি। বেকার হওয়া ৫ হাজার শ্রমিকের জীবনে নেমে এসেছে হতাশা। টিভলি অ্যাপারেলসের এমডি ইকবাল হোসেন বলেন, জীবনে বড় কোনো অপরাধ ছিল বলেই মাশুল দিতে স্র্রষ্টা তাকে গার্মেন্টস ব্যবসায় নামিয়েছেন। কারাখানা বন্ধের কারণ ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, তার কারখানায় অর্ডার নেই। দিনের পর দিন লোকসান আর কত টানা যায়! শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে দিয়ে কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন। বন্ধ হয়ে যাওয়া সাভারের জামগড়া এলাকার সোনিয়া ফাইন নিট লিমিটেডের এমডি এনায়েত উদ্দীন কাওসার খান বলেন, তার কারখানা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি। তবে তিন মাস ধরে অনির্ধারিতভাবে বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকদের একটা বড় অংশকে সব পাওনা বুঝিয়ে দিয়েছেন। পরিস্থিতির কারণ ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, গত পাঁচ বছরে মুনাফা হয়নি। কিন্তু কয়েক মাস ধরে রফতানি আদেশ না থাকায় আর চালানো যাচ্ছে না।’ অ্যালায়েন্সের পরিদর্শনে গত ১৯ এপ্রিল বন্ধ হওয়া চট্টগ্রামের আরএসআই অ্যাপারেলসের এমডি অঞ্জন শেখর দাস বলেন, বর্তমান ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড হওয়ার আগেই নির্মিত হওয়ায় তার কারখানা ভবনের পিলার তুলনায় কিছুটা সরু ছিল। এ অভিযোগে তার কারখানা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অন্যত্র কারখানা স্থানান্তরের আগে কিছুদিন সময় চেয়েছেন তিনি। কিন্তু পর্যলোচনা কমিটি তাকে সে সময়টুকুও দেয়নি।

কথা রাখছে না ক্রেতারা :কর্মকর্তাদের কাজ বুঝিয়ে দেয়ার সময় নেট প্যাডে যুক্তরাজ্যের একটি বিখ্যাত ব্র্যান্ডের বার্তা পান এমবি নিটওয়্যারের মালিক মোহাম্মদ হাতেম। বার্তায় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, দুই দিন আগে রফতানি আদেশ দেয়া ডিজাইনের পণ্যটি তারা অন্য জায়গায় আরও কম দরে পাচ্ছেন। দর না কমালে এমবিএ’র সঙ্গে করা রফতানি চুক্তি বাতিল করবে তারা। ওই ক্রেতার নাম গোপন রাখার অনুরোধ জানিয়ে হাতেম বলেন, শেষ পর্যন্ত আগের চুক্তির থেকে কম দরে কাজটি নিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। এতে মুনাফা না হলেও কারখানা বন্ধ হওয়া ঠেকানো গেছে। বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, শেয়ারড বিল্ডিংয়ে থাকা কারখানায় রফতানি আদেশ দিচ্ছে না ক্রেতারা। অথচ সংস্কারের জন্য পাঁচ বছর সময় দিয়ে এ সময়ে বাংলাদেশ না ছাড়ার কথা দিয়েছিল তারা। রানা প্ল্লাজা ধসের পর সংস্কারের তাগিদ দিয়ে ক্রেতারা দর বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অথচ দর তো বাড়ায়ইনি, বরং কমিয়েছে। দর কষাকষি করে দুই এক সেন্টের জন্য অন্য দেশে কাজ নিয়ে যাচ্ছে তারা।

তবুও আশাবাদ :বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ইমেজ উন্নয়নে দেশে-বিদেশে কাজ করছেন ব্র্যান্ড ফোরামের এমডি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার। পোশাক খাতের পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, কোনো সন্দেহ নেই এ মুহূর্তে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে পোশাক খাত। তবে হতাশার কিছু নেই। অনেক দুর্বলতার মধ্যেও বাংলাদেশ সক্ষমতা দেখিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ মিলে এ খাতকে আরও বহুদূর নিয়ে যাওয়া সম্ভব। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডি’র অতিরিক্ত পরিচালক খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, খোয়া যাওয়া ইমেজ পুনরুদ্ধারই পোশাক খাতের এ মুহূর্তের বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের পরিস্থিতির দিকে এখন সারা বিশ্বের নজর রয়েছে। সুতরাং, ব্যাপক যে সংস্কার প্রক্রিয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তা পর্যায়ক্রমে শেষ করতে হবে। আর সরকারকেই এর ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে। বিজিএমইএকে শতভাগ করপোরেট মনোভাব নিয়েই এগোতে হবে।
এখন  আমাদের জরুরি করণীয়:

১. সরকারকে তৈরি  পোশাক শিল্পের জন্য স্থায়ী ও দীর্ঘ মেয়াদি  পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।  সমস্যা সমূহ প্রায় চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে।  এখন প্রয়োজন  সমস্যা সমূহের সমাধানের দিকে অগ্রসর হওয়া।  বিজেএমইএ তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য  যথেষ্ট ভূমিকা রাখার চেষ্টা  করছে। সরকার ও বিজেএমইএ  যৌথ পরিকল্পনায় অনেক গুলি সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে।

২. তৈরি পোশাক শিল্পের স্থায়ী পল্ল্লী তৈরীর কাজ আরও দ্রুততার সঙ্গে করতে হবে। শহরে যে সব তৈরি পোশাক কারখানা রয়েছে  তা দ্রুত স্থায়ী  শিল্পাঞ্চলে  সরিয়ে নিতে হবে। এ জন্য সরকারি সহযোগিতার হাত  আরও বেশি বাড়াতে হবে।

৩. তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য  শুধু নয়, সব শিল্প- বাণিজ্যে বিনিয়োগে ব্যাংকের সুদের হার  অবশ্যই ৯ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনতে হবে। সুদ ও ব্যাংকের অন্যান্য উচ্চ হারে চার্জ সমূহ বিনিয়োগকারীগণকে দিশেহারা করে  ফেলেছে।

৪. সরকার এরই মধ্যে একটি বিশেষ বিনিয়োগ ফান্ড  গঠন করার  উদ্যোগ নেয়ার  আলোচনা করছে। সে ফান্ড থেকে বিনিয়োগকারীগণ  ৪ থেকে ৬ শতাংশ হারে ঋণ নিতে পারবে।  তা হলে তৈরি পোশাক শিল্পসহ অন্যান্য শিল্পপণ্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সহায়ক হবে।

৫.ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়মের হাতকে থামাতে হবে। দুর্নীতিকে অবশ্যই না বলতে হবে। দুর্নীতির লাগামকে  টেনে ধরতে হবে।  এখন ঘুষ, দুর্নীতি মানুষের অভ্যাসের সঙ্গে মিশে গিছে। ঘুষ, দুর্নীতির কারণে উৎপাদিত পণ্যের খরচ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই বিষয়টি অতি জরুরি হয়ে পড়েছে।

৬. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য খুবই প্রয়োজন। হরতাল, অবরোধসহ  অর্থর্নীতির জন্য  ক্ষতিকারক সব ধরনের  কর্মকা- সবাইকে পরিহার  করতে হবে। সরকারকে বিরোধী রাজনৈতিক দল সমূহের সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে  রাজনৈতিক সমস্যা  দ্রুত সমাধানের জন্য এগিয়ে আসতে হবে। বিদেশি ক্রেতাদের কাছে আমাদের ‘ইমেজ’ আরও সুন্দর করার জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা খুবই জরুরি।

৭.মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সব বিদেশি  রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করতে হবে। জিএসপি সুবিধা স্থগিতের কারণে আজ দেশে তৈরি পোশাক শিল্প ইমেজ সংকটে পড়েছে। যে কোনো মূল্যে জিএসপি সুবিধা আমাদের পুনরুদ্ধার করতে হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, জাপান প্রভৃতি দেশে  তৈরি পোশাকের ইমেজ  সংকট কাটিয়ে উঠতে হবে।

লেখক: সাবেক সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই,  বিজিএমইএ, বিটিএমইএ

E- Mail: aqhaider@youthgroupbd.com

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *