ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ যেভাবে করা হয়

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ যেভাবে করা হয়

358
0
SHARE

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ যেভাবে করা হয়কখনও আইলা আবার কখনও ভারদা। প্রতিটি ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গেই জড়িয়ে থাকে কোনও না কোনও বিচিত্র নাম। কীভাবে নামকরণ করা হয় এই ঘূর্ণিঝড়গুলোর। আসুন দেখে নেওয়া যাক।

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ যেভাবে করা হয় সে সম্পর্কে বিশদ জেনে নিন।

১. ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের রেওয়াজ শুরু হয়েছিল ২০০ বছর আগে থেকে। ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে বিখ্যাত ক্যাথলিক সন্তদের নামে ঝড়ের নামকরণ করা শুরু করে।

২. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মহিলাদের নামে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা শুরু হয়।

৩. ১৯৫৩ সাল থেকে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের ক্ষেত্রে ‘এ’ থেকে ‘ডব্লিউ’ পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাদ দেওয়া হয় ‘কিউ’, ‘ইউ’, ‘এক্স’ এবং ‘জেড’-কে।

৪. অর্থাৎ নিরক্ষীয় অঞ্চলে বছরের প্রথম ঝড়ের নাম ‘এ’ দিয়ে, দ্বিতীয় ঝড়ের নাম ‘বি’ দিয়ে, তৃতীয়টা ‘সি’ দিয়ে— এইভাবে নামকরণ করা হয়।

৫. ১৯৭৮ সালে নারীবাদীদের আপত্তিতে ঝড়ের নামে শুধু মহিলাদের নাম ব্যবহার করার রেওয়াজ উঠে যায়। তখন পুরুষদের নামও ব্যবহার করা শুরু হয়।

৬. ভারত মহাসাগরের অঞ্চলে যে দেশগুলো রয়েছে, তারা ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য পৃথক পদ্ধতি ব্যবহার করে। ভারত, বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ড কয়েকটি নামের ‘সেট’ বেছে রেখেছে। যেমন অগ্নি, আকাশ, বিজলি, জল— এই নামগুলো ভারত বাদে অন্য কোনও দেশ চাইলেও ব্যবহার করতে পারবে না।

Comments

comments