তিন সিটি নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ৩,৭০৪ পর্যবেক্ষক

দেশের তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য তিন হাজার ৭০৪ জন স্থানীয় ও বিদেশী পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

দেশের তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য তিন হাজার ৭০৪ জন স্থানীয় ও বিদেশী পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।দেশের তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য তিন হাজার ৭০৪ জন স্থানীয় ও বিদেশী পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৫টি পর্যবেক্ষণ সংস্থার ১৩৩০ জন, ঢাকা দক্ষিণে ১৭টি সংস্থার ১৪৪৫ জন ও চট্টগ্রামে সাতটি সংস্থার ৮৯৬ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ১৮ জন, ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশনের ১০ জন এবং জাপান দূতাবাসের পাঁচজন পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ও সংশ্লিষ্ট আইন মেনে তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের তাদের পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার ইসির জনসংযোগ শাখা থেকে সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি রিটার্নিং অফিসারদের বরাবর পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, পর্যবেক্ষক সংস্থাসমূহ প্রতি দলে অনধিক পাঁচজন করে দল গঠন করে ভ্রাম্যমাণ পর্যবেক্ষক হিসেবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। তবে কেন্দ্রে বা বুথে স্থায়ীভাবে কোনো পর্যবেক্ষক অবস্থান করতে পারবে না। সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে স্বল্প সময়ের জন্য বুথে প্রবেশ করতে পারবে।

ভোটের দিনের অন্তত এক সপ্তাহ আগে অনুমোদিত পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোকে প্রত্যেক পর্যবেক্ষকের তথ্য পর্যবেক্ষক নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ফরমে লিখে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে। সঙ্গে দিতে হবে এসএসসি পাসের সার্টিফিকেট এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
পর্যবেক্ষকদের কাছ থেকে পাওয়া এসব আবেদন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই করে সংস্থাভিত্তিক বৈধ পর্যবেক্ষকদের তালিকা তৈরি করবেন রিটার্নিং অফিসার। এসব পর্যবেক্ষকদের বিষয়ে কারো কোনো আপত্তি না থাকলে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত পরিচয়পত্র পাবেন তাঁরা।

তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য একই ধরনের পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়েছে। এ জন্য পরিচয়পত্রের ওপর সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের নাম লেখা সিলমোহর দিতে হবে।

এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষক লেখা স্টিকারযুক্ত গাড়িতে পর্যবেক্ষক ছাড়া অন্য কেউ ভ্রমণ করতে পারবেন না বলেও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

কাল রোববার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ওই বৈঠকেই তিন সিটির নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *