ক্রিকেট ক্যারিয়ার থেকে বিদায়: ধন্যবাদ, সাঙ্গাকারা
খেলা

ক্রিকেট ক্যারিয়ার থেকে বিদায়: ধন্যবাদ, সাঙ্গাকারা

ক্রিকেট ক্যারিয়ার থেকে বিদায়: ধন্যবাদ, সাঙ্গাকারাকারও চোখ সজল। কারও হাতে প্লাকার্ডে লেখা- ‘তুমি চিরদিন আমাদের হৃদয়ে থাকবে’ ও ‘ধন্যবাদ, সাঙ্গাকারা’। কাল কলম্বোর পিসারা ওভালের অপরাহ্ন আরও বিষণ্ণ হয়ে উঠল একজনের জন্য। কুমার সাঙ্গাকারা দেড় দশকের বর্ণিল ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন বন্ধু, সতীর্থ, প্রতিপক্ষ, স্বজন ও সুহৃদ পরিবেষ্টিত হয়ে।

যাওয়ারবেলা যা হয় সবার ক্ষেত্রে, সাঙ্গাও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। প্রত্যেককে আলাদা আলাদা করে ধন্যবাদ জানালেন। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন একেবারে স্কুলের শিক্ষক থেকে শুরু করে মা-বাবাকে। অতীতের প্রত্যেক অধিনায়ককে। বিরাট কোহলিকে। মনোহর কোনো স্বপ্ন দেখার পর ঘুম থেকে উঠে যেমন ভালোলাগার আবেশে মনটা ভরে থাকে, সাঙ্গার কি সেরকম অনুভূতি হয়েছিল কাল? কিংবা কোনো প্রিয় খেলনা নিয়ে অনেকক্ষণ খেলার পর সেটি ভেঙে গেলে যেমন কষ্ট হয়, সেরকম কষ্ট কি হানা দিয়েছিল ওই মুহূর্তে? একবার বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। আর্দ্র হয়ে ওঠে তার চোখ। সেই সময়টা স্মৃতি ভিড় করার।

খুবই গুছিয়ে প্রাঞ্জল ভাষায় তার জীবনের সঙ্গে জড়ানো প্রত্যেককে তার প্রাপ্য মর্যাদা দিলেন। দিন শেষে এক সুখী মানুষের প্রতিচ্ছবি হয়ে ছড়িয়ে পড়লেন কলম্বো থেকে ক্যান্ডিতে। শ্রীলংকার ঘরে-ঘরে।

সাঙ্গাকারা কি শুধু দিয়ে গেলেন? নিয়েও তো গেলেন অনেক কিছু। সবচেয়ে বড় সম্পদ মানুষের ভালোবাসা। একটা চমৎকার পরিবার পেয়েছিলেন। ক্যান্ডিতে চার দেয়ালের মায়ার চেষ্টনীতে তার ‘আম্মা’ (মা) ও ‘আপাচচি’ (বাবা) তাকে স্নেহের বাঁধনে জড়িয়ে রেখেছিলেন।

সাঙ্গাকারার বিদায়ী ভাষণ

শ্রীলংকার মাননীয় প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সব শুভাকাক্সক্ষী ও আমন্ত্রিত অতিথি, সমর্থক, আমার সব বন্ধু, আমার পরিবার, বিরাট কোহলি ও ভারতীয় দল, অ্যাঞ্জেলো ও আমার দল- সবাইকেই ধন্যবাদ জানাই। শুরু করব আমার ক্রিকেট স্কুল ক্যান্ডির ট্রিনিটি কলেজ দিয়ে। ট্রিনিটি কলেজই আমাকে জীবনের এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ভিতটা সেখানেই তৈরি হয়েছিল। এরপর ধন্যবাদ জানাব আমার কোচদের। শৈশবে আমার বাবা আমাকে অনেক কোচের কাছেই নিয়ে গেছেন। এখানে উপস্থিত আছেন সুনীল ফার্নান্দেজ। তার কাছেই আমার ক্রিকেটে হাতেখড়ি। এছাড়া আছেন উইজিসিংহে, যার বয়স এখন ৯০ বছর।
আমার জন্য তিনি ছিলেন অনেক বড় অনুপ্রেরণা। এরপর ধন্যবাদ জানাব আমার সব অধিনায়ক ও সব সতীর্থকে। যাদের সমর্থন, পরামর্শ ও অনুপ্রেরণায় এতদূর আসতে পেরেছি আমি।

ড্রেসিংরুমের প্রতিটি মুহূর্ত মিস করব। ধন্যবাদ জানাব চার্লি ও সুধামি অস্টিনকে। তোমরা ম্যানেজারের চেয়েও অনেক বেশি কিছু করেছ আমার জন্য। অনেকেই আমার কাছে জানতে চায় কোথা থেকে আমি সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা পাই। আমি সব সময়ই বলি, উদ্দীপনা খুঁজতে খুব বেশিদূর যাওয়ার দরকার হয় না আমার। নিজের বাড়িতেই সেটা পাই। এমন বাবা-মা থাকতে বাইরে যাওয়া লাগে না। তারাই আমার সবচেয়ে বড় প্রেরণা। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা-মা’র সন্তান আমি। এর সঙ্গে যোগ করব আমার ভাই-বোনদের। আমি ধন্য যে তোমাদের সন্তান হয়ে জন্মাতে পেরেছি। সব সময়ই তোমরা আমার পাশে থেকেছ। ক্রিকেট খেলি বা না খেলি, ভালো করি বা না করি, একটি জায়গাতেই আমি নিরাপদবোধ করতাম। সেটা আমার বাড়ি। ধন্যবাদ মা, ধন্যবাদ বাবা। আমি দুঃখিত যে আবেগতাড়িত হয়ে গেছি। তবে এভাবে সব সময় তো আর হই না। এটা খুবই দুর্লভ মুহূর্ত যে, আমার বাবা-মা এখানে উপস্থিত আছেন।

ক্রিকেট ক্যারিয়ারে আমার অর্জন সম্পর্কে জানতে চান অনেকেই। অর্জন তো অনেক। একটি বিশ্বকাপ জিতেছি, বেশ কিছু সেঞ্চুরি করেছি। কিন্তু আজ এই মাঠে আমাকে বিদায় জানাতে আসা মানুষগুলোকে দেখে মনে হচ্ছে তাদের ভালোবাসাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। ধন্যবাদ জানাব বিরাট ও ভারতীয় দলকে। বছরের পর বছর তোমরাই আমাদের সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ। এই ম্যাচেটা হয়তো আমরা হেরেছি। তাতে কিছু যায় আসে না। পরের ম্যাচেই জেতার জন্য ঝাঁপাবে শ্রীলংকা। সর্বশেষ অ্যাঞ্জেলো ও আমার সতীর্থদের নিয়ে। অ্যাঞ্জেলো তুমি ভাগ্যবান যে চমৎকার একটি দল রয়েছে তোমার হাতে। আশা করি, শ্রীলংকার পতাকা সব সময় ঊর্ধ্বে তুলে রাখবে তুমি।

বৃটেনে শ্রীলংকান হাইকমিশনার হওয়ার প্রস্তাব

দীর্ঘ ১৫ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ার থেকে বিদায় নেয়ার দিনই বৃটেনে শ্রীলংকান হাইকমিশনার হওয়ার প্রস্তাব পেলেন গ্রেট কুমার সাঙ্গাকারা।

ভক্ত, সমর্থক এবং শুভাকাংখীদের ভালোবাসায় সিক্ত সাঙ্গাকারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের আনুষ্ঠানিক ইতি টানেন সোমবার। তারকা এ ব্যাটসম্যানকে বিদায় জানাতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন শ্রীলংকার রাষ্ট্রপতি মাইথ্রিপালা সিরিসেনা । ম্যাচ শেষে সাঙ্গাকারার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে তাকে যুক্তরাজ্যে শ্রীলংকার হাইকমিশনারের পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রপতি সিরিসেনা।

দ্বিতীয় টেস্টে ভারত জয়ী হয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতা আনার পর সাঙ্গাকারার বিদায় উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে এ প্রস্তাব দেন সিরিসেনা। তিনি বলেন, “আমাদের দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এক মুখ সাঙ্গা। এই বিদায়বেলায় যুক্তরাজ্যের শ্রীলংকান হাইকমিশনার হওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছি তাকে।”

প্রবল উৎসাহ নিয়ে সিরিসেনার এই প্রস্তাবটির শুনতে পাবার পর পি. সারা ওভালের হাজার হাজার দর্শক স্টেডিয়ামটিকে চিৎকারে মুখর করে তুলেন। তখন নিজেও বেশ অবাক হয়ে উঠেন সাঙ্গা।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের পর সাঙ্গাকারার বিদায়ী ভাষণের এক পর্বের আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে সাবেক খেলোয়াড়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন “৯৬ বিশ্বকাপের বিজয়ী শ্রীলংকার অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গা, ভারতের সাবেক অধিনায়ক সুনীল গাভাস্কার। রানাতুঙ্গা কোনো ভাষ্য না দিলেও, সাঙ্গাকারার প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে গাভাস্কার বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে তোমার খেলা দেখতে পারাটা আমাদের জন্য বিশেষ আনন্দায়ক ছিলো। তোমার ভবিষ্যতের জন্য শুভ কামনা রইল। আর তোমাকে সাবেক খেলোয়াড়দের ক্লাবে প্রবেশ করার জন্য স্বাগত জানাচ্ছি।”

এরপর সাঙ্গাকারার হাতে টিম ইন্ডিয়ার খেলোয়াড়দের স্বাক্ষর করা জার্সি তুলে দেন ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এই জার্সি পেয়ে সাঙ্গাকারা বলেন, “আমি বিরাট ও তার দলকে ধন্যবাদ
জানাচ্ছি। প্রথম দুই টেস্টে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলার জন্য তাদের ধন্যবাদ। এই টেস্টে হেরেছি, তবে এটা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। কারণ দারুণ এক ম্যাচ হয়েছে এখানে।”

সাঙ্গার মতো ক্রিকেটারকে কাছে পাওয়া সৌভাগ্য

বিদায়ী টেস্ট ম্যাচে সাঙ্গাকারাকে নিজে হাতে চিঠি লিখে উপহার দিলেন কোহলি। চিঠিতে তিনি লিখেছেন যে, সাঙ্গার মতো এক জন প্রবাদপ্রতিম ব্যাটসম্যানের সঙ্গে খেলতে পারাটা তার সৌভাগ্য।

সাঙ্গাকারাকে লেখা কোহলির চিঠি

প্রিয় সাঙ্গা,
“এক জন ব্যক্তি হিসাবে তোমাকে জানতে পারাটা খুবই আনন্দের। তোমার ক্রিকেটীয় প্রতিভা ব্যাখ্যা করার মতো কোনো ভাষা আমার কাছে নেই। অনেক মানুষকেই তুমি উৎসাহিত করেছ। তাদের রাস্তা দেখিয়েছ। এই যুগে দাঁড়িয়ে তোমার মতো এক জন প্রবাদপ্রতিম ব্যাটসম্যানের সঙ্গে খেলতে পেরে আমি ধন্য। ঈশ্বর তোমাকে ও তোমার পরিবারকে ভালো রাখুন। জীবনের আগামী দিনগুলি আরও ভালো কাটুক এই কামনাই করি।”

একটি পোস্টকার্ডে সাঙ্গাকারার সঙ্গে বিরাটের ছবি সমেত লেখাটি টুইটারে পোস্ট করে বিসিসিআই।

সাঙ্গাকারার যত রেকর্ড

কলম্বো টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন শ্রীলংকার অন্যতম সেরা খেলোয়াড় কুমার সাঙ্গাকারা। ইতি টানলেন ১৫ বছরের বর্ণাঢ্য ক্রিকেট ক্যারিয়ারের। ১৫ বছরে অনেক কিছুই অর্জন করেছেন এই বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান। ২০০০ সালের ৫ জুলাই গলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে দিয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামেন সাঙ্গাকারা। প্রথম ম্যাচে ৩৫ রান করেন তিনি। ওয়ানডে অভিষেকের ১৫ দিন পর টেস্ট অভিষেক হয় সাঙ্গাকারার। ২০ জুলাই গলেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট খেলতে নামেন সাঙ্গা। প্রথম টেস্ট ইনিংসে ২৩ রান করেন এ বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান। ওয়ানডেতে প্রথম শতক পেতে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয় সাঙ্গাকারাকে। অভিষেকের ৭৯ ইনিংস পর প্রথম তিন অংক স্পর্শ করেন তিনি। ২০০৩ সালে শারজায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ১১১ বলে ১০০ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন সাঙ্গাকারা।

ওয়ানডের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হলেও টেস্ট সেঞ্চুরি পেতে খুব বেশি প্রহর গুনতে হয়নি তাকে। অভিষেকের ১৭তম ইনিংসেই সেঞ্চুরি পান তিনি। ২০০১ সালের ১৪ আগস্ট গল টেস্টে ভারতের বিপক্ষে ২২৬ বলে অপরাজিত ১০৫ রান করেন। গত বিশ্বকাপে ওয়ানডে ক্রিকেট বিদায় জানান সাঙ্গাকারা। ১৫ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ৪০৪ ম্যাচে ১৪,২৩৪ রান করেন তিনি। গড় ৪১.৯৮। সেঞ্চুরি ২৫টি। হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে ৯৩টি। সর্বোচ্চ স্কোর ১৬৯।

ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রান ভারতের শচীন টেন্ডুলকারের। ৪৬৩ ম্যাচে ১৮,৪২৬ রান করেছেন টেন্ডুলকার। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সাঙ্গাকারা। হাফ সেঞ্চুরির দিক দিয়েও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সাঙ্গা। সর্বোচ্চ ৯৬টি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন টেন্ডুলকার। ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও টেস্টে সাঙ্গাকারার অবস্থান পাঁচ নম্বরে। ১৩৪ ম্যাচে ১২,৪০০ রান করেছেন তিনি। গড় ৫৭.৪০। সেঞ্চুরি ৩৮টি। হাফ সেঞ্চুরি ৫২টি। সর্বোচ্চ স্কোর ৩১৯।

ওয়ানডেতে না পারলেও টেস্ট ক্যারিয়ারে ১১ ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন সাঙ্গা। রেকর্ড বইয়ে তার নামটা ঝলঝল করছে। কারণ সবচেয়ে বেশি ডাবল সেঞ্চুরি করার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন তিনি। প্রথম স্থানে অস্ট্রেলিয়ার স্যার ডন ব্র্যাডম্যান। তার ডাবল সেঞ্চুরি ১২টি। ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করার দিক দিয়ে একটি রেকর্ডের একক মালিক সাঙ্গাকারা। বিশ্বের একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে টানা চার ওয়ানডে ম্যাচে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এই রেকর্ডটি সম্প্রতি করেছেন সাঙ্গা। গত বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে রেকর্ড গড়েন সাঙ্গা। জুটিতে রেকর্ডের পাতায় সবার উপরে রয়েছে সাঙ্গাকারার নাম। টেস্টে যে কোনো উইকেট জুটিতে বন্ধু মাহেলা জয়াবর্ধনেকে নিয়ে সর্বোচ্চ রান করেছেন সাঙ্গাকারা। ২০০৬ সালে কলম্বোয় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তৃতীয় উইকেটে ৬২৪ রান করেছিলেন সাঙ্গা ও জয়া।

টি ২০তেও পারদর্শী ছিলেন সাঙ্গাকারা। গত টি ২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে ৩৫ বলে ৫২ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলে প্রথমবারের মতো লংকানদের শিরোপা জেতান সাঙ্গাকারা। ২০০৬ সালে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে অভিষেকের পর ৫৬ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। আটটি হাফ সেঞ্চুরিতে ১,৩৮২ রান করেছেন। গড় ৩১.৪০।

উইকেটরক্ষক হিসেবেও তার সাফল্য কম নয়। সুনামটা বেশি ওয়ানডেতেই। রেকর্ড বইয়ে সবার উপরেই আছেন সাঙ্গা। ৪০৪ ম্যাচের ৩৫৩ ইনিংসে ৪৮২টি ডিসমিসাল রয়েছে তার। ৩৮৩টি ক্যাচ ও ৯৯টি স্টাম্পিং করেছেন তিনি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা অ্যাডাম গিলক্রিস্টের ডিসমিসাল ২৮৭ ম্যাচে ৪৭২টি। উইকেটরক্ষক হিসেবে ক্যাচ ধরার ক্ষেত্রে তৃতীয় স্থানে থাকলেও স্টাম্পিং করার ক্ষেত্রে সবার উপরে সাঙ্গা। আর ১৩৪ টেস্টে ১৫১টি ডিসমিসাল রয়েছে তার। এর মধ্যে ক্যাচ ১৩১টি ও স্টাম্পিং ২০টি। টি ২০ ফরম্যাটে ডিসমিসালের ক্ষেত্রে সাঙ্গাকারার অবস্থান তৃতীয়। ৫৬ ম্যাচে মোট ৪৫টি ডিসমিসাল করেছেন তিনি। এর মধ্যে ২৫টি ক্যাচ ও ২০টি স্টাম্পিং।

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *