চুলকানি দূর করার উপায়

চুলকানি দূর করার উপায়

24
0
SHARE

চুলকানি দূর করার উপায়সাধারণত মলদ্বার ও এর আশপাশে চুলকানি হয়ে থাকে। নারীদের চেয়ে পুরুষরা বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এর কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অপরিষ্কার থাকা এবং অতিরিক্ত মলদ্বার পরিষ্কার দুটোই মলদ্বারে চুলকানির তৈরি করতে পারে। কিছু কিছু সুগন্ধি সাবান, রঙিন-সুগন্ধি ও খসখসে টয়লেট পেপার ব্যবহারও চুলকানির অন্যতম কারণ।

যারা অতিরিক্ত ঘামান তাদের চুলকানি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

সাধারণত মহিলারা তুলনামূলক বেশি ছত্রাকের আক্রমণের শিকার হন। যৌনবাহিত রোগও মলদ্বারে চুলকানির কারণ হতে পারে।

যে সমস্ত চর্ম রোগে শরীরে চুলকানি হয় (যেমন-অ্যালার্জি) সবগুলোই মলদ্বারে চুলকানি করতে পারে। সোরিয়াসিস এবং কন্ট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস চুলকানির অন্যতম কারন।

কফি, চকলেট, বিয়ার, বাদাম, টমেটো, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার এবং মসলাদার খাবার থেকেও চুলকানি হয়। ওষুধের মধ্যে লেক্সেটিভ ও অ্যান্টিবায়োটিক মলদ্বারে চুলকানির কারণ হতে পারে।

সার্জিকাল রোগগুলোর মধ্যে সাধারণত এনাল ফিশার, পাইলস, ফিস্টুলা মলদ্বারে চুলকানি করে থাকে। এছাড়া আইবিএস, ডায়রিয়া এবং মল ধরে রাখার অক্ষমতাজনিত কারণেও চুলকানি হয়।

খুব অল্প ক্ষেত্রে হলেও মলদ্বারের ক্যান্সার চুলকানির কারণ। ডায়বেটিস কখনও কখনও চুলকানির কারণ হতে পারে।

চুলকানির সঙ্গে মলদ্বারে ভেজা ভেজা ভাব, জ্বালাপোড়া ও মলদ্বার লাল হয়ে যেতে পারে। অধিকাংশ চুলকানির জন্য চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না।

চুলকানি দূর করার কয়েকটি উপায় জেনে নিন।

১। এক বালতি পানিতে এক কাপ বেকিং সোডা মিশিয়ে গোসল করে নিন। এভাবে কয়েকদিন নিয়মিত গোসল করলে চুলকানি দূর হবে।

২। চুলকানির সাথে ঠাণ্ডা পানির দা-কুমড়া সম্পর্ক। যে স্থানে চুলকানির সমস্যা আছে সেখানে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুতে থাকবেন। দেখবেন আস্তে আস্তে চুলকানি কমে যাবে।

৩। দুইটি তাজা লেবু নিয়ে এর রস বের করে নিন। এবার একটি পরিষ্কার তুলার সাহায্যে এটি ত্বকের উপর আক্রান্ত স্থলে লাগিয়ে নিন। এভাবে দিনে দুই বার ব্যবহার করুন।

৪। এক বালতি কুসুম গরম পানিতে ২-৩ কাপ অ্যাপল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে ভালো করে নেড়ে নিন। ১৫-৩০ মিনিট এভাবে রেখে ওই পানি দিয়ে গোসল করুন। এভাবে প্রতিদিন একবার গোসল করুন।

৫। অ্যালোভেরার পাতার ভেতরের জেলির ন্যায় অংশটুকু চুলকানির স্থানে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দিনে একবার এভাবে ব্যবহার করলে চুলকানি দূর হয়ে যাবে।

৬। গোসল করার পানি হালকা গরম করে তার মধ্যে কয়েক ফোঁটা পেপারমিন্ট অয়েল মিশিয়ে নিন। এরপর এই পানিতে ৩০ মিনিট নিজেকে ভিজিয়ে রাখুন। গোসল শেষে শরীর ভালো করে মুছে লোশন লাগিয়ে নিন।

৭। এক বালতি পানিতে কয়েকটি নিমের পাতা নিয়ে গরম পানিতে ৫-১০ মিনিট ফুটান। পানি ঠাণ্ডা হলে ওই পানি দিয়ে গোসল করে নিন।

৮। শরীরের যেসব স্থানে চুলকানি হয় সেসব স্থানে হলুদ বাটা লাগিয়ে ১৫-৩০ মিনিট রেখে দিন। হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে দিনে একবার ব্যবহার করলেই চুলকানির সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

Comments

comments