কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বিরুদ্ধে মানহানির একটি মামলার সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি দিন ধায্য করেছে ঢাকার একটি আদালত।
জাতীয়

কাদের সিদ্দিকীর মামলার সাক্ষ্য ১২ ফেব্রুয়ারি

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী  বিরুদ্ধে মানহানির একটি মামলার  সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি দিন ধায্য করেছে ঢাকার একটি আদালত।কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী  বিরুদ্ধে মানহানির একটি মামলার  সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি দিন ধায্য করেছে ঢাকার একটি আদালত।

গত ২৩ নভেন্বর অতিরিক্তি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলী মাসুদ সেখ মামলার কাদের সিদ্দিকী  ১৪ ধার্য তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

এদিকে মামলার বাদী ন্যাশনাল এফএফ ফাউন্ডেশনের সাধারন সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন মজুমদারও আদালতে হাজির না হওয়ায় তাকেও হাজির হয়ে কারণ দর্শনোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

বূহস্পতিবার বাদী আদালতে এসে কারণ দর্শনোর জবাব দিলে অতিরিক্তি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলী মাসুদ সেখ সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি দিন ধায্য করেন।

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে ‘রাজাকার’ বলায় মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন মজুমদারের দায়ের করা মানহানি মামলায় এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। গত ১৮ মাচ বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী সিএমএম আদালত থেকে জামিন নেন।

ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে ২০১৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বাদী এ মামলাটি দায়ের করেন। ওইদিন আদালত কাদের সিদ্দিকীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন। এরপর ওই বছর ১৮ মার্চ তিনি আদালতে হাজির হলে আদালত তাকে জামিন প্রদান করেন। এরপর আর তিনি আদালতে হাজির হননি।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সম্মেললে কাদের সিদ্দিকী বলেছেন,“মহাজোট সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজাকার। সরকারের মধ্যে রাজাহার রেখে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব নয়। ৭১ সালে মখা আলমগীর ময়মনসিংহের এডিসি ছিলেন। রাজাকারদের পক্ষে কাজ করেছেন তিনি, আমি সাক্ষী।”

মামলায় বাদী বলেন, “মহীউদ্দীন খান আলমগীর বা তার পরিবারের কেউই রাজাকার নন। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার পরিবারের সদস্যরা সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করলেও মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটি পদক্ষেপে তাদের অংশীদারিত্ব জাতির কাছে প্রমাণিত।”

আসামির এ মিথ্যা বক্তব্যে বাদী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের মানহানি এবং মহীউদ্দীন খান আলমগীরের প্রায় দুই কোটি টাকার মানহানি হয়েছে।

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *