গ্রেফতারকৃতরা তরুণীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে

মাইক্রোবাসে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া আশরাফ খান তুষার ও চালক জাহিদুল ইসলাম লাভলু প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করছেন।

মাইক্রোবাসে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া আশরাফ খান তুষার ও চালক জাহিদুল ইসলাম লাভলু প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করছেন।র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ বলেছেন, “রাজধানীতে চলন্ত মাইক্রোবাসে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া আশরাফ খান তুষার ও চালক জাহিদুল ইসলাম লাভলু প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করছেন। ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী তুষার।”

বুধবার বেলা ১২টায় রাজধানীর উত্তরায় র‌্যাব সদর দফতরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

মুফতি মাহমুদ বলেন, “গত মঙ্গলবার রাতে কুয়াকাটা ও ঢাকার গুলশান থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় ঘটনার সময় মাইক্রোবাসে দুইজনই ছিল। গত ১৮ মে থেকেই এ ঘটনার পরিকল্পনা তারা করছিল। মামলার তদন্ত শেষে এ বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে।”

গত বৃহস্পতিবার রাতে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে কুড়িল বিশ্বরোড থেকে ওই তরুণীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর রাজধানীর তিনটি থানায় ঘোরার পর অবশেষে শুক্রবার ভাটারা থানা মামলা নেয়।

থানা পুলিশের পাশাপাশি মামলার তদন্তে সহায়তা করছিলো গোয়েন্দা পুলিশও। একই সময় ছায়া তদন্তে নামে র‌্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় এই দু’জনকে আটক করা হয়।

র‌্যাব কর্মকর্তা মুফতি মাহমুদ বলেন, “আটককৃত তুষার এবং জাহিদুল ইসলাম লাভলু এই দু’জনই নির্যাতনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা আমাদেরকে অবগত করেছে। এই ঘটনার মূলত শুরু হয় ১৭ তারিখে যমুনা ফিউচার পার্কে। তুষারের সঙ্গে সেখানে ওই তরুণীর পরিচয় হয়। মেয়েটিকে ওখান থেকে নিয়ে ফ্লাইওভার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ঘুরাঘুরির এক পর্যায়ে তুষার প্রথমে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। পরে লাভলুও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং এক সময় রাত ১১টার দিকে তাকে জসীমউদ্দিন রোডের ওইখানে ফেলে যায়।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *