প্রশাসন ও শিক্ষা ক্ষেত্রে নারীদের দৃশ্যমান অগ্রগতি
জাতীয়

প্রশাসন ও শিক্ষা ক্ষেত্রে নারীদের দৃশ্যমান অগ্রগতি

সরকারি চাকরি ও প্রশাসন
সরকারি চাকরিতে নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ২০১০ সালে ছিল ২ লাখ ২৭ হাজার ১১৪ জন। ২০১৬ সালে বেড়ে হয়েছে ৩ লাখ ৬২ হাজার ২০৬ জন। অর্ধ-দশকে নারীকর্মীর সংখ্যা বেড়েছে এক লাখ ৩৫ হাজার ৯২ জন। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার সংখ্যা ২৭ হাজার ৪৬০ জন। দ্বিতীয় শ্রেণীর ৪০ হাজার ৬৪০, তৃতীয় শ্রেণীর পদে কর্মরত দুই লাখ ৪৫ হাজার ৮৬২ জন। এছাড়া চতুর্থ শ্রেণীর পদে কাজ করছেন ৪৮ হাজার ২৪৪ জন নারী। দেশে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা আছেন ৫ হাজার ৬৯৮ জনের মধ্যে ১ হাজার ২৭৭ জনই নারী।

বর্তমানে দেশের ১১৩ জন নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। কর্মরত ইউএনওদের মধ্যে এই সংখ্যা প্রায় ২৫ শতাংশ। এছাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে কর্মরত রয়েছেন আরও ১০৬ জন নারী কর্মকর্তা।

মোট সচিবের ১৩ শতাংশ নারী
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সচিব ও সমপর্যায়ের ৭৭টি পদে ১০ জন নারী রয়েছেন। অর্থাৎ মোট সচিবের ১৩ শতাংশ নারী। তারা হলেন-
১. মহিলা ও শিশুবিষয়ক সচিব নাছিমা বেগম,
২. সরকারি কর্ম-কমিশনের সচিব আখতারী মমতাজ,
৩. পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য জোয়েনা আজিজ,
৪. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মাফরুহা সুলতানা,
৫. বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম,
৬. বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বেগম সাহিন আহমেদ চৌধুরী,
৭. প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব ড. নমিতা হালদার,
৮. শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব আফরোজা খান, পরিকল্পনা কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সদস্য শামীমা নার্গিস,
৯. পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক নাসরিন আক্তার এবং
১০. সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের দায়িত্বে রয়েছেন অতিরিক্ত সচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম।

৬ জেলার প্রশাসন পরিচালনা
৬ জেলার প্রশাসন পরিচালনা করছেন নারীরা। তারা হলেন-
১. উম্মে সালমা তানজিয়া (ফরিদপুর),
২. সায়লা ফারজানা (মুন্সীগঞ্জ),
৩. কামরুন্নাহার সিদ্দিকী (সিরাজগঞ্জ),
৪. শাহীনা খাতুন (নাটোর),
৫. সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন (নরসিংদী) ও
৬. সুলতানা পারভীন (কুড়িগ্রাম)।

শিক্ষা
প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫০ দশমিক ৫৪ শতাংশই নারী।

বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর(ব্যানবেইস) তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে প্রাথমিকে মোট ছাত্রছাত্রীর মধ্যে প্রায় ৫১ শতাংশ ছাত্রী। মাধ্যমিকে মোট শিক্ষার্থীর ৫৪ শতাংশের বেশি ছাত্রী। এইচএসসি পর্যায়ে নারী-পুরুষের সমতা প্রায় প্রতিষ্ঠার পথে। ওই স্তরে ছাত্রীর অংশগ্রহণের হার ৪৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

পিইসিতে মোট অংশগ্রহণকারী ছাত্রীর মধ্যে ৯৫ দশমিক ৪০ শতাংশই উত্তীর্ণ হয়েছে। সেখানে ছাত্রীদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪৭০৬১ জন। অপরদিকে জেএসসি-জেডিসিতে ছাত্রীদের মধ্যে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *