‘সিটি নির্বাচনে টহল দেবে না সেনাবাহিনী’

নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ জানিয়েছেন ঢাকা-চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে সেনাবাহিনী ক্যান্টনমেন্টে প্রস্তুত থাকবে।

নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ জানিয়েছেন ঢাকা-চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে সেনাবাহিনী ক্যান্টনমেন্টে প্রস্তুত থাকবে। নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ জানিয়েছেন ঢাকা-চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে সেনাবাহিনী ক্যান্টনমেন্টে প্রস্তুত থাকবে। তাদের সাথে সার্বক্ষণিক ম্যাজিস্ট্রেট অবস্থান করবেন। তবে তারা মাঠে টহল দেবে না। রিটার্নিং অফিসারের যখনই ডাকবে তখনই তারা সাড়া দেবেন।

বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।

শাহ নেওয়াজ বলেন, নিয়োগকৃত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহল দেবে। এছাড়া সেনাবাহিনীকে রিজার্ভ হিসেবে রাখা হবে। তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

তিনি বলেন, আগের নির্বাচনগুলোর চেয়ে বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাই সেনাবাহিনীর আলাদাভাবে টহল দেওয়ার আপাতত প্রয়োজন দেখছি না। যদি প্রয়োজন হয় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের মোতায়েন করা হবে।

এর আগে গত মঙ্গলবার আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়নের জন্য তিন ব্যাটালিয়ন সেনা সদস্য চেয়ে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকে চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

চিঠিতে বলা হয়, “প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনী এলাকায় এক ব্যাটালিয়ন সেনা সদস্য ২৬-২৯ এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। তারা মুলত স্টাইকিং ফোর্স ও রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। রিটার্নিং অফিসারের ডাকে পরিস্থিতি মোকাবেলা করবেন।”

পরে বুধবার সেনা মোতায়েন নিয়ে আগের দিনের চিঠি পাল্টে নতুন একটি চিঠি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে পাঠায় নির্বাচন কমিশন।

নতুন চিঠিতে বলা হয়, “তারা (সেনাবাহিনী) মূলত সেনানিবাসের অভ্যন্তরে রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে অবস্থান করবেন এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুরোধে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে তারা পরিস্থিতি মোকাবেলা করবে।”

এই দুই চিঠির বিষয়ে ব্যাখায় শাহ নেওয়াজ বলেন, সেনাবাহিনী কোথায় থাকবে; সে বিষয়টি প্রথম চিঠিতে উল্লেখ করা হয়নি। যেহেতু আমাদের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন হচ্ছে; তার সাথে ক্যান্টনমেন্ট রয়েছে। এজন্য দ্বিতীয় চিঠিতে তাদের (সেনাবাহিনী) ক্যান্টনমেন্টে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

সিইসি বলেছিল জনগণের স্বস্তির কারণে সেনাবাহিনী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, মাঠে না থাকলে জনগণের মধ্যে স্বস্তি থাকবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগেও বলেছি এখনও বলছি, সেনাবাহিনীকে স্টাইকিং ফোর্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। স্ট্রাইকিং ফোর্স তখনই কাজ করবে যখন রিটার্নিং অফিসার প্রয়োজন মনে করবেন।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে একইভাবে সেনাবাহিনী থাকবে; কারণ সীমান্তের কাছে চট্টগ্রামের সেনানিবাস রয়েছে, কাজেই ওখানে কোনো সমস্যা হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *