বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনের রাস্তা থেকে বালি ও সুরকির ট্রাক সরিয়ে নিয়েছে পুলিশ।
জাতীয়

গুলশানের ট্রাক সরেছে

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনের রাস্তা থেকে বালি ও সুরকির ট্রাক সরিয়ে নিয়েছে পুলিশ।বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনের রাস্তা থেকে বালি ও সুরকির ট্রাক সরিয়ে নিয়েছে পুলিশ।

রাত সাড়ে ৮টার দিকে গুলশান ৮৬ নম্বর সড়কে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে থেকে বালি ও সুরকির ট্রাক সরিয়ে নেয়া হলেও পুলিশের গাড়ি দিয়ে তৈরি করা ব্যারিকেড রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্তও ছিল।

শনিবার গভীর রাত থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনকে তার গুলশান কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে পুলিশ। পুলিশ অবশ্য বলছিল, তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়নি বরং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য ছিল ওইসব আয়োজন।

নিরাপত্তার দাবি করে আসলেও সোমবার দুপুরে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ের দুই ফটকে তালা লাগিয়ে দেয় পুলিশ। যার কারণে, সমাবেশে যোগ দিতে কার্যালয় থেকেই বের হতে পারেননি তিনি। শেষে কার্যালয়ের ভেতর থেকেই অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধের ডাক দেন বেগম জিয়া।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোট দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে থেকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। ২০১৩ সালের ওই আন্দোলনে ব্যাপক সহিংসতা হয়। তবে ২০ দলের দাবি না মেনেই নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যায় আওয়ামী লীগ। বিএনপিবিহীন ওই নির্বাচনে অনায়াসেই জয় লাভ করে আওয়ামী লীগ, বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হয় জাতীয় পার্টি।

৫ জানুয়ারির ওই নির্বাচনের বর্ষপূর্তির দিনটিকে ঘিরে বিপরীতমুখি অবস্থান নেয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও রাজপথের বিরোধী দল বিএনপি। আওয়ামী লীগ বলে দিনটিকে তারা ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ হিসেবে পালন করবে। অন্যদিকে বিএনপি ঘোষণা দেয় দিনটিকে তারা ‘গণতন্ত্রের হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করবে।

এরইমধ্যে ৩ জানুয়ারি রাতে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে অসুস্থ অবস্থায় রুহুল কবির রিজভীকে নিয়ে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। বিএনপি দাবি করে, রিজভীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে পুলিশ বরাবরই অস্বীকার করে এমন অভিযোগ।

তবে ওই রাতেই নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়। রোববার সন্ধ্যার দিক থেকে এই কার্যালয়ের সামনের সড়কের দুই পাশে ব্যারিকেড বসিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। রাত ১০টার দিকে ব্যারিকেড বসানো হয় পল্টনের প্রতিটি ওলিগলির মুখেও। সোমবার দিনভর ব্যারিকেড দেয়া সড়কেই ব্যাপক সতর্ক অবস্থায় থাকে পুলিশ।

বিকেলে বিএনপি চেয়ারপারসন অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এরপর সন্ধ্যার কিছু পরে তুলে নেয়া হয় এসব ব্যারিকেড।

ব্যারিকেড তুলে নেয়া হলেও এই সড়কে এখনও যান চলাচল একেবারেই সীমিত।

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *