প্রভিশন সংরক্ষণ ও ক্ষতিগ্রস্ত কোটার মেয়াদ বাড়ল
পুঁজিবাজার

প্রভিশন সংরক্ষণ ও ক্ষতিগ্রস্ত কোটার মেয়াদ বাড়ল

প্রভিশন সংরক্ষণ ও ক্ষতিগ্রস্ত কোটার মেয়াদ বাড়ল পুঁজিবাজারে স্টক ব্রোকার, স্টক ডিলার, মার্চেন্ট ব্যাংক ও তাদের বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিওতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত উদ্ভূত পুন:মূল্যায়নজনিত ক্ষতির (আন-রিয়েলাইজ লস) বিপরীতে রক্ষিত প্রভিশন সংরক্ষণের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

সোমবার কমিশনের ৫৬০ তম সভায় সময় বাড়ানোর বিষয়টি অনুমোদন দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) আবেদনের প্রেক্ষিতে বিএসইসি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারিতে বিএসইসির এসইসি/ সিএসআরআরসিডি/ ২০০৯-১৯৩/১৬৬ জারি করা নির্দেশনার অনুরূপ প্রভিশন সংরক্ষণের সময় বৃদ্ধির ঐচ্ছিক সুবিধা নেওয়ার বিষয়টি অনুমোদন দেওয়া হয়।

যা এককালীন সংরক্ষণের পরিবর্তে ডিসেম্বর, ২০১৫ হতে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫টি ত্রৈমাসিক সমান অংশে (২০ শতাংশ) সংরক্ষণ করা যাবে।

অন্যদিকে, পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) ২০ শতাংশ কোটার মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

সোমবার বিএসইসির ৫৬০ তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারের বৃহত্তর স্বার্থে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বিশেষ স্কিমের আওতায় সব পাবলিক ইস্যুতে ২০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের মেয়াদ আগামী ১ জুলাই ২০১৬ তারিখ থেকে ৩০ জুন ২০১৭ পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য অর্থমন্ত্রণালয়ের কাছে সুপারিশ করবে কমিশন।

ডরিন পাওয়ারের আইপিও অনুমোদন

ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আজ সোমবার বিএসইসির ৫৬০তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৫৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ১৯ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৯ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

কোম্পানিটির গত ৫ বছরের ওয়েটেড এভারেজ শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৩ টাকা ১৯ পয়সা। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৪ টাকা ৮৭ পয়সা।

জানা গেছে, কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করে ২টি সহযোগী কোম্পানির পাওয়ার প্লান্ট স্থাপন, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিওর কাজে ব্যয় করবে।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে অ্যালায়েন্স ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেড এবং আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *