প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন নির্বাচন পাঁচ বছর পর হবে
জাতীয়

‘নির্বাচন পাঁচ বছর পর হবে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন নির্বাচন পাঁচ বছর পর হবেপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “নির্বাচন অনুষ্ঠানে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা তো থাকেই। একটা নির্বাচনের পর আরেকটা নির্বাচন আসে এটাই স্বাভাবিক। একটা নির্বাচনের পর চাইলে যেকোনো সময়ও নির্বাচন করা যায়। তবে সাংবিধানিকভাবে  মেয়াদ পাঁচ বছর।  পরের নির্বাচন সময়মতোই হবে। আমি সেটাই বুঝিয়েছিলাম। এখন সেটা নিয়ে যে যার মতো বুঝতে পারে। আমি তো বুঝিয়ে দিতে পারব না।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই নির্বাচনে বিএনপিকে আনতে সব রকম চেষ্টাই করেছি আমি। সংলাপের আহ্বান জানিয়েছি। ফোন দিয়েছি। কিন্তু তারা আসল না, বরং ঘোষণা দিল নির্বাচন প্রতিরোধের। ৫ জানুয়ারি নির্বাচন না হলে কী হতো! ১/১১ এর ধাক্কা তো এর আগে সমলাতে হয়েছে। সে কথা আপনাদের সবার মনে আছে।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “জনগণ ভোট দিয়ে পাঁচ বছরের জন্য সরকার নির্বাচন করে। এর আগে কোনো সরকারই পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকেনি। ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচ বছর ক্ষমতায় থেকে আমরাই প্রথম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলাম।”
প্রধানমন্ত্রীর জীবনের নিরাপত্তা বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নে শেখ হাসিনা বলেন, জীবন যিনি দেন- তিনিই জীবন নেন। আমার জীবন কখন যাবে, সেটা আল্লাহ জানেন। আমি মৃত্যু নিয়ে কখনই উদ্বিগ্ন থাকি না। জন্মিলে মরতে হবে।তিনি বলেন, আমাকে তো বহুবার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছ। আমার চোখের সামনে গুলি হতে বহুবার দেখিছি। বহুবার বোমাবাজি দেখেছি। চট্টগ্রামে ট্রাকে গুলি করা হয়েছে। একবার আমার মাথার ওপর দিয়ে গুলি চলে গেছে। একবার ইশ্বরদী যাওয়ার পথে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করা হয়েছে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ৩ বার গুলি করা হয়েছে। কাজেই আমার নিরাপত্তা নিয়ে আমি কখনই উদ্বিগ্ন থাকি না।

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির দন্ড নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্বেগের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্গনের বিচার হচ্ছে। আমি ইউরোপীয় ইউনিয়নকে প্রশ্ন করি- যখন গাজায় নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে, তখন কি মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়নি? সে সময়তো আপনাদের উদ্বেগ দেখিনি। উদ্বেগ হয় তখন যখন মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের বিচার হয়।

শেখ হাসিনা দৃঢ় কণ্ঠ বলেন, আমার দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। আমার দেশের আইন অনুযায়ী মানবাধিকার লঙ্গনকারীদের বিচার হবে।

যে কোন সময় নির্বাচন দেয়ার ক্ষমতা সরকারের থাকে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করে তবেই আমার ছুটি। বৃহস্পতিবার বিকেলে সদ্য সমাপ্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) সরকারি সফরের ওপর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
শেখ হাসিনা ২৫ থেকে ২৭ অক্টোবর ইউএইর ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের প্রশাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাখদুমের আমন্ত্রণে আমিরাত সফর করেন।
শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *