রাজনীতির মাঠে আবারো ঘুরে দাঁড়াতে চায় বিএনপি

সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে রাজনীতির মাঠে আবারো ঘুরে দাঁড়াতে চায় বিএনপি। তড়িঘড়ি আন্দোলন কর্মসূচি দেয়ার চেয়ে এখন দল গোছানোর কাজেই বেশি মনোযোগী দলটি।

সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে রাজনীতির মাঠে আবারো ঘুরে দাঁড়াতে চায় বিএনপি। তড়িঘড়ি আন্দোলন কর্মসূচি দেয়ার চেয়ে এখন দল গোছানোর কাজেই বেশি মনোযোগী দলটি। সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে রাজনীতির মাঠে আবারো ঘুরে দাঁড়াতে চায় বিএনপি। তড়িঘড়ি আন্দোলন কর্মসূচি দেয়ার চেয়ে এখন দল গোছানোর কাজেই বেশি মনোযোগী দলটি। পাশাপাশি ক্ষমতাসীনদের আন্দোলন দমানোর কৌশলের বিপরীতে পাল্টা-কৌশল নির্ধারণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা।

গত বছরের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর সংগঠনকে শক্তিশালী করতে পরপর কয়েকটি জেলা ও বিভাগীয় শহরে জনসভা করেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ওই নির্বাচনের বর্ষপূর্তিতে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন করতে চাইলে সৃষ্টি হয় নতুন সংকটের।

৩ জানুয়ারি থেকে টানা প্রায় ৩ মাস গুলশান কার্যালয়ে অবস্থান করে লাগাতার হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচি দেন খালেদা জিয়া। এরপরও দাবি আদায় না হওয়ায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে অংশ নিয়ে আন্দোলনের পালে হাওয়া লাগাতে চায় বিএনপি। কারচুপির অভিযোগ তুলে ওই নির্বাচন বয়কট করার পর এখন আবারো চাপে পড়েছে দলটি। এ অবস্থায় দল গোছানোকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন নেতারা।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, “স্বাভাবিক নিয়মেই আমরা দল গোছাবো এবং আমরা সেভাবেই গোছানো শুরু করে দিয়েছি। এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া।”

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, “এখন সাংগঠনিক তৎপরতা যেটা আছে তা করা হচ্ছে মূলত দলকে সংগঠিত ও গোছানোর জন্য।”

দল গোছানোর পাশাপাশি আন্দোলনকে টেকসই করতে কৌশল ঠিক করা হচ্ছে বলে জানালেন দলের এই নীতিনির্ধারকরা।

আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, “যে কৌশলে সরকার আমাদেরকে দমন করতে চাচ্ছে, আমাদেরকেও তাদের এর বিপরীত কৌশল উদ্ভাবন করে তাদের পরিপন্থী একটা কর্মসূচির দিকে এগোতে হবে।”

খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, “বিএনপি তো কোন সন্ত্রাসী দল নয়, আমরা তো আর গুপ্তহত্যায় লিপ্ত হতে পারবোনা। এটা একটা রাজনৈতিক সমস্যা, তাই আমরা এটাকে রাজনৈতিক ভাবেই সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

সুসংহত নেতৃত্বের মাধ্যমে আন্দোলনে জনগণকে সম্পৃক্ত করে সরকারকে বশে আনতে চান তারা। তাদের মতে মানুষের মনে ক্ষোভ আছে এখন শুধু প্রয়োজন সু-সংগঠিত নেতৃত্ব যার মাধ্যমে তারা তাদের ক্ষোভকে প্রকাশ করতে পারবে। আর কোন গণতান্ত্রিক আন্দোলনকেই যদি বাধা দেয়া হয় তবে সেটা অগণতান্ত্রিক পথে চলে যেতে পারে বলে তারা হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেন।

দল গোছানোর উদ্যোগ বাস্তবায়নে মামলায় আক্রান্ত ও আটক নেতাকর্মীদের ছাড়িয়ে নিতে আইনি লড়াইও জোরদার করতে চান দলের শীর্ষ নেতারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *